• মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১০:৪৭ অপরাহ্ন
Headline
রুয়েটে যোগদান করলেন প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন রাজশাহীতে পদ্মা নদীতে নৌকাডুবি: ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রতিনিধি দল রুয়েটে এমএসই ডে অনুষ্ঠিত রাজশাহীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ৩ জনের সাজা বেসরকারিকরণ হলে বাড়বে বিদ্যুতের দাম, কমবে সেবার মান: বিদ্যুৎ শ্রমিক ফেডারেশন রাজশাহী নগরীতে পরিত্যক্ত বাড়িতে র‌্যাবের অভিযান, ম্যাগাজিন-গুলিসহ বিপুল আলামত উদ্ধার বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের নিউজ প্রেজেন্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এনজামুল হক সৈকত রাবি লাইব্রেরিতে রাকসু-শিবির নেতাদের হামলার অভিযোগ, তিন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত রুয়েটে প্রো-ভিসি পদে নিয়োগ পেলেন অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন ঘাসিগ্রাম ইউপির ১৫টি মসজিদের ইমাম, মোয়াজ্জেম ও খাদেমদের সঙ্গে বিএনপি নেতার মতবিনিময় 

তিন পাত্তি গোল্ড: ভারতে গেছে ২০০ কোটি টাকা

সনি নিউজ / ৬১ Time View
Update : সোমবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২২
তিন পাত্তি গোল্ড: ভারতে গেছে ২০০ কোটি টাকা
তিন পাত্তি গোল্ড: ভারতে গেছে ২০০ কোটি টাকা

অনলাইন ডেস্ক: তিন পাত্তি গোল্ডসহ বিভিন্ন অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে অন্তত ২০০ কোটি টাকা ভারতে পাঠিয়েছেন উল্কা গেমস লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও জামিলুর রশিদ। সোমবার (৩১ অক্টোবর) এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

তিনি বলেন, ২০১৭ সালে জামিলুর রশিদ একটি ভারতীয় কোম্পানি মুনফ্রগ ল্যাবের সাথে যোগাযোগ করেন। এরপর ২০১৮ সালে ওই সংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধি হিসেবে দেড় লাখ টাকা বেতনে কাজ শুরু করেন। মুনফ্রগ ল্যাবের অনলাইন জুয়া অ্যাপ ‘তিন পাত্তি গোল্ড’- এর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাওয়ায় গেমটিকে আরও ছড়িয়ে দিতে দেশে বৈধতা দেওয়ার জন্য কতিপয় আইনজীবীর পরামর্শে সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে ২০১৯ সালের প্রথম দিকে ‘উল্কা গেমস প্রা. লি.’ নামে একটি গেমিং ডেভেলপমেন্ট প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন নেন জামিলুর রশিদ।

২০১৯ সালে মুনফ্রগ দেশের গেমিং সেক্টরের উন্নয়নের জন্য প্রায় দেড় কোটি টাকা দিয়ে উলকা গেমের ০.০১ শতাংশ প্রদানের জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে। দেশে গেম ডেভেলপমেন্টের অনুমোদন থাকলেও অনলাইন জুয়া/ক্যাসিনোর অনুমোদন না থাকায় উল্কা গেমস বিভিন্ন ভুল তথ্য উপস্থাপন করে সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে আইনি বৈধতা প্রাপ্তির ব্যবস্থা করে। এভাবেই ‘তিন পাত্তি গোল্ড’ যাত্রা শুরু করে।

মূলত একটি অ্যাপ যা মোবাইলে ডাউনলোড করে খেলা যায়। এই অ্যাপের সার্বিক নিয়ন্ত্রণ মুনফ্রগ ল্যাবের কাছে রয়েছে। এই অ্যাপে ‘তিন পাত্তি গোল্ড’ ছাড়াও ‘রাখি’, ‘অন্দর বাহার’ ও ‘পোকার’ নামেও অনলাইন জুয়ার গেমস রয়েছে। যে কোনো কাজের পাশাপাশি এই গেম খেলতে পারায় তরুণসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের কাছে এটি জনপ্রিয়তা পায়। গেমের রেজিস্ট্রেশনের পর একজন গ্রাহককে গেমস খেলার জন্য কিছু চিপস ফ্রি দেওয়া হয়। পরে গেমস খেলার জন্য অর্থের বিনিময়ে চিপস কিনতে হয়। মূলত মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছ থেকে চিপস কিনে অর্থের লেনদেন হয়।

তিনি বলেন, প্রতিদিন প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার চিপ বিক্রি হয় এবং প্রতিটি কোটি টাকার চিপ বিক্রি হয় বিভিন্ন পর্যায়ে ৪৬ থেকে ৬৫ টাকায়। বিভিন্ন বট প্লেয়ার/রোবট প্লেয়ারের মাধ্যমে মূল গেইমারদের কৌশলে হারিয়ে প্লেয়ারদের পরে আরও চিপস কিনতে উৎসাহিত করা হয়। বাংলাদেশে ‘তিন পাত্তি গোল্ড’ এর চিপস বিক্রির কাজটি ১৪টি অফিসিয়াল ডিস্ট্রিবিউটর/এজেন্টের মাধ্যমে পরিচালনা করা হয়। এই সকল ডিস্ট্রিবিউটরদের সাব ডিস্ট্রিবিউটরও রয়েছে। গ্রেফতার আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান র‌্যাবের কর্মকর্তা।

সনি বাংলা ডট কম/ইআবি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category