বুধবার , ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২৭শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. আইন
  2. আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উপসম্পাদকীয়
  5. কৃষি
  6. খুলনা
  7. খেলা
  8. চট্টগ্রাম
  9. চাকরীর খবর
  10. জাতীয়
  11. ঢাকা
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. দেশের খবর
  14. নারী
  15. বরিশাল

গাছ লাগানোর সরকারি কর্মসূচির মধ্যেই ১২ বছরের পাইকর গাছ কাটা, প্রশ্ন সমাজসেবা কমপ্লেক্সে

প্রতিবেদক
sonynews
সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬ ৮:৩৬ পূর্বাহ্ণ

ইফতেখার আলম বিশাল: দেশজুড়ে যখন বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সংরক্ষণে জোর দেওয়া হচ্ছে, তখন রাজশাহী জেলা সমাজসেবা কমপ্লেক্সের প্রায় ১২ বছর বয়সী একটি পাইকর গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। একজন ব্যক্তি গাছটির নিচে বসে বাঁশ কাটতেন—এমন অভিযোগের জেরেই গাছটি কাটা হয়েছে বলে জানা গেছে। এতে প্রশ্ন উঠেছে, একজনকে সরাতে একটি বড় গাছ কেটে ফেলাই কি ছিল একমাত্র সমাধান?

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে দেখা যায়, কমপ্লেক্সের দক্ষিণ পাশে প্রায় ১০ থেকে ১৫ কাঠা জায়গাজুড়ে সবজি, কলা ও আখ চাষ করা হচ্ছে। এর পাশেই ছিল ছায়াদানকারী পাইকর গাছটি। তবে গাছটির ডালপালা ও পাতা নেই; কেটে ফেলার পর পড়ে আছে শুধু অবশিষ্ট অংশ।

কমপ্লেক্সের এক কর্মচারীর অভিযোগ, অফিস সহকারী মুঞ্জুরুল ইসলাম ওই খালি জায়গায় চাষাবাদ করছেন। উৎপাদিত সবজির কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দেওয়া হলেও অধিকাংশ বাজারে বিক্রি করা হয় বলেও দাবি করেন তিনি। তবে এ অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

গাছ কাটার বিষয়ে অফিস সহকারী মুঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় একজন ব্যক্তি গাছের নিচে জায়গা দখল করে বাঁশ কাটতেন। নিষেধ করেও তিনি না শোনায় গাছটি কেটে ফেলা হয়েছে। তবে একজনকে সরাতে গাছ কাটার প্রয়োজন কেন হলো—এ প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।

এ বিষয়ে সমাজসেবা কমপ্লেক্সের উপপরিচালক মনিরা খাতুন বলেন, ‘বাইরের লোকজন গাছের নিচে বসবে কেন?’ পরে গাছ কাটার বিষয়টি তাঁর জানা নেই জানিয়ে তিনি বলেন, ‘জেনে জানাব।’

এতেই প্রশ্ন উঠেছে—বাইরের কেউ অনুমতি ছাড়া সেখানে বসে থাকলে তাকে সরাতে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হলো না কেন? প্রয়োজনে নিরাপত্তাকর্মী কিংবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নেওয়ার সুযোগ থাকলেও গাছ কাটার সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হলো?

আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, গাছটি কাটার আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমোদন নেওয়া হয়েছিল কি না।

অন্যদিকে, সরকারি জায়গায় চাষাবাদ হয়ে থাকলে তার অনুমোদন কী, উৎপাদিত ফসল কোথায় যাচ্ছে এবং সরকার বা প্রতিষ্ঠান কোনো রাজস্ব পাচ্ছে কি না—এসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

রাজশাহীতে ২০২৬ থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত ৯৩ হাজার ২০০টি গাছ লাগানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এমন সময়ে একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের ছায়াদানকারী গাছ কেটে ফেলার অভিযোগে বিষয়টি আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

একটি গাছ কাটার ঘটনা তাই শুধু পরিবেশের ক্ষতি নয়; এর সঙ্গে সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনা, প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের স্বচ্ছতা এবং সরকারি জায়গার ব্যবহার নিয়েও প্রশ্ন জড়িত। বিষয়টি তদন্ত করে গাছ কাটার অনুমোদন ও চাষাবাদের বৈধতা স্পষ্ট করার দাবি উঠেছে।

সর্বশেষ - আইন

আপনার জন্য নির্বাচিত

নজরুল রিমান্ডে, ছেলেসহ খালেককে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ

স্বেচ্ছায় মৃত্যুর অনুমতি পেলেন তরুণী, যেভাবে মৃত্যু হবে তার

রাজশাহীতে পরিবহন ধর্মঘটের দ্বিতীয় দিন, চরম দুর্ভোগে যাত্রীরা

বিচারপতিদের সই জাল করে জামিন পাইয়ে দিতো চক্রটি

ঝিকরগাছা গদখালী ফেব্রুয়ারির ৩দিবসে শতকোটি টাকা আয়ের আশা চাষীদের

রাজশাহীতে একটি বিদেশি পিস্তল ও ৩ রাউন্ড গুলি উদ্ধার 

নগরীতে আইনজীবীদের কালো পতাকা মিছিল ও সমাবেশ

বাংলাদেশ–পাকিস্তান বিমানবাহিনী প্রধানদের বৈঠকে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান নিয়ে আলোচনা

তালাকের রেজিস্ট্রি কপি পেতে লুৎফির ভোগান্তি, কাজীর বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগ”

টিকেট ছাড়া ট্রেন যাত্রা চিত্রার, অতঃপর সফটওয়্যার কোম্পানি প্রতিষ্ঠাতার স্ত্রী!

টিকেট ছাড়া ট্রেন যাত্রা ‘চিত্রার‘ অতঃপর সফটওয়্যার কোম্পানি প্রতিষ্ঠাতার স্ত্রী!