সোমবার , ৫ অক্টোবর ২০২৬ | ২০শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. আইন
  2. আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উপসম্পাদকীয়
  5. কৃষি
  6. খুলনা
  7. খেলা
  8. চট্টগ্রাম
  9. চাকরীর খবর
  10. জাতীয়
  11. ঢাকা
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. দেশের খবর
  14. নারী
  15. বরিশাল

ইরান যুদ্ধে ‘হার মানলেন’ ট্রাম্প! ২৩ বছর পর ৪,৫০০ লাশ ডিঙিয়ে কেন খালি হাতে ইরাক ছাড়ল আমেরিকা?

প্রতিবেদক
sonynews
অক্টোবর ৫, ২০২৬ ৩:২১ পূর্বাহ্ণ

সনি বাংলা ডেস্ক: প্রায় আড়াই দশক কাটিয়ে ইরাক থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করল আমেরিকা। পশ্চিম এশিয়ার দেশটিতে টানা যুদ্ধ চালিয়ে কী পেল ওয়াশিংটন?

আফগানিস্তানের পর এ বার ইরাক। ২৩ বছরের মাথায় পশ্চিম এশিয়ার খনিজ তেল সমৃদ্ধ দেশটি ছেড়ে ‘ল্যাজ গুটিয়ে’ চম্পট দিল মার্কিন ফৌজ! ইরান যুদ্ধের আবহে আর এক মোর্চায় পুরোপুরি আত্মসমর্পণ ‘সুপার পাওয়ার’ আমেরিকার? না কি পর্দার আড়ালে থেকে বাগদাদের তরল সোনা লুটের অন্য ছক কষে ফেলছে যুক্তরাষ্ট্র? এই সৈন্য প্রত্যাহারে ভারতের লাভ কতটা? সব কিছুর চুলচেরা বিশ্লেষণে মেতে রয়েছে বিশেষজ্ঞ মহল।

চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর ইরাক থেকে সর্বশেষ মার্কিন সৈন্যকে ঘরে ফেরায় আমেরিকা। সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতেই বিবৃতি দেয় যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ দফতরের সদর কার্যালয় পেন্টাগন। সেখানকার মুখপাত্র শন পার্নেল বলেন, ‘‘মার্কিন ফৌজ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক জোট বাহিনী আধা-স্বায়ত্তশাসিত কুর্দিস্তানের এরবিল বিমানঘাঁটি থেকে সামরিক সরঞ্জাম নিয়ে সুশৃঙ্খল ভাবে বেরিয়ে আসতে পেরেছে।’’

ইরাক থেকে মার্কিন ফৌজ প্রত্যাহারের সঙ্গে সঙ্গেই বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে মুখ খোলেন পশ্চিম এশিয়ার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ জসিম আল-বাহাদলি। ইরানের শিয়া সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা চালাচ্ছেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘‘জোট-সেনার প্রস্থানে কৌশলগত ভাবে সবচেয়ে লাভবান হল তেহরান। এ বার অনায়াসেই বাগদাদের ভিতরে সামরিক উপস্থিতি বাড়াতে পারবে তারা।’’

জসিমের এই ভবিষ্যদ্বাণী ফেলে দেওয়ার নয়। কারণ, মার্কিন ফৌজ সরতেই ইরাকের বিভিন্ন শহরে বিজয় উৎসবে মেতে ওঠেন এলাকাবাসী। সমাজমাধ্যমে ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে সেই ভিডিয়ো। বাগদাদের ভিতরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি নিয়ে গোড়া থেকেই আপত্তি জানিয়ে এসেছে ইরান। তেহরানের মদতেই সেখানে গজিয়ে ওঠে চরম আমেরিকা-বিরোধী ‘ইসলামিক রেজ়িস্ট্যান্স ইন ইরাক’ নামের একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠী।

যুক্তরাষ্ট্র সেনা সরানোর পর সংবাদসংস্থা রয়টার্সের কাছে মুখ খোলেন ওই সংগঠনের কমান্ডার আবু মোজতবা আল-ইয়াসিরি। তিনি বলেন, ‘‘ইরাকের ইতিহাসে একটা কালো অধ্যায়ের অবসান হল। এখানে মার্কিন ফৌজের চরম পরাজয় ঘটেছে। আমাদের সার্বভৌমত্ব কোনও বিদেশি শক্তির দ্বারা সুরক্ষিত হতে পারে না। বরং জনগণের প্রতিরোধ ও ইচ্ছাশক্তির দ্বারা সেটাকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।’’

উল্লেখ্য, ২০০৩ সালে গণবিধ্বংসী হাতিয়ার তৈরির অভিযোগ তুলে ইরাক আক্রমণ করে মার্কিন ফৌজ। ওই সময় দেশটির প্রেসিডেন্ট ছিলেন সাদ্দাম হুসেন। তাঁর বিরুদ্ধে চালানো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের সাঙ্কেতিক নাম রাখা হয় ‘অপারেশন ইরাকি ফ্রিডম’। প্রথম দিকে এতে চমকপ্রদ সাফল্য পায় আমেরিকা। তাদের হাতে খুব অল্প দিনে পতন ঘটে বাগদাদের। তিকরিতের ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারে ধরা পড়েন খোদ সাদ্দাম।

গ্রেফতারির তিন বছরের মাথায় (পড়ুন, ২০০৬ সাল) সাবেক প্রেসিডেন্টকে ফাঁসিতে ঝোলায় আমেরিকা সমর্থিত ইরাকি সরকার। সাদ্দামের মৃত্যুতে পরিস্থিতি সহজ হবে বলে মনে করছিল যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু, বাস্তবে উল্টে যায় তাদের পাশার চাল। পরবর্তী বছরগুলিতে কেন্দ্রীয় সরকারের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে পশ্চিম এশিয়ার দেশটির বিভিন্ন প্রান্তে গজিয়ে ওঠে একাধিক বিদ্রোহী গোষ্ঠী। ফলে, নিরাপত্তা ইস্যুতে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে আমেরিকা।

সুপ্রাচীন মেসোপটেমিয়া সভ্যতার জন্মভূমি ইরাকের জনসংখ্যাকে তিনটি মূল শ্রেণিতে ভাগ করা যেতে পারে। সেখানবার বাসিন্দাদের প্রায় ৬১ শতাংশই শিয়া মুসলিম। বাকি, ২৯ শতাংশ সুন্নি ইসলাম ধর্মাবলম্বী এবং আরব জাতিগোষ্ঠীভুক্ত। এ ছাড়া, ১০ শতাংশ কুর্দ জনজাতির লোকও বাস করেন সেখানে। শিয়ারা সংখ্যাগরিষ্ঠ হলেও বাগদাদের শাসনভার অধিকাংশ সময় থেকেছে সুন্নিদের হাতেই।

উদাহরণ হিসাবে সাদ্দামের কথা বলা যেতে পারে। তিনি ছিলেন সুন্নি ধর্মাবলম্বী। ফলে, তাঁর মৃত্যুতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ইসলামের ওই শাখাভুক্ত ইরাকি নাগরিকেরা। অন্য দিকে, ১৯৭৯ সালে ইসলামীয় বিপ্লবে প্রতিবেশী ইরানের শাসন ব্যবস্থা পুরোপুরি ভাবে চলে যায় শিয়া ধর্মগুরুদের হাতে। সেখানকার জনসংখ্যারও বড় অংশই ছিল মুসলিমদের ওই শাখাটির অন্তর্ভুক্ত। ফলে, তাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়াতে দেরি করেনি বাগদাদের শিয়া সম্প্রদায়।

সাদ্দাদের মৃত্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে নিজের নিজের স্বার্থসিদ্ধিতে মেতে ওঠে এই তিন গোষ্ঠী। এদের দমন করতে স্থানীয় বাহিনীকে লেলিয়ে দেয় মার্কিন সেনা। শুধু তা-ই নয়, ইরাকি ফৌজের শক্তি বৃদ্ধি করতে তাদের প্রশিক্ষণ ও গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করে যুক্তরাষ্ট্র। এই কর্মকাণ্ডের সাঙ্কেতিক নাম ‘অপারেশন নিউ ডন’ রাখে আমেরিকা। তার পরেও বহু এলাকা বিদ্রোহীদের দখলমুক্ত করতে ব্যর্থ হয় ওয়াশিংটন।

স্থানীয় বিদ্রোহীদের পাশাপাশি ১৯৯৯ সালে ‘জামাত আল-তাওহিদ ওয়াল-জিহাদ’ নামের মার্কিন-বিরোধী একটি জঙ্গি সংগঠনের জন্ম হয় পশ্চিম এশিয়ায়। ২০০৪ সালে কুখ্যাত সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আল-কায়দার হাত ধরে তারা। ২০১৩ সালে উত্তর-পশ্চিমের প্রতিবেশী সিরিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে তাদের শাখা। ফলে ওই বছরই আনুষ্ঠানিক ভাবে আত্মপ্রকাশ করে ‘ইসলামিক স্টেট অফ ইরাক অ্যান্ড সিরিয়া’ বা আইসিস।

জন্মের পর ইরাকি ভুখণ্ডে মার্কিন ফৌজের বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধে নামে সংশ্লিষ্ট জঙ্গি গোষ্ঠী। তাদের চোরাগোপ্তা হামলায় প্রাণ হারান বহু আমেরিকান সৈনিক। ফলে, ২০১৪ সালে ‘বন্ধু’ রাষ্ট্রগুলির বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামতে বাধ্য হয় যুক্তরাষ্ট্র। এর সাঙ্কেতিক নাম ‘অপারেশন ইনহেরেন্ট রিজ়লভ’ রাখে পেন্টাগন। গত এক দশকের বেশি সময় ধরে চলেছে এই সংঘর্ষ।

সর্বশেষ - আইন

আপনার জন্য নির্বাচিত

সাত শতাধিক ‘ইসরায়েলি গুপ্তচর’ গ্রেপ্তারের দাবি ইরানের

কানাডায় হাজার হাজার বাড়ি করেছেন আওয়ামী পরিবারের লোকেরা

তানোরে র‌্যাবের অভিযানে ১৪৬ বোতল ফেনসিডিলসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

পলকের বাড়ি রক্ষায় অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প!

রাজশাহীতে প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত শিল্পীরা

রাজশাহীতে প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত শিল্পীরা

মালয়েশিয়া চ্যাম্পিয়নশিপে দ্বিতীয় বাংলাদেশের অভিক

রাজশাহীতে আম পাড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল মোজাম্মেলের

এবার পদ্মা সেতু হয়ে আম নিয়ে যাবে ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন

দেশে ফিরে ছাদ খোলা বাসে লঙ্কানদের শিরোপা উৎসব

উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা সংবাদ সম্মেলনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ মতিহার জামায়াতের