সোমবার , ১৮ ডিসেম্বর ২০২৩ | ২১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. আইন
  2. আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উপসম্পাদকীয়
  5. কৃষি
  6. খুলনা
  7. খেলা
  8. চট্টগ্রাম
  9. চাকরীর খবর
  10. জাতীয়
  11. ঢাকা
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. দেশের খবর
  14. নারী
  15. বরিশাল

নওগাঁয় ধান চাষে লোকসান , হতাশায় কৃষক

প্রতিবেদক
sonynews
ডিসেম্বর ১৮, ২০২৩ ৩:৪৯ অপরাহ্ণ

নওগাঁ প্রতিনিধি: ধান-চাল উৎপাদনে বরাবরই এগিয়ে উত্তরের জেলা নওগাঁ। নওগাঁ জেলার কৃষকরা বোরো আবাদ নিয়ে মারাত্মক দুশ্চিন্তার মধ্যে আছেন। ন্যায্য মূল্যে আমন ধান বিক্রি করতে না পারা এবং প্রতিবছর ফসল চাষাবাদে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বোরো চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে না বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এরইমধ্যে বীজতলার চারা বড় হতে শুরু হয়েছে।আগামী জানুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহে বোরো রোপণ শুরু হবে বলে আশা করছেন কৃষকরা। তাদের উৎপাদন করা ধান এখন বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের মাথায় । একদিকে দাম কম, অন্যদিকে শ্রমিক দিয়ে ধান কাটলে লোকসানে পড়ার আশঙ্কায় বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা।জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ফসলের ক্ষেত প্রায় শূন্য। এবার আমন ধানের ফলনও তুলনামূলক কম । বাজারে দাম কম হওয়ায় আগামিতে ধান চাষ থেকে বিরত থাকার কথাও বলছেন অনেক কৃষকরা। ইতি মধ্যে অনেক কৃষক ধানের দাম আশানুরূপ না পাওয়ায় ধানি জমিকে আম বাগান এবং পুকুরে পরিণত করেছেন ।জেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে নওগাঁ জেলায় আবাদী জমির পরিমাণ : ২ লক্ষ ৭৩ হাজার ৮৩২ হেক্টর ।চলতি বোরো মৌসুমে এ জেলায় ১ লাখ ৯০ হাজার ৯৫০ হেক্টর জমি থেকে ১২ লাখ ৫৪ হাজার ৫৪১ টন ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি বিভাগ।

নওগাঁ জেলার রাণীনগর থানার আবাদপুকুর বাজারের নিকটবর্তী অলংকারদীঘি গ্রামের কৃষক হারুন অর রশিদ (৫৩) জানান, তার এবার আমন মৌসুমে আতব- ৯০ জাতের ধানের ফলন হয়েছে বিঘা প্রতি ১১ মন করে অথচ তাকে আমন ধান উৎপাদনের জন্য খরচ গুনতে হয়েছে বিঘাপ্রতি হালচাষ বাবদ ২০০০ টাকা , ধান রোপণ ৯০০ টাকা, সার বাবদ ১২০০ টাকা,কীটনাশক স্প্রে করতে হয়েছে ১৩৫০ টাকার,জমি বাবদ দিতে হয়েছে ৮০০০ টাকা এবং ধান কাটাই মারাই করার জন্য শ্রমিকদের দিতে হয়েছে ৩২০০ টাকা। অথচ তার উৎপাদন করা আতব ৯০ জাতের ধানের বর্তমান বাজার মূল্য মন প্রতি ১৩০০ টাকার কাছাকাছি । সব মিলিয়ে হারুন অর রশিদ সাহেবের ১ বিঘাই ধান উৎপাদন খরচ ১৬ হাজার ৬৫০ টাকা। ধান বিক্রয় করে তিনি পেয়েছেন ১৪ হাজার ৩০০ টাকা ।তার বিঘা প্রতি লোকসান গুনতে হয়েছে ২ হাজার ৩৫০ টাকা। এভাবে ক্ষেতের ধান এখন মাথার বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে কৃষকের! তিনি আরও জানান, ধানের বিভিন্ন নতুন নতুন রোগের কারণে বেশ কষ্ট পোহাতে হচ্ছে জমির ধান নিয়ে। যদি বাজারে দাম ঠিকমত পাওয়া যেতো তবে এই কষ্ট সার্থক হতো। এ ধরনের পরিস্থিতি হলে কৃষকরা ধানের আবাদ থেকে বিরত থাকবে আগামীতে।

 

নওগাঁর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের কর্মকর্তা বলেন , ধানের ফলন যাতে ভালো হয় সেজন্য আমরা কৃষকদের বিভিন্ন গ্রুপ করে প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকি। এ বছরে জেলার সকল উপজেলাই আমন ধানের ফলন খুব একটা ভালো হয় নি । এর উপরে আবার বাজারে ধানের দাম কম থাকায় কৃষকরা হতাশার মধ্যে আছেন।

সর্বশেষ - রাজশাহী

আপনার জন্য নির্বাচিত

ডিগ্রী পরীক্ষা উপলক্ষ্যে আরএমপির গণবিজ্ঞপ্তি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: রাজশাহীর উপজেলাগুলোতে ব্যালট পেপার পৌঁছেছে

৯ ঘণ্টার অবরোধে ১৬ ট্রেনের যাত্রা ব্যাহত, ক্ষতি ৩৫ লাখ টাকা

ফাইজারের নির্বাহী প্রধান আবারও করোনা আক্রান্ত

মিতু হত্যা মামলায় বাবুলসহ সাতজনের নামে অভিযোগপত্র

ধানের শীষের আমানত রক্ষার দায়িত্ব আপনাদের—আবু সাইদ চাঁদ

রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক নেতা এম এ আলম আর নেই

গোপন মিটিং থেকে যুবলীগ-ছাত্রলীগের ৪ নেতা আটক

অর্জিত সুনাম ধরে রেখে রাজশাহীকে আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই: রাসিক মেয়র

রাজশাহীতে সুবিধাবঞ্চিত স্কুল ছাত্রীদের মাঝে মিডল্যান্ড ব্যাংকের বাইসাইকেল বিতরণ