স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহী মহানগরীর তালাইমারী শহীদ মিনারে সুদকারবারী রনি বাহীনির হামলায় শিশু, নারী পুরুষ-সহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় একাধীক বাড়ি ঘর, দোকানপাট, ক্লাবঘর ভাংচুর চালিয়েছে হামলাকারীরা। একই সময় হামলা করতে আসা ৬জন যুবক আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
শুক্রবার (১৯ মে) রাত ৯টার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনায় পর রাত দেড়টা পর্যন্ত তালাইমারী টু সাহেব বাজার মহাসড়ক অবরোধ করে শহীদ মিনার বসতীর প্রায় ৫শতাধীক বাসিন্দা। এতে দির্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে বোয়ালিয়া থানা পুলিশের হস্তক্ষেপে ও হামলাকারীদের আটকের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেয় স্থানীয়রা।
হামলায় আহতরা হলেন: নগরীর বোয়ালিয়া থানার তালাইমারী শহীদ পদ্মানদীর ধার এলাকার বাসিন্দা কেয়া শিখা (৪৫), সুমানা (২৯), (৩৩), জোছনা (৩৫) আরজু (৩২), বাঁধন (১১) অনিক (২৭), বাদশা (৪৫), টুটুল (৫২), আশিক (২৪)।
হামলা করতে গিয়ে আহতরা হলেন, জাহিদ ইসলাম (১৩), মেহেদী হাসান মুন্না (১৯), রতন (১৯), নুরে আলম (১৮), শান্ত (১৬) নাাইম (২২)।
একাধিক স্থানীয়রা জানায়, তালাইমারী শহীদ মিনার মাঠে খুদ্র ও কুটির শিল্প চলমান মেলাকে কেন্দ্র করে বোয়ালিয়া থানার কেদুর মোড় নদীর ধারের সুদ কারবারি রনি বাহীনি ও শহীদ মিনার নদীর ধার এলাকার যুবকদের মধ্যে দ্বন্দ চলছিলো। সেই দ্বন্দের জেরে গত ৩দিন আগে হামলা চালিয়ে এক নারীসহ কয়েকজন যুবককে মারধর করে রনি ও সঙ্গীরা।
একই জেরে শুক্রবার রাত ৯টার দিকে আবারও হামলা চালায় রনি বাহীনি। এ সময় একাধীক বাড়ি ঘর, দোকানপাট, ক্লাবঘর ভাংচুর চালায়। তাদের মারধরে শিশু-সহ অন্তত ১০জন নারী পূরুষ আহত হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, শহীদ মিনার মাঠে মেলার আয়োজক সুলতানা পারভীন। এই নারী মেলার নামে জনগণের সাথে প্রতারক করছেন। তিনি ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প মেলার আবেদন করে পারমিশন নিয়েছেন। কিন্তু সেখানে কোন কুটির শিল্প পণ্যের দোকানপাট নেই। স্থানীয় গুন্ডা মাস্তান ও প্রভাবশালী লোকজনকে ম্যানেজকরে প্রায় ৩মাস যাবত এই মেলা চালাচ্ছেন। এই মেলা বন্ধের দাবি জানাচ্ছেন পুরো শহীদ মিনার এলাকার বাসিন্দারা।
জানতে চাইলে বোয়ালিয়া মডের থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সোহরাওয়ার্দী হোসে জানান, হামলা ঘটনায় উভয় পক্ষের লোকজন আহত হয়েছেন। এখন পর্যন্ত কেউ থানায় মামলা দেয়নি। ভূক্তভোগীদের কেউ মামলা দিলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সনি বাংলা ডট কম/ই আবি


















