স্টাফ রিপোর্টার: মেট্রোপলিটন পুলিশের শাহমখদুম, চন্দ্রিমা থানা, এয়ারপোর্ট থানার বায়া বাজার ও বোয়ালিয়া থানার শিল্পনগর পুলিশ ফাঁড়ির পৃথক পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে ট্যাপেন্টাডল, ইয়াবা ট্যাবলেট ও গাঁজা উদ্ধার সেইসাথে মাদক বিক্রির নগদ অর্থ ও মোবাইল ফোন জব্দ করেছে। এসময় নারীসহ ৭ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গত ৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে শাহমখদুম থানা পুলিশ খিরশিন ফুদকিপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে একই গ্রামের মো: মুনসুর আলীর ছেলে শাহাদুল ইসলাম (৩৫)-কে গ্রেপ্তার করে। এসময় তার হেফাজত থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ১০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
অপরদিকে চন্দ্রিমা থানা পুলিশ একই তারিখ রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে জামালপুর গ্রামের ওলি বাবার মাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে চন্দ্রিমা থানার নামো ভদ্রা গ্রামের মো: আবদুল মান্নানের মেয়ে ও মো: হযরত আলী ওরফে অপুর স্ত্রী বর্তমানে একই থানার জামালপুর (রেল লাইন বস্তি) গ্রামে বসবাসরত মোছা: মাহমুদা আকতার (২৬) এবং একই থানার চকপাড়া গ্রামের মো: রবিউল ইসলামের ছেলে মো: রাকাইন ইসলাম রানা (৩৪)-কে গ্রেপ্তার করে। এসময় মাহমুদার হেফাজত থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা মোট ২৭ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, আসামি রানা দীর্ঘদিন যাবত মাহমুদার সহযোগি হিসেবে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে।
এছাড়া চন্দ্রিমা থানা পুলিশ একই তারিখ রাত সাড়ে ১১টার দিকে ছোটবনগ্রাম এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে একই থানার হাজরা পুকুর ডাবতলা গ্রামের মো: সাজ্জাদ হোসেনের ছেলে মো: সোয়েব আকতার বিশাল (৩১)-কে গ্রেপ্তার করে। এসময় তার হেফাজত থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা মোট ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উল্লেখ্য, আসামি বিশালের বিরুদ্ধে পাকশী রেলওয়ে জেলার রাজশাহী রেলওয়ে থানায় জিডিমূলে এবং আরএমপি’র চন্দ্রিমা থানায় নন এফআইআর এ অভিযুক্ত রয়েছে।
অন্যদিকে, এয়ারপোর্ট থানার বায়া বাজার পুলিশ ফাঁড়ি একই তারিখ রাত আনুমানিক ৮টার দিকে পাকুড়িয়া স্কুল পাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে একই গ্রামের মৃত শুকুর মোল্লার ছেলে মো: ইনতাজুল (৫৫)-কে গ্রেপ্তার করে। এসময় তার হেফাজত থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। সেই সাথে মাদক বিক্রির নগদ ২ হাজার ২০ টাকা জব্দ করা হয়।
এছাড়াও বোয়ালিয়া থানার শিল্পনগর পুলিশ ফাঁড়ি একই তারিখ রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে লেকসিটি এলাকায় স্থানীয় জনসাধারনের সহযোগীতায় একই থানার কয়েরদারা গ্রামের বাবুর ছেলে মো: শাওন (১৯) এবং লালমনিরহাট জেলার কালিগঞ্জ জেলার চলবোলা গ্রামের মৃত ফজর হকের ছেলে বর্তমানে বোয়ালিয়া থানার সফুরা বিসিক গ্রামে বসবাসরত মো: খোরশেদ আলম (৩৬)-কে গ্রেপ্তার করে। এসময় তাদের হেফাজত থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা মোট ৭ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। সেইসাথে মাদক বিক্রির নগদ ১ হাজার ৯১০ টাকা ও মাদক বিক্রির কাজে ব্যবহৃত ২টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক পৃথক মামলা রুজু করে করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা করা হয়েছে।


















