মঙ্গলবার , ২০ আগস্ট ২০২৪ | ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. আইন
  2. আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উপসম্পাদকীয়
  5. কৃষি
  6. খুলনা
  7. খেলা
  8. চট্টগ্রাম
  9. চাকরীর খবর
  10. জাতীয়
  11. ঢাকা
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. দেশের খবর
  14. নারী
  15. বরিশাল

সংবাদ সম্মেলনে ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ুন কবীর রাসিকের অভিযুক্ত-বিতর্কিত অস্থায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরিচ্যুত করা হবে

প্রতিবেদক
সনি নিউজ
আগস্ট ২০, ২০২৪ ২:৩৯ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:  রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) নবনিযুক্ত প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ুন কবীর বলেছেন, বর্তমানে রাজশাহী সিটি করপোরেশনে স্থায়ী ৩৫৩ জন ও অস্থায়ী ২ হাজার ৬৫৯ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছেন। এরমধ্যে অস্থায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে যারা বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্ত, বিতর্কিত ও লাগাতার অফিসে অনুপস্থিত থাকছেন, তাদের চাকরিচ্যুত করা হবে। এই কার্যক্রমের জন্য রাসিকের সচিবকে প্রধান করে একটি কমিটি করা হয়েছে। তিনি বলেন, গত ৫ আগস্ট নগর ভবন থেকে লুট করা মালামাল এখনো ফেরত দেওয়া হলে ধন্যবাদ জানানো হবে। অন্যথায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করে আইনের আওতায় আনা হবে। গতকাল মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) দুপুরে নগর ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নবনিযুক্ত প্রশাসক দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ুন কবীর এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমরা এখনো লুট করা মালামাল ফেরত দেওয়ার সুযোগ দেব। যারা ফেরত নিয়ে আসবেন, তাদের ধন্যবাদ জানানো হবে। আর যারা ফেরত দেবেন না, তাদের বিরুদ্ধে মামলা হবে।
দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ুন কবীর আরো বলেন, লুটতরাজ হলো ফৌজদারি অপরাধ। এই অপরাধ কখনো তামাদি হয় না। যেকোনো সময় এই অপরাধের কারণে মামলা করা যায়। আমরা সমস্ত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা বলেছে, এটা (লুটপাট) কোনো রাজনৈতিক দলের কাজ নয়। কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে রাজনৈতিক দলগুলোরও কোনো সমস্যা নেই বলে তারা জানিয়েছে। তাই ব্যবস্থা নেওয়ার আগে আমরা এখনো মালামাল ফেরত দেওয়ার সুযোগ দিচ্ছি।
অতীতে নগর ভবনে কোনো দুর্নীতি হলে এর দায় নেবেন না জানিয়ে নতুন প্রশাসক বলেন, আমি কোনো রাজনৈতিক নেতা নই। তাই অতীতে কোনো অনিয়ম-দুর্নীতি হলে এর দায় আমি নেব না। তবে আমি ব্যবস্থা নেব। সিটি কর্পোরেশনের কোন কাজে দুর্নীতি ও অনিয়মের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি বলেন, গত ৫ আগস্ট নগর ভবন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হলেও তারা ইতোমধ্যে সব ধরনের নাগরিক সেবা দিতে শুরু করেছেন।
বিভাগীয় এই কমিশনার আরো বলেন, সিটি করপোরেশনে বর্তমানে চারটি উন্নয়ন প্রকল্প চলমান। এর মধ্যে একটি প্রকল্প শেষের দিকে। তিনটির এখনো মেয়াদ আছে। এই প্রকল্পগুলোর কাজ শেষ করা যাবে। সে ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হবে না। তবে প্রকল্পগুলোর অধীনে যদি অপ্রয়োজনীয় কোনো কাজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া থাকে, তাহলে যাচাই-বাছাই শেষে তা বাতিল করা হবে।
তিনি আরো বলেন, সিটি কর্পোরেশনের ক্ষয়ক্ষতি নির্ধারণে কমিটি গঠন করা হয়েছে। গঠিত কমিটিকে সাত কার্যদিবসের মধ্যে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ, সম্ভাব্য পরিমাণ ও করণীয় প্রস্তাব রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। এছাড়া সিটি কর্পোরেশনের জনবল যৌক্তিকীকরণের জন্যও আলাদা একটি কমিটি গঠন করতে বলা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে রাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. এবিএম শরীফ উদ্দিন, সচিব মোঃ মোবারক হোসেন, প্রধান প্রকৌশলী নূর ইসলাম তুষার, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাদিয়া আফরিন, বাজেট কাম হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম খান, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শেখ মোঃ মামুন ডলার, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আবু সালেহ মোঃ নূর-ঈ-সাঈদ, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এফএএম আঞ্জুমান আরা বেগম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ - আইন

আপনার জন্য নির্বাচিত