অকিউল ইসলাম পরশ: রাজশাহী মহানগরীর কাদিরগঞ্জ এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়াকে কেন্দ্র করে যুবদল নেতা রাফির ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়েছেন তিনি। হামলার ঘটনায় চারজনের নাম উল্লেখ করে বোয়ালিয়া মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী।
গত ১৮ মে দুপুর ২টা ৪০ মিনিটের দিকে কাদিরগঞ্জ বর্ণালী হলের পেছনে এ ঘটনা ঘটে। আহত রাফি কাদিরগঞ্জ এলাকার মো. আনিসুর রহমানের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। স্থানীয় বাসিন্দারা একাধিকবার তাদের মাদক ব্যবসা বন্ধ করতে বললেও তারা তা উপেক্ষা করে কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। এ নিয়ে গত ১৭ মে অভিযুক্তদের সঙ্গে রাফির কথা কাটাকাটি হলেও তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।
এজাহারে রাফি উল্লেখ করেন, ১৯ মে দুপুরে কোরবানির গরু কেনার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে সিটি হাটে যাওয়ার পথে কাদিরগঞ্জ বর্ণালী মোড়ের পেছনের গলিতে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা অভিযুক্তরা তার পথরোধ করে। এ সময় ইব্রাহিম হোসেন নাইম তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় চাপাতি/চাপ্পল জাতীয় বস্তু দিয়ে আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে পড়ে যান। পরে অন্য আসামিরা তাকে লাথি ও কিল-ঘুষি মারতে থাকে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা তার কাছে থাকা গরু কেনার নগদ ১ লাখ ৮৫ হাজার টাকা এবং ১৭ হাজার টাকা মূল্যের একটি টেকনো স্পার্ক ১০ প্রো মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। তার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা মাদক ব্যবসা নিয়ে আর কথা বললে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরে স্থানীয়রা আহত রাফিকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার মাথায় ১৩টি সেলাই দেন।
মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- একই এলাকার ইব্রাহিম হোসেন নাইম (২৭), মোসা. রুনা (৪০), মোসা. রুমা (৩৫) ও মো. মৃদুল (২২)।
এ বিষয়ে বোয়ালিয়া মডেল থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।





