সোমবার , ২৪ অক্টোবর ২০২২ | ২৮শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. আইন
  2. আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উপসম্পাদকীয়
  5. কৃষি
  6. খুলনা
  7. খেলা
  8. চট্টগ্রাম
  9. চাকরীর খবর
  10. জাতীয়
  11. ঢাকা
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. দেশের খবর
  14. নারী
  15. বরিশাল

স্বামী-ছেলে মিলে করেছে গণধর্ষণ’, রাষ্ট্রপতির কাছে মৃত্যুর আবেদন নির্যাতিতার

প্রতিবেদক
সনি নিউজ
অক্টোবর ২৪, ২০২২ ১২:০২ অপরাহ্ণ
স্বামী-ছেলে মিলে করেছে গণধর্ষণ', রাষ্ট্রপতির কাছে মৃত্যুর আবেদন নির্যাতিতার

অনলাইন ডেস্ক: পৃথিবীতে নিজের ঘর নিজের স্বামী-পুত্র প্রিয়জনের কাছে সব থেকে বেশি সুরক্ষিত থাকে মানুষ। সেই ঘরই হয়ে দাঁড়িয়েছে তাঁর কাছে সবথেকে বড় আতঙ্কের কারণ। সম্মান রক্ষা ছিল যাদের ধর্ম ও কর্তব্য, তাঁদের লালসার গ্রাসেই নষ্ট সমস্ত মর্যাদা। বর্বরতার বিবরণ শুনলে ভয় লাগে। এমন অকল্পনীয় পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে বাঁচার ইচ্ছেই হারিয়ে ফেলেছেন ৩০ বছরের এক যুবতী। অভিযোগ, স্বামী, সৎ পুত্র ও তাঁর বন্ধুরা মিলে গণধর্ষণ করেছে তাঁকে। ন্যায় বিচারের প্রতি সমস্ত আস্থা হারিয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে চিঠি লিখে নিষ্কৃতি মৃত্যুর অনুমতি চাইলেন উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা নির্যাতিতা।

রাষ্ট্রপতিকে নির্যাতিতা লিখেছেন,“বিচারব্যবস্থার প্রতি আমি আমার আস্থা হারিয়ে ফেলেছি। ৯ অক্টোবর দায়ের হয়েছে অভিযোগ। কোর্টের নির্দেশ সত্ত্বেও পুরাণপুর কোতওয়ালি পুলিশ স্টেশনে দায়ের হওয়া FIR-এ উল্লেখিত কোনও অভিযুক্তকেই গ্রেফতার করেনি পুলিশ। উলটে পুলিশ আমাকে মুখ বন্ধ রাখার জন্য চাপ দিচ্ছে। নইলে ফল খারাপ হবে বলেও দেওয়া হচ্ছে হুমকি।”

জানা গিয়েছে, চলতি বছরের এপ্রিলে উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা ওই তরুণীর সঙ্গে বিয়ে হয় চণ্ডীগড়ের ৫৫ বছরের এক সমৃদ্ধশালী অবস্থাপন্ন কৃষকের। বিবাহবিচ্ছেদের তিন বছর পর দ্বিতীয়বা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন ওই ৩০ বছরের যুবতী। সংসার শুরুর কদিন পরেই তাঁর স্বামীর আগের পক্ষের পুত্র অর্থাৎ তাঁর সৎ ছেলে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের প্রস্তাব দেন। এমন অশালীন প্রস্তাবে বিব্রত মহিলা তাঁকে তিরস্কার করলে শাসায় অভিযুক্ত এবং জোর করে ধর্ষণ করে তাঁকে। একদিন নয়, এরপর লাগাতার প্রাণের ভয় দেখিয়ে চলতে থাকে ধর্ষণ বলে অভিযোগ।

এরকম পরিস্থিতিতে গত ১৮ জুলাই নির্যাতিতাকে তাঁর স্বামী চণ্ডীগড়ের বাইরে ফার্মহাউসে নিয়ে যান। সেখানে তাঁর স্বামী, স্বামীর বন্ধু, এক আত্মীয় ও স্বামীর দুই সহকর্মী তাঁকে গণধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। এরপরই সোজা পুলিশের দ্বারস্থ হন তরুণী। পুরাণপুর পুলিশ স্টেশনে দায়ের হয় অভিযোগ। কিন্তু নির্যাতিতার অভিযোগ, কোনও পদক্ষেপ করেনি পুলিশ উলটে তাঁকে মুখ বন্ধ রাখার কথা বলা হয়।

ইতিমধ্যে তরুণী গর্ভবতী হয়ে পড়লে ডিএনএ টেস্ট করাতে চান, কিন্তু তাতেও তাঁকে গর্ভপাত করানোর জন্য শাসানো হয়। উপায় না দেখে কোর্টের কড়া নাড়েন নির্যাতিতা। কিন্তু কোর্টের নির্দেশ সত্ত্বেও কাজ না হওয়ায় সব আশা হারিয়ে ফেলেছেন নির্যাতিতা। নরক যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে এবার রাষ্ট্রপতির কাছে নিষ্কৃতি মৃত্যুর আবেদন।

সনি বাংলা ডট কম/ইআবি

সর্বশেষ - আইন

আপনার জন্য নির্বাচিত