গত ০৫ নভেম্বর দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে শাহমখদুম থানা পুলিশ পবা নতুনপাড়া (সাওতাল পাড়া) এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে একই গ্রামের কাঞ্চল ভূঁইয়ার ছেলে শ্রী তপন ভূঁইয়া ওরফে গণেশ (৩৮)-কে গ্রেপ্তার করে। এসময় তপনের হেফাজত থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ২০ বোতল দেশীয় তৈরি চোলাইমদ উদ্ধার করা হয়। উল্লেখ্য, তপন একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে শাহমখদুম থানায় ১০টি মাদক মামলা ও ১টি রাজশাহী মহানগরী পুলিশ আইনে মামলা রয়েছে।
অপরদিকে, দামকুড়া থানা পুলিশ গত ০৪ নভেম্বর ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার মুরারীপুর পশ্চিমপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মুরারীপুর গ্রামের মৃত হানিফ শেখ ওরফে রুপবানের ছেলে মো: জাহাঙ্গীর আলম (৪২)-কে গ্রেপ্তার করে। এসময় তার হেফাজত থেকে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রাখা ০২ বোতল কফ রিলিফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়। সেই সাথে মাদক বিক্রির নগদ ১১ হাজার ৫০০ টাকা ও ১টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। উল্লেখ্য, গ্রেপ্তারকৃত আসামি একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে আরএমপি’র বিভিন্ন থানায় মোট ২৪ টি মাদক মামলা রয়েছে।
তাছাড়াও বেলপুকুর থানা পুলিশ গত ০৫ নভেম্বর ২০২৬ তারিখ সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৭টার দিকে চক জামিরা গ্রামের মো: আসাদুলের বসতবাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে তার স্ত্রী মোছা: সাজেদা (৪৮) এবং জামিরা (মধ্য জামিরা) গ্রামের মো: ওয়াজ নবীর ছেলে মো: খায়রুল ইসলাম (৩৮)-কে গ্রেপ্তার করে। এসময় তাদের হেফাজত থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা মোট ১৭ পিস ট্যাপেন্টাডল ও ৬ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উল্লেখ্য, গ্রেপ্তারকৃত সাজেদার বিরুদ্ধে বেলপুকুর থানায় ১টি মাদক মামলা রয়েছে। এছাড়াও অপর আসামি খায়রুলের বিরুদ্ধে বেলপুকুর থানায় ৪টি মাদক মামলা রয়েছে।
অন্যদিকে, পবা থানা পুলিশ একই তারিখ দুপুর আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে সিডির মোড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সফাডাঙ্গা গ্রামের মো: আব্দুল রশিদের ছেলে মো: মুক্তার আলী (২০)-কে গ্রেপ্তার করে। এসময় মুক্তারের হেফাজত থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ১০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
এছাড়াও কাশিয়াডাঙ্গা থানা পুলিশ একই তারিখ বিকাল আনুমানিক পৌনে ৫টার দিকে গোলজারবাগ গুড়িপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পূর্ব রায়পাড়া গ্রামের মৃত মনসুর রহমানের ছেলে মো: আহসান হাবিব (৩৩)-কে ইয়াবা ট্যাবলেট সেবনরত অবস্থায় গ্রেপ্তার করে। পরে বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতাল, রাজশাহীতে আসামির স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হলে চিকিৎসকের মতামতের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে কাশিয়াডাঙ্গা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়।
আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক পৃথক মামলা রুজু করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।


















