সোমবার , ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২৭শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. আইন
  2. আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উপসম্পাদকীয়
  5. কৃষি
  6. খুলনা
  7. খেলা
  8. চট্টগ্রাম
  9. চাকরীর খবর
  10. জাতীয়
  11. ঢাকা
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. দেশের খবর
  14. নারী
  15. বরিশাল

আলোচিত মাদ্রাসা সুপার গোলাম মোস্তফা বরখাস্ত মিস্টি বিতরণ

প্রতিবেদক
sonynews
সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬ ৪:১৬ অপরাহ্ণ

রাজশাহী প্রতিনিধিঃ রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী মোহনপুরের মৌগাছি ইউনিয়নের (ইউপি) বসন্তকেদার দারুস সুন্নাহ দাখিল মাদরাসার বহুল আলোচিত ও বিতর্কিত সুপারিন্টেন্ডেন্ট মাওলানা গোলাম মোস্তফাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ।সম্প্রতি নারীর সঙ্গে  অন্তরঙ্গ মুহুর্তের  একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় সুপারিন্টেন্ডেন্ট মাওলানা মোঃ গোলাম মোস্তফাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ। বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ এবং এলাকায় ব্যাপক আলোচনা- সমালোচনার পর সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) মাদরাসা পরিচালনা কমিটির জরুরী সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,মাদরাসার সুপারিন্টেন্ডেন্ট গোলাম মোস্তফার সাময়িক বরখাস্তের খবর ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ অভিভাবক মহলে পরম স্বত্তি বিরাজ করছে।অন্যদিকে বসন্তকেদার বাজারে অনেকে মিস্টি বিতরণ করেছে।
এদিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সহকারী শিক্ষক বলেন, একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান প্রধানের একের পর এক বির্তকিত কর্মকান্ডের কারণে এলাকার পুরো শিক্ষক সমাজ লজ্জিত। কাজেই শুধু সাময়িক বরখাস্ত নয়,তাকে স্থায়ী বরখাস্তের পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা প্রয়োজন।যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন অপকর্ম করার সাহস না পায়।
অসর্থিত একটি সুত্র জানায়, মাওলানা গোলাম মোস্তফা প্রায় ২৮ বছর যাবত মাদরাসায় চাকরি করছেন।তিনি এই সময়ের মধ্যে নিয়োগ বানিজ্য,অনিয়ম-দুর্নীতি, মেয়ের বান্ধবীকে বিবাহ অতঃপর বিচ্ছেদ ও সর্বশেষ নারীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ মুহুর্তের ভিডিও ভাইরালসহ একাধিক বির্তকিত কর্মকান্ডে জড়িয়েছেন।এসব বিবেচনায় অভিভাবক ও শিক্ষানুরাগী সচেতন মহল মাওলানা গোলাম মোস্তফাকে স্থায়ী বরখাস্তের পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগে মামলা করার দাবি করেছেন।
প্রসঙ্গত,বসন্তকেদার দারুস সুন্নাত দাখিল মাদ্রাসার সুপারিন্টেনডেন্ট মাওলানা মোঃ গোলাম মোস্তফাকে নির্জন কক্ষে এক নারীর সঙ্গে  অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখা যাওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওটি ঘিরে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানায় স্থানীয়রা।
প্রতিবেদকের কাছে আসা কয়েক মিনিটের একটি ভিডিওতে এক ব্যক্তিকে ওই নারীর সঙ্গে একটি নির্জন কক্ষে অবস্থান করতে দেখা যায়। ভিডিওতে ওই ব্যক্তি নিজের নাম ‘গোলাম মোস্তফা’ এবং নিজেকে ‘শিক্ষক’ হিসেবে পরিচয় দিতে শোনা যায়। তবে ভিডিওটির সত্যতা, ধারণের সময় ও স্থান এবং কী পরিস্থিতিতে এটি ধারণ করা হয়েছে এসব বিষয় স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও মর্যাদার বিষয় বিবেচনায় এ প্রতিবেদনে ভিডিওটির কোনো দৃশ্য প্রকাশ করা হয়নি।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ‘Chopol Vlog & Media’-তে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে একজন নারী ও একজন পুরুষকে দেখা যায়। ভিডিও ধারণকারীদের উপস্থিতি টের পেয়ে ওই নারীকে বলতে শোনা যায়, ‘এই কে ?’ ক্যামেরা ওই ব্যক্তির দিকে তাক করা হলে তিনি চাদর দিয়ে শরীর ঢেকে ফেলেন। এ সময় তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘বাবা, আমি একজন শিক্ষক মানুষ।’ একপর্যায়ে তিনি বলেন, ‘আমার জীবনটা শেষ করে দিয়ো না বাবা।’
পরে ভিডিও ধারণকারীরা তাঁর নাম জানতে চাইলে তিনি নিজেকে ‘গোলাম মোস্তফা’ বলে পরিচয় দেন। তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি একজন শিক্ষক মানুষ বাবা।’ এরপর তিনি ভিডিও ধারণকারীদের কাছে সাহায্যের অনুরোধ করেন।ভিডিওতে একপর্যায়ে একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘টিচার তো, সাংবাদিককে ফোন দিয়ে ডেকে নাও।’ এর জবাবে ওই ব্যক্তি বলেন, ‘না না, বাপ আমার, সাংবাদিককে ফোন দিয়েন না। আমি ভীষণ অন্যায় করেছি।’পরে বিদিরপুরের একজন ইউপি সদস্যকে ডাকার কথা উঠলে তাঁকে বারবার বলতে শোনা যায়, ‘বিদিরপুর কাউকে ডাইকেন না।’ এরপরও তিনি সাহায্যের অনুরোধ করেন।ভিডিওতে তাকে হাসিখুশি ও খোশমেজাজে দেখা যায়।তার চেহারায় কোনো ভয় বা আতঙ্ক দেখা যায়নি।সেই বিবেচনায তিনি স্বেচ্ছায় অপকর্মে লিপ্ত হয়েছিলেন বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।
এদিকে ভিডিওতে থাকা কথোপকথনের পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপট এবং এর আগে বা পরের পরিস্থিতি জানা সম্ভব হয়নি। ফলে ভিডিওতে দৃশ্যমান ও শোনা বক্তব্যের বাইরে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানোও সম্ভব নয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, মাওলানা মোঃ গোলাম মোস্তফা প্রায় ২৮ বছর ধরে বসন্তকেদার দারুস সুন্নাত দাখিল মাদ্রাসায় দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি এমপিওভুক্ত শিক্ষক হিসেবে সরকারি বেতন-ভাতা পেয়ে থাকেন। তাঁর অবসরে যেতে আরও প্রায় পাঁচ বছর বাকি রয়েছে বলে জানা গেছে।
২০২৬ সালে দাখিল পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটির ৩৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ১১ জন উত্তীর্ণ এবং ২৪ জন অকৃতকার্য হয়েছে। বর্তমানে মাদ্রাসাটিতে প্রায় ৩৫০ শিক্ষার্থী রয়েছে। শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা ২৪ জন। এর মধ্যে শিক্ষক ১৯ জন এবং কর্মচারী পাঁচজন।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটির বিষয়ে জানতে মাদ্রাসার সুপারিন্টেনডেন্ট মাওলানা মোঃ গোলাম মোস্তফার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনাটি অস্বীকার করে বলেন,তাকে ব্ল্যামেইলিং করে ভিডিও ধারণ করা হয়েছে।তবে ভিডিওতে তাঁকে নিজের নাম ও পরিচয় দিতে শোনা যাওয়ার বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কোনো বক্তব্য দেননি।
এদিকে শিক্ষা বিভাগের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন,যে ব্যক্তি অপরাধ করেও কোনো অনুসোচনা করে না, উল্টো সংবাদ সম্মেলন করে ঘটনা ধামাচাপা দিয়ে ভিন্নখাতে প্রভাবিত করতে চাই,তার কঠোর থেকে কঠোরতম শাস্তি সময়ের দাবি।

সর্বশেষ - আইন

আপনার জন্য নির্বাচিত

লক্ষিপুরে নির্মাণাধীন ভবনে মাচা ভেঙে দুই শ্রমিকের মৃত্যু: নিরাপত্তা ব্যবস্থার চরম অবহেলা

রাজশাহী জেলা ডিবির অভিযানকে দুর্বল করতে মরিয়া মাদক মাফিয়ারা

রাজশাহীতে ৫০ লাখ টাকার হেরোইনসহ বিক্রেতা আটক

রাজশাহীতে ৫০ লাখ টাকার হেরোইনসহ বিক্রেতা আটক

টাইগারদের জয় নিয়ে ‘ঢিলেমি’-র অভিযোগে তোলপাড়

রাজশাহী-৫ আসনের ধানের শীষ ও ফুটবল প্রতীকের সমর্থকদের সংঘর্ষ

“অবসরপ্রাপ্ত হটাবো, রেল শ্রমিক দল বাঁচাবো” – কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃত্বে পরিবর্তনের দাবি কর্মীদের

র‌্যাব ও জেলা ডিবির অভিযানে মদকসহ গ্রেপ্তার ২

সেনাবাহিনী দিয়ে অবৈধ অভিবাসী তাড়াবেন ট্রাম্প

রাজশাহী নগরীতে ডিগ্রী পরীক্ষা উপলক্ষ্যে আরএমপি’র নির্দেশনা

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ