স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের দামকুড়া, রাজপাড়া, এয়ারপোর্ট, এবং কাশিয়াডাঙ্গা থানা পুলিশের পৃথক পৃথক অভিযানে গাঁজা, ট্যাপেন্টাডল ও ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গত ২৩ জুলাই সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে মহানগরীর দামকুড়া থানা পুলিশ দবির মোল্লাপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে একই গ্রামের মো: আল্লাম উদ্দীনের ছেলে মো: সুমন আলী (২৫)-কে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তার হেফাজত থেকে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রাখা ১০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
অপরদিকে গত ২২ জুলাই ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক পৌনে ১১টার দিকে রাজপাড়া থানা পুলিশ ডিঙ্গাডোবা ঘোষমহল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ডিঙ্গাডোবা গ্রামের মৃত বাবর আলীর ছেলে মো: আতাউর রহমান (৪২)-কে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তার হেফাজত থেকে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রাখা ৬ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ও ১৫ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
এছাড়াও গত ২৩ জুলাই ২০২৬ তারিখ দিবাগত রাত আনুমানিক পৌনে ১টার দিকে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ বারইপাড়া মোড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বারইপাড়া (বড় আমবাগান) গ্রামের মো: রফিকুল ইসলামের ছেলে মো: রাহুল (২২)-কে গ্রেপ্তার করে। এসময় তার দেহ তল্লাশি করে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রাখা ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
তাছাড়াও গত ২২ জুলাই ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ১০টার দিকে কাশিয়াডাঙ্গা থানা পুলিশ গোলজারবাগ গুড়িপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে রাজশাহী জেলার মোহনপুর থানার হলদি গ্রামের মো: রাজ্জাক মৃধার ছেলে মো: শিহাব ওরফে আবির (২৩)-কে গ্রেপ্তার করা গেলেও কাশিয়াডাঙ্গা থানার গোলজারবাগ গুড়িপাড়া গ্রামের লাথু শেখ ওরফে লুৎফরের ছেলে মো: মাবুদ (৫০) কৌশলে পালিয়ে যায়। এসময় আবিরের দেহ তল্লাশি করে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রাখা ৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের অপরাধসংক্রান্ত পূর্বের রেকর্ড পর্যালোচনায় দেখা যায়, সুমনের বিরুদ্ধে রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী থানায় ১টি, আরএমপি’র দামকুড়া থানায় ১টি মাদক মামলা এবং একই থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে ১টি মামলার তথ্য পাওয়া যায়। এছাড়াও পলাতক আসামি মাবুদের বিরুদ্ধে আরএমপি’র কাশিয়াডাঙ্গা ও রাজপাড়া থানায় মোট ১০টি মাদক মামলার তথ্য পাওয়া যায়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের এবং পলাতক আসামির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক পৃথক মামলা রুজু করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে এবং পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।