শুক্রবার , ১০ জুলাই ২০২৬ | ২৮শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. আইন
  2. আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উপসম্পাদকীয়
  5. কৃষি
  6. খুলনা
  7. খেলা
  8. চট্টগ্রাম
  9. চাকরীর খবর
  10. জাতীয়
  11. ঢাকা
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. দেশের খবর
  14. নারী
  15. বরিশাল

প্রেমের টানে বাড়ি ছাড়ল তিন শিশু, পুলিশের তৎপরতায় উদ্ধার

প্রতিবেদক
sonynews
জুলাই ১০, ২০২৬ ১:০২ পূর্বাহ্ণ

অনলাইন ডেস্ক: ভালোবাসার টানে পরিবারের অমতে রাজধানী ঢাকা থেকে রাজবাড়ীর পাংশায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হওয়া তিন শিশুকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার দিবাগত রাতে সন্দেহজনকভাবে অ্যাম্বুলেন্সে যাত্রার সময় পাংশা এলাকায় টহল পুলিশের নজরে এলে তাদের উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ঢাকার মিরপুর এলাকার একটি বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী রাহুল স্থানীয় একটি হোটেলে খণ্ডকালীন কাজ করত। সেখানে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী মাহির সঙ্গে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হলে তারা পরিবারের অমতে বিয়ের উদ্দেশ্যে রাজবাড়ীর পাংশায় যাওয়ার পরিকল্পনা করে। এ সময় তাদের সঙ্গে প্রথম শ্রেণিতে পড়ুয়া বন্ধু রোজানও যোগ দেয়।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, সোমবার গভীর রাতে তারা একটি অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করে ঢাকা থেকে রওনা দেয়। মঙ্গলবার ভোরে পাংশা সরদার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছালে টহলরত পুলিশের সন্দেহ হলে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং থানায় নেওয়া হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে দুই শিশু জানায়, তারা একে অপরকে ভালোবাসে এবং বিয়ে করতে চায়। পরিবারের সম্মতি না পাওয়ায় তারা বাড়ি ছেড়ে চলে এসেছে। অপরদিকে তাদের সঙ্গে থাকা বন্ধু রোজান জানায়, শুরুতে সে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ছিল না; পরে যাত্রাপথে বিষয়টি বুঝতে পারে।

পুলিশ জানায়, শিশুদের কাছে থাকা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তাদের অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। পরে অভিভাবকেরা থানায় এসে সন্তানদের শনাক্ত করেন।

পাংশা মডেল থানার দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, শিশুদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের অভিভাবকদের জিম্মায় হস্তান্তর করা হচ্ছে। পাশাপাশি সন্তানদের প্রতি আরও সচেতন ও যত্নশীল হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, অল্প বয়সে শিশুদের এমন সিদ্ধান্ত উদ্বেগজনক এবং এটি পরিবার ও সমাজের জন্য সতর্কবার্তা। তারা শিশুদের মানসিক বিকাশ, নৈতিক শিক্ষা এবং প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহারের বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের আবেগ ও মানসিক অবস্থাকে গুরুত্ব দিয়ে তাদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং যথাযথ দিকনির্দেশনা নিশ্চিত করা গেলে এ ধরনের ঘটনা অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব।

সর্বশেষ - আইন

আপনার জন্য নির্বাচিত