তবে চুলা নাকি শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, সে ব্যাপারে এখনই কিছু বলতে পারছে না কর্তৃপক্ষ। আগুনের খবর পেয়ে জুরাছড়ি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সুরেশ কুমার চাকমা, সেনাসদর জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর মো. এহতেশামুল হক, জুরাছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শফিউল আজম ও জুরাছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ইমন চাকমা ঘটনাস্থলে যান। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
জুরাছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিতেন্দ্র কুমার নাথ প্রথম আলোকে বলেন, সন্ধ্যার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুনে ৪৫টি দোকান ও আটটি বসতঘর পুড়ে গেছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের চেষ্টা চলছে। কী কারণে আগুনের সূত্রপাত, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।






