নির্যাতনের শিকার যুবকের নাম তুষার (৩৫)। তিনি মতিহার থানা এলাকার কাজলার বাসিন্দা এবং নাজিরের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তুষার এলাকায় চুরির অভিযোগে পরিচিত ছিলেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, চুরির সন্দেহে তুষারকে আটক করে কয়েকজন যুবক একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। এরপর প্রকাশ্যে তাকে মারধর, শারীরিক নির্যাতন ও অপমান করা হয়। এসময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত কেউ মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, গাছের সঙ্গে বাঁধা অবস্থায় তুষারকে কয়েকজন ব্যক্তি লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করছে। ভিডিওতে দেখা যায়, দুই যুবক মিলে তাকে অন্তত ১৪টি আঘাত করে। এর মধ্যে ১৩টি আঘাত তার শরীরের নিচের অংশে করা হয়, যাতে গুরুতর জখম হন তিনি। মারধরের একপর্যায়ে তুষার “হৃদয় ভাইয়া, হৃদয় ভাইয়া” বলে চিৎকার করে আকুতি জানালেও অভিযুক্তদের মন গলাতে পারেনি তুষার।
ঘটনাটি ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। নেটিজেনরা কমেন্টে বলছে, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া উচিত। আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে এভাবে গাছে বেঁধে নির্যাতন করা মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল এবং এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
স্থানীয়দের দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।