• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৩ অপরাহ্ন
Headline
ফরিদা হত্যা মামলার আরও দুই আসামি গ্রেফতার, ঢাকায়-গাজীপুরে র‌্যাবের যৌথ অভিযান নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬: ক্রিকেটে রাজশাহীর বালক দল চ্যাম্পিয়ন, ফুটবলে বালিকা দল রানারআপ আরপিএসএফের সংবর্ধনায় সোহেল: স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে প্রযুক্তিনির্ভর তরুণরাই হবে শক্তি ৪০০ বছরের বটগাছ ঘিরে অপপ্রচারের প্রতিবাদ, মানববন্ধনে স্থানীয়রা রুয়েটে যোগদান করলেন প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন রাজশাহীতে পদ্মা নদীতে নৌকাডুবি: ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রতিনিধি দল রুয়েটে এমএসই ডে অনুষ্ঠিত রাজশাহীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ৩ জনের সাজা বেসরকারিকরণ হলে বাড়বে বিদ্যুতের দাম, কমবে সেবার মান: বিদ্যুৎ শ্রমিক ফেডারেশন রাজশাহী নগরীতে পরিত্যক্ত বাড়িতে র‌্যাবের অভিযান, ম্যাগাজিন-গুলিসহ বিপুল আলামত উদ্ধার

ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ঝাড়ুদারকে ধর্ষণের অভিযোগ

সনি নিউজ / ৮৩ Time View
Update : সোমবার, ৩ অক্টোবর, ২০২২
ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ঝাড়ুদারকে ধর্ষণের অভিযোগ
ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ঝাড়ুদারকে ধর্ষণের অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক: কক্ষে ডেকে নিয়ে এক নারী ঝাড়ুদারকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ঠাকুরগাঁও সদরের ঢোলার হাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অখিল চন্দ্র রায় ও হিসাব সহকারী ইব্রাহিম আলীর বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় গত শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রুহিয়া থানায় তাদের বিরুদ্ধে একটি ধর্ষণ মামলা করেছেন ভুক্তভোগী ওই নারী।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ঢোলার হাট ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান অখিল চন্দ্র রায় ও হিসাব সহকারী ইব্রাহিম আলি ঢোলারহাট ইউনিয়ন পরিষদে এক নারীকে ঝাড়ুদার হিসেবে কাজ দেন। সরকারি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেয়ার আশ্বাসে গত ২৭ সেপ্টেম্বর বিকেলে ওই নারীকে চেয়ারম্যানের কক্ষে ডেকে নিয়ে বাথরুম পরিষ্কার করতে বলেন চেয়ারম্যান অখিল চন্দ্র রায়। ওই নারী বাথরুম পরিষ্কার করতে গেলে সুযোগ বুঝে প্রবেশ করে দরজা লাগিয়ে দেন চেয়ারম্যান। এরপর তিনি ধর্ষণ করে চলে যান।

পরবর্তীতে ওই নারী কান্নাকাটি করলে হিসাব সহকারী ইব্রাহিম আলী দৌড়ে আসেন এবং তার কক্ষে ডেকে নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি খুলে বলেন। তবে ঘটনা শোনার পর তিনিও তার রুমে ওই নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় ইব্রাহীমের কাছ থেকে ছুটে বেরিয়ে যান ওই নারী।

ভুক্তভোগী ওই নারী বলেন, ধর্ষণের ঘটনার পর বাড়ি ফিরে ঘটনাটি আমার স্বামী ও পরিবারের লোকজনকে জানাই। পরবর্তীতে ওই দিন রাতেই চেয়ারম্যান অখিল চন্দ্র রায় ও হিসাব সহকারী ইব্রাহিম আলি আমার বাড়িতে এসে তাদের ভুল স্বীকার করেন। এ সময় আমাদের কাছে ক্ষমা চেয়ে চিকিৎসার জন্য ২০০০ টাকা বিছানার ওপর ফেলে চলে যান তারা।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত অখিল চন্দ্র রায়ের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাকে ও আমার হিসাব সহকারীকে সামাজিকভাবে হেয় করতেই প্রতিপক্ষরা এ ধর্ষণের নাটক সাজিয়েছে।

এ সময় তিনি দাবি করেন, আমাকে ঘায়েল করতে প্রতিপক্ষের লোকজন ধর্ষণের নাটক সাজিয়েছে। আমি কোনোভাবেই জড়িত ছিলাম না, আর আমাকে সমাজে হেয় করার জন্য এসব করা হচ্ছে।

রুহিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোহেল রানা বলেন, থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ হেফাজতে ওই নারীর ডাক্তারি পরীক্ষা করার জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সনি বাংলা ডট কম/ইআবি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category