• বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০২:২৯ পূর্বাহ্ন
Headline
রাজশাহীতে জেল সুপারদের নেতৃত্ব উন্নয়ন কর্মশালায় পুলিশ কমিশনারের বিশেষ ক্লাস রাজশাহী নগরীতে নারীসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, নগদ টাকা ও মোবাইল জব্দ রাজশাহীতে পুকুর ভরাটের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন, জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা ও পুনঃখননের দাবি ফরিদা হত্যা মামলার আরও দুই আসামি গ্রেফতার, ঢাকায়-গাজীপুরে র‌্যাবের যৌথ অভিযান নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬: ক্রিকেটে রাজশাহীর বালক দল চ্যাম্পিয়ন, ফুটবলে বালিকা দল রানারআপ আরপিএসএফের সংবর্ধনায় সোহেল: স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে প্রযুক্তিনির্ভর তরুণরাই হবে শক্তি ৪০০ বছরের বটগাছ ঘিরে অপপ্রচারের প্রতিবাদ, মানববন্ধনে স্থানীয়রা রুয়েটে যোগদান করলেন প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন রাজশাহীতে পদ্মা নদীতে নৌকাডুবি: ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রতিনিধি দল রুয়েটে এমএসই ডে অনুষ্ঠিত

রাজশাহীতে পুলিশের বিরুদ্ধে আসামির ১ লাখ ১৭ হাজার টাকা গায়েবের অভিযোগ!

সনি নিউজ / ৬০ Time View
Update : শনিবার, ১১ মার্চ, ২০২৩

স্টাফ রিপোর্টারঃ  মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে আসামির বাড়ি থেকে উদ্ধার করা ১ লাখ ১৭ হাজার টাকা পুলিশ গায়েব করে দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

আসামির স্বজনদের দাবি, বাড়ি থেকে পুলিশ উদ্ধার করেছিল ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা। তবে জব্দ তালিকায় পুলিশ টাকার অংক দেখিয়েছে মাত্র ১৩ হাজার ৪০ টাকা। অভিযানে অংশ নেয়া পুলিশ সদস্যরা ভাগবাঁটোয়ারা করে নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানা পুলিশের একটি দল বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরের বহরমপুর এলাকার মো. সেন্টুর বাড়িতে এ অভিযান চালায়। সেন্টু একজন মাদকসেবী বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন। পুলিশ সেন্টুর সঙ্গে তার স্ত্রী মিতা পারভীনকেও গ্রেপ্তার করে। পরে ৩০ গ্রাম হেরোইন ও ১০ পিস ইয়াবা বড়ি উদ্ধার দেখিয়ে পুলিশ বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা করে। এরপর বিকালে আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

মিতা ও সেন্টুর স্বজনদের দাবি, মিতা বেসরকারী সংস্থা থেকে ঋণ নিয়ে বাড়ির কাজ করছিলেন। বাড়িতে তার ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা ছিল। পুলিশ এই টাকাও জব্দ করেছিল। কিন্তু মামলার জব্দ তালিকায় মাত্র ১৩ হাজার ৪০ টাকা দেখানো হয়েছে। বাকি টাকা অভিযানে অংশ নেওয়া উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল জলিল এবং সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মজনু মিয়া আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ গ্রেপ্তারকৃতদের স্বজনদের।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মোবাইলে কোন মন্তব্য করতে চাননি এএসআই মজনু মিয়া। তিনি কথা বলার জন্য থানায় ডাকেন। এসআই আবদুল জলিল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, স্বাক্ষীদের সামনে জব্দ তালিকা করা হয়েছে। সাক্ষীরা সবই দেখেছে। এসব অভিযোগ করে লাভ নেই।

মামলায় তুষার ও কালাম নামের দুই নির্মাণ শ্রমিককে সাক্ষী করা হয়েছে। অভিযান চালানোর সময় তারা সেন্টুর বাড়িতেই কাজ করছিলেন। যোগাযোগ করা হলে তুষার বলেন, ঘর থেকে পুলিশ বেরিয়ে বলেছে হেরোইন ও ইয়াবা পাওয়া গেছে। তারপর কাগজে সই নিয়ে তাদের সাক্ষী করা হয়েছে। তবে হেরোইন ও ইয়াবা তিনি দেখেননি। কত টাকা উদ্ধার হয়েছে সেটিও পুলিশ দেখায়নি।

এ ব্যাপারে রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএসএম সিদ্দিকুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, সেন্টু মাদক ব্যবসা করে। তার বাড়ি থেকে হেরোইন ও ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। যে টাকা উদ্ধার হয়েছে সেটিই জব্দ তালিকায় দেখানো হয়েছে। আসামির স্বজনেরা এখন ১ লাখ ৩০ হাজার কেন, পাঁচ কোটি টাকা বলতে পারে। তারা এ কারণে বলছে যেন পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানকে বিতর্কিত করা যায়। তাহলে আর অভিযান হবে না।

সনি বাংলা ডট কম/ ই আবি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category