বুধবার , ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৭ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. আইন
  2. আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উপসম্পাদকীয়
  5. কৃষি
  6. খুলনা
  7. খেলা
  8. চট্টগ্রাম
  9. চাকরীর খবর
  10. জাতীয়
  11. ঢাকা
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. দেশের খবর
  14. নারী
  15. বরিশাল

নগরীতে ৩ মাদক ব্যাবসায়ীসহ গ্রেপ্তার ৪

প্রতিবেদক
sonynews
সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬ ১০:১৫ পূর্বাহ্ণ

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের কর্ণহার ও মতিহার থানা পুলিশের পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে গাঁজা, হেরোইন ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় ৩ মাদক ব্যবসায়ী ও ১ মাদকসেবীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাত পৌনে ১টার দিকে কর্ণহার থানা পুলিশ কুপেরহাট এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে একই থানার তালুকধর্মপুর গ্রামের তুহিন হাবিবের ছেলে মো: আল আমিন (১৯)-কে গ্রেপ্তার করলেও একই গ্রামের মৃত সাজ্জাদের ছেলে মো: তোতা (৪৫) পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কৌশলে পালিয়ে যায়। এ সময় আল আমিনের হেফাজত থেকে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রাখা ১০ গ্রাম গাঁজা এবং পলাতক আসামি তোতার ফেলে যাওয়া ২০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উল্লেখ্য যে, পলাতক আসামি তোতার বিরুদ্ধে কর্ণহার থানায় পেনালকোড আইনে ১টি এবং বিস্ফোরক পদার্থ আইন, ১৯০৮ তৎসহ পেনালকোড আইনে ১টি মামলা রয়েছে।

এছাড়াও, একই তারিখ রাত পৌনে ২টার দিকে কর্ণহার থানা পুলিশ তেতুলিয়া হাওয়ার মোড় এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে তেতুলিয়া উত্তরপাড়া গ্রামের মো: হানিফ আলীর ছেলে মো: অনিক আলী (২৩)-কে মাদক সেবনরত অবস্থায় গ্রেপ্তার করে। পরে বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতাল, রাজশাহীতে আসামির স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হলে চিকিৎসকের মতামতের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে কর্ণহার থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়।

মতিহার থানা পুলিশ একই তারিখ রাত আনুমানিক পৌনে ৯টার দিকে কাজলা এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে একই গ্রামের মৃত আনোয়ার হোসেনের ছেলে মো: সুজন (৪০)-কে গ্রেপ্তার করে। এসময় সুজনের হেফাজত হতে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ৩ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। উল্লেখ্য যে, সুজন একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে মতিহার থানায় ৫টি মাদক ও ১টি পেনালকোড আইনে মামলা রয়েছে।

এছাড়াও মতিহার থানা পুলিশ আজ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ২টার দিকে ডাশমারী গ্রামের মো: আ: সালামের ছেলে সালাউদ্দিন ওরফে সজিব (২৮)-এর বসতবাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে সজিবকে গ্রেপ্তার করে। এসময় সজিবের হেফাজত থেকে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রাখা ১০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা রুজু করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা করা হয়েছে। এছাড়াও পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সর্বশেষ - আইন

আপনার জন্য নির্বাচিত