স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের মহানগর গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), বেলপুকুর, শাহমখদুম এবং চন্দ্রিমা থানা পুলিশের পৃথক পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে হেরোইন ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী ও ১ মাদকসেবীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গত ১৪ সেপ্টেম্বর দুপুর পৌনে ২টার দিকে মহানগর গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ কাটাখালী থানার টাংগন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পার্শ্বে অভিযান পরিচালনা করে রাজশাহী জেলার চারঘাট থানার টাংগন মধ্যপাড়া গ্রামের মো: বাহাদুর মন্ডলের ছেলে মো: রাসেল মন্ডল (৩০)-কে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তার হেফাজত থেকে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রাখা ২ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। উল্লেখ্যে, গ্রেপ্তারকৃত আসামি রাসেলের বিরুদ্ধে আরএমপি’র কাটাখালী থানায় ৪টি ও রাজশাহী জেলার চারঘাট থানায় ১টি মাদক মামলা রয়েছে।
অপরদিকে বেলপুকুর থানা পুলিশ একই তারিখ সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে জয়পুর গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে দক্ষিণ জামিরা গ্রামের মৃত মজিবর রহমানের ছেলে মো: জিয়ারুল ইসলাম (৫০)-কে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তার হেফাজত থেকে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রাখা ৩ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। উল্লেখ্যে, গ্রেপ্তারকৃত আসামি জিয়ারুলের বিরুদ্ধে বেলপুকুর থানায় ১টি মাদক মামলা রয়েছে।
এছাড়াও শাহমখদুম থানা পুলিশ একই তারিখ রাত আনুমানিক সোয়া ২টার দিকে বড়বনগ্রাম চকপাড়া (ফুলতলা) এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে একই গ্রামের মো: মাজদার আলীর ছেলে মো: সোহাগ আলী (২৪)-কে গ্রেপ্তার করে। এসময় তার হেফাজত থেকে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রাখা ১১ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উল্লেখ্য, আসামির বিরুদ্ধে শাহমখদুম থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ১টি মামলা রয়েছে।
অন্যদিকে, একই তারিখ সকাল আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে মেহেরচন্ডী কড়াইতলা (বেড়ার মসজিদ) গ্রামের মো: মিলনের ছেলে মো: হৃদয় ইসলাম (২৭)-কে তার পিতা-মাতা চন্দ্রিমা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। তারা জানান, হৃদয় নিয়মিত মাদক সেবন করেন এবং মাদকের টাকা সংগ্রহের জন্য প্রায়ই তাদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালায়। নিরুপায় হয়ে তার পিতা-মাতা হৃদয়কে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় থানায় নিয়ে আসেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, হৃদয় মাদক সেবনের কথা স্বীকার করেন। পরবর্তীতে বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালে তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করা হলে চিকিৎসকের মতামতের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়। উল্লেখ্য, আসামি হৃদয়ের বিরুদ্ধে আরএমপি’র চন্দ্রিমা থানায় ১টি মাদক ও ১টি পেনাল কোড আইনে মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক পৃথক মামলা রুজু করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।


















