তিনি বলেন, কবীর ও লালনের দর্শনের মধ্যে মানুষের প্রতি ভালোবাসা, সাম্য, মানবিকতা ও আত্মশুদ্ধির যে বার্তা রয়েছে, তা আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। বর্তমান সময়ে সমাজে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহমর্মিতা ও সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় করতে লালনের দর্শন আমাদের অনুপ্রেরণা দিতে পারে। সংস্কৃতি একটি জাতির পরিচয় ও ঐতিহ্যের অন্যতম প্রধান ভিত্তি। সাংস্কৃতিক চর্চার মধ্য দিয়ে আমাদের নতুন প্রজন্ম নিজেদের শেকড় ও ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পায়। তাই লালনসহ আমাদের লোকসংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ এবং নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
তিনি আরও বলেন, রাজশাহী শুধু শিক্ষা ও সংস্কৃতির নগরী নয়, এটি আমাদের সমৃদ্ধ লোকঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক চর্চারও অন্যতম কেন্দ্র। রাজশাহীতে কবীর-লালন ভাবসংগীত উৎসবের আয়োজন নিঃসন্দেহে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। দেশের বিভিন্ন বিভাগে ধারাবাহিকভাবে এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে লালনের দর্শন ও ভাবসংগীত মানুষের কাছে আরও বিস্তৃতভাবে পৌঁছে যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠান থেকে রাসিক প্রশাসক ডেঙ্গু প্রতিরোধে নগরবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।
লালন বিশ্বসংঘের প্রধান নির্বাহী ও লালন গবেষক আবদেল মাননান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. নাহারুল ইসলাম।


















