বুধবার , ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১লা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. আইন
  2. আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উপসম্পাদকীয়
  5. কৃষি
  6. খুলনা
  7. খেলা
  8. চট্টগ্রাম
  9. চাকরীর খবর
  10. জাতীয়
  11. ঢাকা
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. দেশের খবর
  14. নারী
  15. বরিশাল

দুর্গাপুরে সারের বস্তা ‘গায়েব’ হওয়ার সংবাদ মিথ্যা ও তথ্যবিকৃত: প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রশাসন

প্রতিবেদক
sonynews
সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ ৮:২১ পূর্বাহ্ণ

রাজশাহী প্রতিনিধি: রাজশাহীর দুর্গাপুরে অবৈধ রাসায়নিক সার উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রকাশিত সংবাদকে মিথ্যা, তথ্যবিকৃত ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছে উপজেলা প্রশাসন। একই সঙ্গে সার জব্দ, সারের সঠিক হিসাব, নির্ধারিত মূল্যে বিতরণ এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার সব নথিপত্রসহ বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়েছে।
​উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গত ১০ সেপ্টেম্বর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দুর্গাপুর উপজেলার কিসমতগণকৈড় ইউনিয়নের আড়ইল গ্রামে মো: সাইদুল ইসলামের বাড়িতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে হাবিবা ফারজানার নেতৃত্বে অভিযানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাহানা পারভীন লাবনী ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের উপস্থিতিতে সারের গণনা করা হয়। গণনায় বারান্দা ও ঘরে রাখা ৩২৪ বস্তা ডিএপি, ২৪৬ বস্তা ইউরিয়া এবং ১০০ বস্তা টিএসপিসহ মোট ৬৭০ বস্তা অবৈধ সার জব্দ করা হয়।
​জব্দকৃত ৬৭০ বস্তা সার পরবর্তীতে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে সরকার নির্ধারিত মূল্যে কৃষকদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। সার বিক্রির মোট ৭,৮৫,২৫০ টাকা (সাত লক্ষ পঁচাশি হাজার দুইশত পঞ্চাশ টাকা) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের রাজস্ব কোডে ই-চালানের মাধ্যমে জমা প্রদান করা হয়েছে এবং মাস্টাররোল সংরক্ষণ করা রয়েছে।
​একই দিন পাশের পুঠিয়া উপজেলার কার্তিকপাড়া বাজারে উক্ত সাইদুল ইসলামের মালিকানাধীন ‘নিশি কীটনাশক বিপণি’ নামের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে পুঠিয়া উপজেলা প্রশাসন আরও ৩৩০ বস্তা সার জব্দ করে। একই ব্যক্তির দুর্গাপুরের বাড়ি থেকে ৬৭০ বস্তা এবং পুঠিয়ার দোকান থেকে ৩৩০ বস্তাসহ ওই দিন মোট ১,০০০ বস্তা সার জব্দ করা হয়। কিন্তু দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় পুঠিয়ার অভিযানের সারের তথ্য বাদ দিয়ে দুর্গাপুর থেকে ‘৩২৫ বস্তা সার গায়েব’ শিরোনামে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, তা সম্পূর্ণ অসত্য ও বিভ্রান্তিকর।
​এদিকে অভিযুক্ত সার ব্যবসায়ী মো: সাইদুল ইসলাম এক লিখিত বক্তব্যে জানান, তাঁর কোনো সার বিক্রয়ের লাইসেন্স ছিল না। চট্টগ্রাম, যশোর ও নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থান থেকে সার এনে তিনি নিজ বাড়িতে মজুদ করে বিক্রি করতেন। অভিযানকালে স্থানীয়দের সামনে কাঠি দিয়ে গণনা করেই ৬৭০ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে, তাই হিসাব কম-বেশি হওয়ার সুযোগ নেই। এছাড়া, দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের পূর্বে তিনি কোনো সাংবাদিকের কাছে বক্তব্য বা জবানবন্দি দেননি বলেও লিখিতভাবে নিশ্চিত করেছেন।
​সমগ্র বিষয়টি তদন্তের জন্য অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা) জনাব বেলায়েত হোসেনকে আহ্বায়ক করে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন। কমিটি ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্টদের জবানবন্দি গ্রহণ করেছে।

সর্বশেষ - আইন

আপনার জন্য নির্বাচিত

আন্তঃকলেজ বিতর্কে বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী কলেজ

গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদে কাঁদলেন তারেক রহমান

বাগমারায় ধানের শীষের প্রার্থী ডি এম জিয়াকে বিজয়ী করতে বিশাল নির্বাচনী জনসভা

রাজশাহী মহানগরীতে ট্রাকের ধাক্কায় দুই রুয়েট শিক্ষার্থী আহত

চারঘাটে জনবসতিপুর্ণ স্থানের শ্মশানঘাট স্থানান্তরের দাবি

রাজশাহীর সড়কে ‘সবুজ ফাঁদ’! শুকনো পাতার আঘাতে রিকশা উল্টে নারী আহত, জননিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

প্রকৌশলীদের চতুর্থ শিল্প বিপ্লব বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দিতে হবে: রুয়েট উপাচার্য

নাটোর গুরুদাসপুরে ওসির বিরুদ্ধে অনাস্থা, প্রত্যাহারের দাবি

ফিলিপিন্সে খ্যাতনামা সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা

রাজশাহী মহানগরীতে স্বর্ণ প্রতারণা চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার