• রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৭:০২ অপরাহ্ন
Headline
রাজশাহীতে ডিজিটাল নজরদারিতে নতুন সংযোজন রাজশাহী কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে গাছের চারা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত তানোরে বর্গাচাষীকে হাতুড়ি পেটা রাজশাহীর কাটাখালীতে ২০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার এসআই রাজুর বিরুদ্ধে চাঁদা ও গাড়ি আত্মসাতের অভিযোগ ‘মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’: আরএমপির প্রতিবাদ রাজশাহীতে পরিচয়ের জুলাইয়ের আলোচনা ও কবিতা পাঠ কোনো শিক্ষার্থী যাতে মাদকাসক্ত হয়ে না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে: ভূমিমন্ত্রী মিনু ব্যক্তিগত গাড়ি আত্মসাৎ, ফেরত দিতে ৫ লাখ টাকা দাবি—এসআই রাজুর বিরুদ্ধে অভিযোগ কাটাখালি থানার অভিযানে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মাদক ব্যাবসায়ী গ্রেফতার চন্দ্রিমা থানার অভিযানে ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ মাদক ব্যাবসায়ী গ্রেফতার

নীলফামারীতে ব্রীজের অভাবে ৩ গ্রামের মানুষের ভোগান্তি

সনি নিউজ / ৯৬ Time View
Update : শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২
নীলফামারীতে ব্রীজের অভাবে ৩ গ্রামের মানুষের ভোগান্তি
নীলফামারীতে ব্রীজের অভাবে ৩ গ্রামের মানুষের ভোগান্তি

রংপুর প্রতিবেদক: নীলফামারী জেলা সদরের পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের কোরানী পাড়া ঘাটে যমুনেশ্বরী নদীর উপর ব্রীজ না থাকায় তিন গ্রামের প্রায় দশ হাজার মানুষকে দীর্ঘ দিন ধরে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এলাকাবাসীর উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো তৈরি করে তা দিয়ে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ পথচারীদের ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার হতে হচ্ছে।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, যমুনেশ্বরী নদীর কোরানীপাড়া ঘাটে ব্রীজ না থাকায় এলাকাবাসী নিজ উদ্যোগে একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে চলাচল করছে। এই সাঁকোটি হলো উত্তরা শশী, কালিয়াল খাতা ও উত্তর কানিয়াল খাতা গ্রামের বাসিন্দাদের নীলফামারী জেলা শহরে যাওয়ার একমাত্র সড়ক। সাঁকোর পূর্ব দিকে রয়েছে উত্তরা শশী প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিমে রয়েছে উত্তর কানিয়াল খাতা দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়, কানিয়াল খাতা মাদরাসা, কানিয়াল খাতা প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বিনোদন কেন্দ্র ওসমানিয়া উদ্যান।

প্রতিদিন শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পেশার হাজারো মানুষজনকে এই সাঁকোর উপর দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। বর্ষার সময় নদীর পানির স্রোতে বাঁশের সাঁকো ভেঙে যায়, তখন কলা গাছের ভেলা বানিয়ে পার হতে হয় পথচারীদের। দীর্ঘ দিন ধরে এলাকাবাসী এমন ভোগান্তি পোহালেও জনপ্রতিনিধিরা শুধু আশ্বাসই দিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।

উত্তর কানিয়াল খাতা বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী মারুফ হোসেন, সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী রাশেদ মিয়া বলেন, ‘আমরা অনেক কষ্ট করে এই বাঁশের সাঁকো দিয়ে বিদ্যালয়ে যাতায়াত করে থাকি। বর্ষার সময় কলার ভেলায় পার হতে হয়। অনেক সময় বই খাতা নদীতে পড়ে ভিজে যায়।’

স্থানীয় বাসিন্দা লাল বাবু, কৃপা রায়, আব্দুল ওহাব, মিজানুর রহমান বলেন, ‘কত লোক আইসে লেখে আর মাপি যায়, হামার কপালোত আর ব্রিজ হয় না। মেম্বার-চেয়ারম্যানরাসহ ব্রিজ করে দিবে বলে কথা দেন, কিন্তু কেউ কথা রাখে না।’

নীলফামারী এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সুজন কুমার বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নই। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেয়া হবে।

সনি বাংলা ডট কম/-


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category