বৃহস্পতিবার , ১ অক্টোবর ২০২৬ | ১৬ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. আইন
  2. আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উপসম্পাদকীয়
  5. কৃষি
  6. খুলনা
  7. খেলা
  8. চট্টগ্রাম
  9. চাকরীর খবর
  10. জাতীয়
  11. ঢাকা
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. দেশের খবর
  14. নারী
  15. বরিশাল

বরেন্দ্রের জলবায়ু সংকটকে কপ-৩১ এজেন্ডায় অন্তর্ভুক্তির দাবি

প্রতিবেদক
sonynews
অক্টোবর ১, ২০২৬ ৯:২৫ পূর্বাহ্ণ

রাজশাহী প্রতিনিধি: বরেন্দ্র অঞ্চলের খরা, পানি সংকট, তাপপ্রবাহ ও জীবিকার ঝুঁকিকে জাতীয় ও বৈশ্বিক জলবায়ু আলোচনার অগ্রাধিকারে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে আসন্ন কপ-৩১ সম্মেলনে বরেন্দ্রের জলবায়ু সংকটকে জলবায়ু অর্থায়ন, অভিযোজন এবং ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলার আলোচনায় কার্যকরভাবে অন্তর্ভুক্তির দাবি উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজশাহী নগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে ‘খরা থেকে ন্যায়বিচারের পথে—বরেন্দ্র থেকে বৈশ্বিক জলবায়ু সম্মেলন’ স্লোগানে আয়োজিত বৈশ্বিক জলবায়ু ধর্মঘট থেকে এসব দাবি জানানো হয়। বরেন্দ্র ইয়ুথ ফোরাম, গ্রিন কোয়ালিশন ও উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক যৌথভাবে কর্মসূচির আয়োজন করে।

কর্মসূচিতে কৃষক-কৃষাণী, নারী, যুব, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক, শ্রমজীবী, পরিবেশকর্মী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

বক্তারা বলেন, দীর্ঘস্থায়ী খরা, তাপপ্রবাহ, ভূগর্ভস্থ পানির ওপর বাড়তি চাপ, কৃষি ও খাদ্যব্যবস্থার ঝুঁকি, নদী-খাল-পুকুর ও জলাভূমির সংকট এবং জীবিকার অনিশ্চয়তা বরেন্দ্রের জলবায়ু সংকটকে আরও তীব্র করছে। এসব সমস্যা মোকাবিলায় বিচ্ছিন্ন প্রকল্পের পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত জলবায়ু অভিযোজন কাঠামো প্রয়োজন।

গ্রিন কোয়ালিশন বরেন্দ্র অঞ্চলের সভাপতি মাহবুব সিদ্দিকী বলেন, বরেন্দ্রের পানি সংকট আরও জটিল করছে অতিরিক্ত ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন। ভূগর্ভস্থ পানি পুনর্ভরণ নিশ্চিত না হলে সংকট দ্রুত তীব্র হবে। বৈশ্বিক জলবায়ু তহবিল থেকে বরেন্দ্রের জন্য পৃথক অর্থায়নের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

বরেন্দ্র ইয়ুথ ফোরামের সভাপতি মো. আতিকুর রহমান বলেন, বরেন্দ্রের খরা, পানি সংকট, তাপপ্রবাহ ও জীবিকার ঝুঁকি স্থানীয় সমস্যা হলেও এর সঙ্গে বৈশ্বিক জলবায়ু ন্যায়বিচারের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। তাই কপ-৩১-এর জলবায়ু অর্থায়ন, অভিযোজন ও লস অ্যান্ড ড্যামেজ আলোচনায় বরেন্দ্রের বাস্তবতাকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

কর্মসূচি থেকে বরেন্দ্রকে জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ সম্মুখসারি অঞ্চল হিসেবে স্বীকৃতি, পানি নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার, জলবায়ু-সহনশীল খাদ্যব্যবস্থা, ন্যায়সংগত জলবায়ু অর্থায়ন এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।

এ সময় বরেন্দ্র জলবায়ু ন্যায্যতার ১২ দফা দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—অতিরিক্ত ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন নিয়ন্ত্রণ, নদী-খাল-পুকুর ও জলাভূমি পুনরুদ্ধার, পানি সাশ্রয়ী কৃষি ও স্থানীয় বীজ সংরক্ষণ, পৃথক খরা তহবিল ও খরা ভাতা, তাপপ্রবাহ মোকাবিলায় স্বাস্থ্যসেবা ও শ্রমিক সুরক্ষা এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর কাছে সরাসরি জলবায়ু অর্থায়ন পৌঁছে দেওয়া।

কর্মসূচিতে আরও বক্তব্য দেন গ্রিন কোয়ালিশন রাজশাহী মহানগরের সভাপতি মাহমুদ জামাল কাদেরী, বরেন্দ্র ইয়ুথ ফোরামের সাধারণ সম্পাদক পলি রানী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাসিবুল হাসনাত রিজভি, প্রজেক্ট আর্থকেয়ারের নির্বাহী সমন্বয়ক আর-রাফী সিরাজী অন্তর, আদিবাসী নেতা উপেন রবিদাস ও ছোট্ট স্বপ্ন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. রকি আলীসহ অন্যরা।

সর্বশেষ - আইন

আপনার জন্য নির্বাচিত