এ সময় গ্রীন কোয়ালিশন ও বারসিকের প্রতিনিধিনৃন্দ, স্থানীয় জনগণ, কৃষক, যুবসমাজ ও পরিবেশপ্রেমীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
পবা উপজেলার গ্রীন কোয়ালিশনের সভাপতি মোসা: রহিমা বেগম বলেন, “তালগাছ আমাদের গ্রামীণ জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। আগের তুলনায় এখন অনেক জায়গায় তালগাছ কমে যাচ্ছে। তাই নতুন করে তাল বীজ রোপণ করা হলে ভবিষ্যতে অনেক তালগাছ গড়ে উঠবে এবং আমাদের পরিবেশ আরও সুন্দর ও সবুজ হবে।”
বড়গাছী কৃষক ঐক্য সংগঠনের সভাপতি মো: আব্দুল জাব্বার বলেন, “তাল বীজ রোপণ শুধু একটি গাছ লাগানোর কাজ নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ পরিবেশ তৈরির উদ্যোগ। রাস্তার পাশে ও অনাবাদি জায়গায় পরিকল্পিতভাবে তাল বীজ রোপণ করলে একদিকে পরিবেশ রক্ষা হবে, অন্যদিকে ভবিষ্যতে তাল থেকে মানুষ উপকার পাবে। এ ধরনের উদ্যোগে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।”
কৃষক মো: রাইহান আলী জুয়েল বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা ও প্রাণবৈচিত্র্য সংরক্ষণে তালগাছ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাল বীজ রোপণ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে মানুষকে গাছ লাগানোর পাশাপাশি গাছের পরিচর্যা ও সংরক্ষণে সচেতন করা হচ্ছে। শুধু বীজ রোপণ করলেই হবে না, নিয়মিত পরিচর্যার মাধ্যমে প্রতিটি বীজকে বড় গাছে পরিণত করার দায়িত্বও আমাদের নিতে হবে।”
বারসিক প্রোগ্রাম অফিসার তৌহিদুল ইসলাম বলেন, “ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সবুজ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বারসিক বরেন্দ্র অঞ্চলে ১০ লক্ষ বীজ ও চারা রোপনের কর্মসূচী পরিচালনা করছে, তারই অংশ হিসেবে আজ বড়গাছিতে ১০০০টি তাল বীজ, ২০০০টি দেবদারু বীজ বপন করা হয়।”
তিনি আরও বলেন, তাল বীজ বপনের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের মধ্যে তালগাছের পরিবেশগত, অর্থনৈতিক ও সামাজিক গুরুত্ব তুলে ধরা হচ্ছে। এবং এ ধরনের পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”


















