বুধবার , ২৮ আগস্ট ২০২৪ | ১৮ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. আইন
  2. আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উপসম্পাদকীয়
  5. কৃষি
  6. খুলনা
  7. খেলা
  8. চট্টগ্রাম
  9. চাকরীর খবর
  10. জাতীয়
  11. ঢাকা
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. দেশের খবর
  14. নারী
  15. বরিশাল

ধার দিয়েই আয় ৪০ হাজার কোটি টাকা

প্রতিবেদক
সনি নিউজ
আগস্ট ২৮, ২০২৪ ৫:১৩ অপরাহ্ণ

অনলাইন ডেস্ক: গত ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা আয় করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পরিচালন ব্যয় বাদে নিট মুনাফা হয়েছে ১৫ হাজার ১০০ কোটি টাকা। গত অর্থবছর বাংলাদেশ ব্যাংক সবচেয়ে বেশি আয় করেছে রেপো, স্পেশাল রেপো এবং বিভিন্ন ব্যাংককে দেওয়া স্বল্পমেয়াদি ধারের বিপরীতে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক গত অর্থবছর ৩২ লাখ ২১ হাজার কোটি টাকা ধার দিয়েছে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে। যা আগের সাত বছরে দেওয়া মোট ধারের পরিমাণকে ছাড়িয়ে গেছে। খবর যুগান্তর
এরই মধ্যে গত অর্থবছরের আর্থিক হিসাব বিবরণী অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ। বিবরণী অনুসারে, সব ধরনের খরচের পর গত অর্থবছর নিট আয় থেকে ১৫ হাজার ১০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে সরকারি কোষাগারে। তার আগের অর্থবছরের নিট মুনাফা হয় ১০ হাজার ৭৪৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে ১০ হাজার ৬৫২ কোটি টাকা সরকারের কোষাগারে জমা দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকারের নিট ঋণ দেখানো হয় ৯৪ হাজার ২৮২ কোটি টাকা। এর মধ্যে বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে দেখানো হয় ৯৭ হাজার ৯২৭ কোটি টাকা।

আর বাংলাদেশ ব্যাংকে ঋণ না বেড়ে উলটো ৬ হাজার ৪৫৭ কোটি টাকা কমেছে। তবে সাবেক গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারের সময়ে তথ্য গোপন করে ৬২ দিনে সরকারকে টাকা ছাপিয়ে প্রায় ৪১ হাজার কোটি টাকার ঋণ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। যদিও বাংলাদেশ ব্যাংকের মাসিক প্রতিবেদনে দেখাচ্ছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সরকারের ব্যাংক থেকে নিট ঋণ ছিল ৮২ হাজার ৬০৯ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংক সরাসরি ঋণ সরবরাহ করলে মূল্যস্ফীতি বাড়ে। এমনিতেই এখন ১১ শতাংশের ওপরে মূল্যস্ফীতি। এর মধ্যে এভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ সরবরাহ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা করেন অর্থনীতিবিদরা। অবশ্য গত অর্থবছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরকারকে ঋণ সরবরাহ না করারই প্রতিশ্রতি দিয়েছিল।

বৈদেশিক মুদ্রার চরম সংকটের কারণে গত অর্থবছরও বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন ব্যাংকের কাছে ১২ দশমিক ৭৯ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করে। আগের অর্থবছর বিক্রি করে ১৩ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার। আবার এ সময়ে টাকার বিপরীতে ডলারের দর অনেক বেড়েছে।

সব মিলিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা খাত থেকে ভালো আয় হয়েছে। ডলার বিক্রির কারণে অবশ্য দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ব্যাপক কমে এখন আইএমএফের বিপিএম-৬ অনুযায়ী গ্রস রিজার্ভ ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে। যদিও নতুন গভর্নর দায়িত্ব নেওয়ার পর রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি বন্ধ করেছে। সরকারের আমদানি চাহিদা আন্তঃব্যাংক থেকে সংগ্রহ করে দিচ্ছে।

প্রয়োজনের অতিরিক্ত টাকা ছাপলে তার পরিণতি প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, প্রয়োজনের বেশি আর টাকা ছাপানো হবে না। কারণ, সেটা জাতির জন্য ভালো হবে না। তখন মূল্যস্ফীতি ১০০ শতাংশ হয়ে যাবে। সরকার কিংবা ব্যাংক অতিরিক্ত টাকা ছাপিয়ে কাউকে দেওয়া হবে না।

সর্বশেষ - আইন

আপনার জন্য নির্বাচিত

কক্সবাজারে এসে এন সি পি নেতারা গোয়েন্দা নজরদারিতে, ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন

প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সাথে ড. ইউনূসের শুভেচ্ছা বিনিময়

পাওনাদারকে মারধর করে ইউনিফর্ম পড়তে গেলেন পুলিশের সোর্স আলিম!

রাজশাহীতে সনদ ছাড়া চাল বিক্রি, দুই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা অনুর্ধ্ব-১৭ বালক ও বালিকা জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণ

রাজশাহী নগরীতে ছাত্রলীগ নেতাকে পিটিয়ে পুলিশে সোপর্দ

রাজশাহীতে প্রায় ১৬০০ শিক্ষার্থীদের নিয়ে স্কলারস্ ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের বৃত্তি পরিক্ষা

দুর্গাপূজা উপলক্ষে চট্টগ্রামে অসহায়দের মধ্যে বস্ত্র বিতরণ

রাজশাহী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদকের পদত্যাগ দাবি, জরুরি সভায় নানা অভিযোগ

রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ পরিদর্শনে রাসিক প্রশাসক