রবিবার , ১ নভেম্বর ২০২৬ | ১৭ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. আইন
  2. আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উপসম্পাদকীয়
  5. কৃষি
  6. খুলনা
  7. খেলা
  8. চট্টগ্রাম
  9. চাকরীর খবর
  10. জাতীয়
  11. ঢাকা
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. দেশের খবর
  14. নারী
  15. বরিশাল

৪৮ বছর পানি পান করেনা মার্কিন ধনকুবের!

প্রতিবেদক
sonynews
নভেম্বর ১, ২০২৬ ৬:১৯ অপরাহ্ণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সেই কোন ছোটবেলায় স্কুলে পড়ার সময় আমরা শিখেছি, ‘পানিই জীবন’। শিখেছি, একটানা বেশ কিছু দিন খাবার না খেয়েও বেঁচে থাকা যায়। কিন্তু, পানি না খেয়ে? নৈব নৈব চ! পানি না খেয়ে বা পানি পান না করে কারও পক্ষেই বেশি দিন টিকে থাকা সম্ভব নয়। প্রশ্ন হল, তা হলে ওয়ারেন বাফেট মহাশয় কোন ‘ধাতু’তে তৈরি? না। আসলে বলতে চাইছি, হতেই পারে, তিনি শত শত কোটি ডলারের মালিক। কিন্তু, তিনিও আমাদের মতোই রক্ত, মাংসে গড়া মানুষই তো। তা হলে তিনি কী ভাবে টানা ৪৮ বছর ধরে এক ফোঁটাও পানি গলায় না ঢেলে দিব্যি বেঁচে আছেন?

শুনে আজগুবি মনে হলেও এই তথ্য কিন্তু ষোলো আনা খাঁটি। ৯৬ বছরের এই ‘তরুণ’ মার্কিন ধনকুবের বিনিয়োগকারী গত প্রায় পাঁচ দশক ধরে এক বারও জলের গ্লাসে চুমুক দেননি। তার পরও দিব্যি তরতাজা রয়েছেন। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে, ১৯৭০-এর দশক থেকেই সরাসরি জলপান একেবারে বন্ধ করে দেন ওয়ারেন বাফেট। বদলে নিজের দৈনন্দিন পান-তালিকায় বিশেষ এক ধরনের পানীয় জুড়ে দেন।

বাফেটের এই জীবনশৈলী নজর কেড়েছে তাঁর পরিবারের সদস্য থেকে শুরু করে ঘনিষ্ঠ বন্ধু, পরিচিত মানুষজন এবং অন্য ধনকুবেরদেরও। তেমনই এক জন হলেন বিল অ্যাকম্যান। সম্প্রতি একটি পডকাস্টে বাফেটের এই ব্যতিক্রমী অভ্যাস নিয়ে মুখ খোলেন ধনকুবের ‘হেজ ফান্ড ম্যানেজার’ অ্যাকম্যান। ‘ইক্যুইটি মিট্‌স ইনভেস্টিং’ শীর্ষক ওই সাক্ষাৎকারধর্মী অনুষ্ঠানে কথা প্রসঙ্গে ওয়ারেন বাফেটের সঙ্গে তাঁর স্মৃতি রোমন্থন করেন অ্যাকমান। জানান, এক বার এক নৈশভোজের টেবিলে একত্রে বসেছিলেন দুই ধনকুবের। তখনই ঘটে এক আজব ঘটনা।

খাওয়ার টেবিলে বসে খুব স্বাভাবিক ভাবেই বাফেটকে জল খাওয়ার অনুরোধ করেন অ্যাকম্যান। তিনি এ বিষয়ে বাফেটের পছন্দ জানতে চান। প্রশ্ন করেন, তিনি পানীয় হিসেবে সাধারণ জল নেবেন, না কি তাঁর পছন্দ ঝাঁঝালো ‘স্পার্কলিং ওয়াটার’? এই প্রশ্নের জবাবে অ্যাকম্যানকে অবাক করে দেন বাফেট। সবিনয়ে জানান, এই দু’টির মধ্যে একটিও তিনি গ্রহণ করবেন না। বদলে তিনি কেবলমাত্র সোডা পরিবেশন করতে বলেন। বাফেট সেই সময়েই অ্যাকম্যানকে জানান, তিনি কোনও ধরনের জলই পান করেন না।

বলা বাহুল্য, এমন উত্তর শোনার জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিলেন না অ্যাকম্যান। তিনি সঙ্গে সঙ্গে বাফেটকে প্রশ্ন করেন, “আপনি কি জল পান করেন না?” এর জবাবে বাফেট বলেন, “বিল, গত ৪৮ বছর ধরে আমি জল খাইনি।” এই তথ্য আবিষ্কারের পর থেকেই সর্বদা বাফেটের জন্য বিশেষ পানীয়ের বন্দোবস্ত করে রাখতেন অ্যাকম্যান। সংশ্লিষ্ট পডকাস্টে তিনি জানান, এর পর থেকে যখনই বাফেট তাঁর বাড়িতে নৈশভোজ সারতে আসেন, তাঁর জন্য একটি নির্দিষ্ট পানীয় মজুত রাখেন অ্যাকম্যান।

কী সেই পানীয়? সেটি হল, একটি নামজাদা সংস্থার ঝাঁঝালো শীতল নরম পানীয়। সেই পানীয়ের মধ্যে রয়েছে চেরি ফলের স্বাদ ও সুবাস। খাবারের সঙ্গে সেই পানীয়ই এত বছর ধরে গলাধঃকরণ করে আসছেন বাফেট। তাতেই মিটছে তাঁর শরীরের জলের প্রয়োজনীয়তা।

তবে, এখানেও আছে টুইস্ট! এই বিশেষ স্বাদের শীতল নরম পানীয় বাছাইয়ের নেপথ্যেও রয়েছে এক মজার ‘ইতিহাস’। সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হলে ব্রিটিশ লেখক গ্লেন আর্নল্ডের লেখা ‘দ্য ডিল্স অফ ওয়ারেন বাফেট ভলিউম ২: দ্য মেকিং অফ এ বিলিয়নেয়ার’ বইটি পড়ে দেখতে পারেন। এই বইয়ের তথ্য অনুসারে, দশকের পর দশক ধরে একটি নির্দিষ্ট সংস্থার তৈরি চেরি ফলের স্বাদ ও গন্ধযুক্ত ঝাঁঝালো ঠান্ডা নরম পানীয় পান করতেন তিনি। বাফেট ছিলেন তাদের একনিষ্ঠ গ্রাহক! কিন্তু, তার পর তিনি ‘দলবদল’ করেন।।

পরবর্তী কালে বাফেট সংশ্লিষ্ট নরম পানীয় প্রস্তুতকারী সংস্থাটিরই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী সংস্থার গ্রাহকে পরিণত হন এবং তাদের তৈরি চেরি ফলের স্বাদযুক্ত ঝাঁঝালো নরম পানীয় পান করা শুরু করেন। সেই থেকে এই ‘নিয়ম’ই পালন করে আসছেন তিনি।

প্রশ্ন হল, বাফেটের মতো এমন জাঁদরেল বিনিয়োগকারী ধনকুবেরের পছন্দ বদলাল কী ভাবে? এর নেপথ্যে রয়েছেন তাঁর এক পুরনো দিনের প্রতিবেশী। তিনি, ডন কিউ। তিনি যখন ওমাহায় থাকতেন, তখন তাঁর বাড়ির সামনে রাস্তার উল্টো দিকে থাকতেন বাফেট। কিউ ছিলেন কফির কারবারি।

সেটি ছিল ১৯৬০ সাল। হঠাৎই এক দিন পড়শি কিউয়ের দুয়ারে টোকা দেন বাফেট। প্রস্তাব দেন, তিনি কিউয়ের সঙ্গে অংশীদারিত্বে কাজ করতে চান। এর জন্য কিউকে শুধুমাত্র ১০ হাজার মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করতে হবে। বাকিটা বাফেট সামলে নেবেন।

বাফেটের এই প্রস্তাবে প্রবল কৌতূহল হলেও ঢোঁক গিলে পিছু হঠেন কিউ। তিনি বাফেটের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। পরবর্তী কালে এক সাক্ষাৎকারে কিউ জানিয়ে ছিলেন, সেই সময় তাঁর পকেটে অত টাকা ছিল না। কিন্তু, তিনি তাঁর বাবার কাছ থেকে ধার নিয়ে, সেই অর্থ বাফেটের হাতে তুলে দিতেই পারতেন।

অর্থাৎ, উপায় থাকলেও সেই সময় বাফেটের উপর ভরসা করতে পারেননি কিউ। কারণ, বাফেট কোনও প্রথাগত কাজ করতেন না। প্রতি দিনই কিউ তাঁকে সারাটা সকাল বাচ্চাদের সঙ্গে খেলে সময় কাটাতে দেখতেন। এমন এক জনের হাতে ১০ হাজার ডলার তুলে দেওয়ার সাহস ছিল না কিউয়ের। যদিও ব্রিটিশ লেখক গ্লেন আর্নল্ডের হিসাব অনুসারে, ১৯৬০ সালে ওই অর্থ বিনিয়োগ করলে ২০১৮ সালের মধ্যেই তার পরিমাণ বেড়ে হত প্রায় সাড়ে ন’কোটি ডলার!

 

 

 

সর্বশেষ - আইন

আপনার জন্য নির্বাচিত

পৃষ্ঠপোষকতা আর মানসম্পন্ন আর্ট গ্যালারির অভাবে স্তব্ধ হয়ে আছে নতুন সম্ভাবনার দ্বার

রাজশাহী নগরীতে সন্ত্রাসী হামলা: মসজিদমুখী মুসল্লি খুন

​​​​​​রাজশাহীর বোয়ালিয়া, শাহমখদুম ও কাশিয়াডাঙ্গা থানায় ৩টি নতুন গাড়ি হস্তান্তর

রাজশাহী নগরীতে পুলিশ অফিসার পরিচয়ে স্কুলছাত্রের মোবাইল ও টাকা ছিনতাই!

রুয়েটে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমের সিটি কর্পোরেশন ট্রাস্কফোর্স কমিটির আলোচনা সভায় অনুষ্ঠিত

রাজশাহীতে হাসানের উদ্যোগে ব্যতিক্রমধর্মী ইফতার বিতরণ

গোদাগাড়ীতে ১৮৪ বোতল ফেনসিডিল-সহ গ্রেফতার ২

রাজশাহীতে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে রিকশাচালক নিহত

চারদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে নিজ জেলা পাবনায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন