স্টাফ রিপোর্টার: বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নিরসন, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল রাখা নাগরিক দুর্ভোগ কমানো এবং জলাবদ্ধতা প্রতিরোধে কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন রাসিকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশনা প্রদান করেছেন। নগরীর বিভিন্ন এলাকার ড্রেনে ময়লা-আবর্জনা ও পলি কাদা মাটি অপসারণের মাধ্যমে পনি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা সচল করা হচ্ছে।
ওয়ার্ড পর্যায়ে নাগরিক সেবা বৃদ্ধি করতে ড্রেনের কাদামাটি অপসারণ, ঝোপঝাড়, আগাছা কর্তন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে এরই অংশ হিসেবে ১৪নং ওয়ার্ডে উপশহরের কয়েকটি ড্রেনের কাদামাটি অপসারণ, জঙ্গল ঝোপঝাড় আগাছা পরিস্কার করা হয়। ডেঙ্গমুক্ত রাজশাহী নগরী গড়ে তুলতে বসতবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার কার্যক্রম জোরদার করা হয়। এরই অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে নগরীর বিভিন্ন এলাকার কাদামাটি অপসারণ কাজ অব্যাহত রয়েছে।
রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন নগরবাসীর জন্য একটি আধুনিক বাসযোগ্য, পরিচ্ছন্ন নিরাপদ ও নাগরিকবান্ধব নগর গড়ে তোলার লক্ষে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি নগরীর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদারকরণ, মশক নিয়ন্ত্রণ, কাদামাটি অপসারণ, বৃক্ষরোপণ, সবুজায়ন, সৌন্দর্য্যবর্ধন বিষয়ে রাসিকের সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশনা প্রদান করেছেন।
রাজশাহী মহানগরীর ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে দীর্ঘদিন ধরে প্রায় অচল হয়ে থাকা ড্রেনের কাদামাটি অপসারণ করা হয়। গ্রেটাররোড সংলগ্ন রাস্তার ড্রেন, পদ্মা আবাসিক এলাকার বিভিন্ন ড্রেনের কাদামাটি অপসারণ কাজ অব্যাহত রয়েছে। ফলে ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচল করা হয়েছে। রাসিকের পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মীদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় এ কার্যক্রমটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়েছে। স্থানীয় নাগরিকরা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। দড়িখরবোনা এলাকার বাসিন্দা আরিফুল ইসলাম পলাশ জানান, গ্রেটাররোড এলাকার রাস্তার ফুটপাত ও ড্রেন নির্মাণের পর দীর্ঘদিন এ এলাকার ড্রেনটি তেমন পরিস্কার করা হয়নি, ফলে বৃষ্টির পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়ে রাস্তা পানি জমে থাকছে। আমরা প্রশাসক মহোদয়ের সাথে যোগাযোগ করার পর তিনি এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছেন। আর এজন্য প্রশাসক মহোদয়কে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।
কাদামাটি অপসারণ এ কাজে রাসিকের পরিচ্ছন্ন কর্মীরা নিয়োজিত রয়েছে। এ সময় রাসিকের পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মনিটরিং (মশক) জুবায়ের হোসেন মুন, পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা (মনিটরিং) শাহরিয়ার জিতু, পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মনিটরিং আশরাফুজ্জামান সজিব সহ পরিচ্ছন্ন সুপারভাইজারগণ এসময় উপস্থিত ছিলেন।