রাজশাহী প্রতিনিধি: রাজশাহী মহানগরীর নওদাপাড়া ছায়ানীড় আবাসিক এলাকায় একটি পাঁচতলা ভবনের পঞ্চম তলায় ফয়সাল বাঁধন (৩০) নামে এক যুবক গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে। তবে মামলায় কোনো ব্যক্তিকে আসামি করা হয়নি। এজাহারে আসামিদের অজ্ঞাতনামা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
শাহমখদুম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মমতাজ উদ্দিন গত রোববার রাতে মামলাটি দায়ের করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শাহমখদুম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কবির হোসেন।
পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থল থেকে একটি অবৈধ বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন, গুলি, ককটেলসদৃশ বস্তু এবং বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়। এসব উদ্ধারের ঘটনায় মামলাটি করা হয়েছে। মামলার বর্ণনায় ফয়সাল বাঁধনের গুলিবিদ্ধ হওয়ার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে রোববার সকালে শাহমখদুম থানাধীন ছায়ানীড় আবাসিক এলাকার একটি পাঁচতলা ভবনের পঞ্চম তলায় গুলিবিদ্ধ হন বাঁধন। ভবনটির মালিক মোহনপুর ডিগ্রি কলেজের অধ্যাপক মুবিনুল ইসলাম।
আহত ফয়সাল বাঁধনের বাড়ি রাজশাহী নগরীর সাহেববাজার এলাকায়। পেটে গুলিবিদ্ধ হওয়ায় তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফয়সাল বাঁধন মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মীর তারেকের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। ঘটনার পর থেকে মীর তারেকের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। রোববার থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলেও তার নম্বর বন্ধ পাওয়া গেছে।
ফয়সাল বাঁধন কীভাবে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। এ বিষয়ে ওসি কবির হোসেন বলেন, “বাঁধন বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। এ কারণে তার সঙ্গে বিস্তারিত কথা বলা সম্ভব হচ্ছে না। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে ঘটনার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।”
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

















