স্টাফ রিপোর্টার: আজ ১২ ই জুলাই রোজ রবিবার নারী শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল (১) হইতে ছয় বছর পর রায়ে খালাস পেলেন অভিযুক্ত যাযক প্রদীপ গ্রেগরী।
রাজশাহীর তানোর উপজেলায় ছয় বছর পূর্বে ২০২০ সালের ২৬ শে সেপ্টেম্বর এক কিশোরীকে গির্জায় আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত যাজক প্রদীপ গ্রেগরীকে আজ খালাস দিয়েছেন নারী শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল (১) এর বিচারক শরনিম আকতার।প্রায় ছয় বছর বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ রবিবার এ রায় প্রকাশ করেন।
জানা যায় সাড়ে ১১টায় রায় ঘোষণার কথা থাকলেও তা স্থগিত রেখে বিকেল ৪:০০ টার দিকে রায় ঘোষণা করা হয়, আদালত অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অভিযুক্ত যাজক প্রদীপ গ্রেগরীকে খালাস দেন,রায়ের পর মামলার বাদীপক্ষ অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
মামলার এজাহারের বর্ণনায় জানা যায়, ২০২০ সালের ২৬শে সেপ্টেম্বর তানোর উপজেলার মুণ্ডুমালা মাহালীপাড়া এলাকার এক কিশোরী বাড়ির পাশের সাধুজন মেরী গির্জার কাছে ঘাস কাটতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরদিন তার বড় ভাই স্বপন হাঁসদা তানোর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন,পরে পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন, কিশোরীটি গির্জার তৎকালীন যাজক প্রদীপ গ্রেগরীর কক্ষে রয়েছে,খবর পেয়ে পুলিশ ২৯ সেপ্টেম্বর গির্জা থেকে কিশোরীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়, পরে কিশোরীর বক্তব্যের ভিত্তিতে ওই রাতেই তার বড় ভাই স্বপন হাঁসদা বাদী হয়ে তানোর থানায় মামলা করেন,মামলাটি তানোর থানার এফআইআর নম্বর-১১ হিসেবে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় নথিভুক্ত হয়,এতে যাজক প্রদীপ গ্রেগরীকে একমাত্র আসামি করা হয়,দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্য গ্রহণ, জেরা ও উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত আজ ১২ জুলাই রায়ের দিন ধার্য্য করেন, নির্ধারিত দিনে আদালত অভিযুক্তকে খালাস দেন।
রায়ের পর বাদীপক্ষ স্বপন হাঁসদা জানায়,দীর্ঘ ছয় বছর ন্যায়বিচার পাবার আশায় তারা আদালতে দারস্ত হয়েছিলেন। এ রায়ে তাঁরা সন্তুষ্ট নয়, পূর্ণাঙ্গ কপি সংগ্রহ করে তারা প্রয়োজনে উচ্চ আদালতে আইনগত পদক্ষেপ নিবেন।