নিজস্ব প্রতিবেদক: ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে রাজশাহীর পুঠিয়া, দুর্গাপুর ও বাগমারা উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে দুইজন জেলা কমিটির ও একজন পৌর আওয়ামী লীগের নেতা জয় পেয়েছেন।
মঙ্গলবার (২১ মে) রাতে নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং অফিসাররা নিজ নিজ উপজেলায় এই ফলাফল ঘোষণা করেন। বেসরকারিভাবে তাদের বিজয়ী ঘোষণাও করা হয়।
ঘোষিত ফলাফলে রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন- জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সামাদ মোল্লা, বাগমারায় নির্বাচিত হয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জাকিরুল ইসলাম সান্টু এবং দুর্গাপুর উপজেলায় নির্বাচিত হয়েছেন পৌর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক শরিফুজ্জামান শরীফ। রিটার্নিং কর্মকর্তাদের ঘোষিত বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, বাগমারা উপজেলায় ঘোড়া প্রতীক নিয়ে জাকিরুল ইসলাম সান্টু ৪৮ হাজার ২৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনারস প্রতীক নিয়ে আবদুর রাজ্জাক সরকার ওরফে আর্ট বাবু পেয়েছেন ৪ হাজার ৩২১ ভোট। আর্ট বাবু উপজেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক।
রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী প্রার্থী আবদুস সামাদ মোল্লা আনারস প্রতীক পেয়েছেন ২৬ হাজার ৬৬৫ ভোট।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আহসানুল হক মাসুদ ঘোড়া প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৩ হাজার ৬৭৯ ভোট।রাজশাহীর দুর্গাপুরে শরিফুজ্জামান শরীফ মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে ভোট পেয়েছেন ৪২ হাজার ১১৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল মজিদ সরদার ঘোড়া প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৭ হাজার ৩৭২ ভোট।
রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও রিটার্নিং অফিসার কল্যাণ চৌধুরী জানান, দ্বিতীয় ধাপে ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বাগমারায় জাকিরুল ইসলাম সান্টু, দুর্গাপুরে শরিফুজ্জামান শরীফ ও পুঠিয়ায় আবদুস সামাদ মোল্লা নির্বাচিত হয়েছেন। তাদের বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ মে) ভোটগ্রহণের সময় কেবল রাজশাহীর দুর্গাপুরে একটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তবে অন্য দুই উপজেলায় কোন বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর মেলেনি।





