স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহী জেলা বিএনপির আহব্বায়ক কমিটির সদস্য ও কনজুমার এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) রাজশাহীর সেক্রেটারি গোলাম মোস্তাফা মামুনের চাঁদা দাবির অডিও ভাইরাল হয়েছে। ৩ মিনিটের ওই অডিওতে শোনা যায় মামুন একজন ব্যাবসায়ীর কাছে ফোন করে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করছেন।
গোলাম মোস্তফা মামুন গত জাতীয় নির্বাচনে রাজশাহী থেকে এমপি মনোনয়নয়ন চেয়েছিলেন, তিনি রাজশাহী জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বর্তমানে রাজশাহী জেলা বিএনপির সেক্রেটারি পদ প্রত্যাশি। মামুনের বিরেুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে রাজশাহী প্রেসক্লাব দখল করে স্বঘোষিত সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন। তার বেপরোয়া চাঁদাবজিতে এখন অতিষ্ঠ ব্যবসায়ীরা।
কনজুমার এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক হওয়ার পাশাপাশি তিনি মূলধারার সাংবাদিক না হয়েই নিজে রাজশাহী প্রেসক্লাবের সেক্রেটারি হয়েছেন জবরদখল করে। এই পদকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে অর্থিক সুবিধা নিচ্ছেন। এতে করে ক্ষুব্ধ বিব্রত রাজশাহীর মূলধারার সাংবাদিকরা। ভূইফোড়, চাঁদাবাজ, মাদক ব্যাবসায়ী নামধারী সাংবাদিকদের নিয়ে গড়ে তুলেছেন সিন্ডিকেট। নগরীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কোচিং সেন্টার থেকে নিয়মিত চাঁদা তোলার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
দলীয় পরিচয় কাজে লাগিয়ে তিনি হয়ে উঠেছেন বেপরোয়া, তার এহেন কর্মকান্ডে বিব্রত খোদ রাজশাহী বিএনপি নেতারাও। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মামুন বলেন, এটা একটা পারিবারিক বিষয়ের মিমাংসা নিয়ে কথা হচ্ছিল এডিট করে দেয়া হয়েছে আমার বিরুদ্ধে এটা ষড়যন্ত্র
জেলা বিএনপির সদস্য সচিব বিশ্বনাথ সরকার বলেন, চাঁদাবাজির বিষয়টি যদি সঠিক হয় তাহলে আমরা তাকে দলীয়ভাবে শোকজ করব।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ব্যাবসায়ী বলেন, আমার ব্যাবসায়ী বিএসটিআই আছে কিনা সে বিষয়ে জানতে চান দীর্ঘদিন ধরেই ওনি বলছিলেন ব্যাবসা চালাতে হলে টাকা দিতে হবে। এক লক্ষ দশ হাজার টাকা দেয়ার পরও আমার কাছে ঈদ শুভেচ্ছার কথা বলে আরও দুই লাখ টাকা চান তিনি।





