শনিবার , ২১ ডিসেম্বর ২০২৪ | ২০শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. আইন
  2. আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উপসম্পাদকীয়
  5. কৃষি
  6. খুলনা
  7. খেলা
  8. চট্টগ্রাম
  9. চাকরীর খবর
  10. জাতীয়
  11. ঢাকা
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. দেশের খবর
  14. নারী
  15. বরিশাল

রাজপাড়া থানার পুলিশ কনস্টেবলকে ধরে মুক্তিপণ আদায়ের চেষ্টা: আটক ১

প্রতিবেদক
sonynews
ডিসেম্বর ২১, ২০২৪ ১২:৪১ অপরাহ্ণ

হিটলার হোসেন: রাজশাহীতে পুলিশের এক কনস্টেবলকে জিম্মি করে আড়াই লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায়ের চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় একজনকে আটকও করা হয়েছে। তবে এ ঘটনার মূল হোতা পালিয়ে গেছেন।

ভুক্তভোগী পুলিশ সদস্যের নাম বদিউজ্জামান জনি। তিনি রাজশাহী নগরের রাজপাড়া থানায় কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কর্মরত। আজ শুক্রবার ভোররাতে দায়িত্ব পালন শেষে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। তখন নগরের টুলটুলিপাড়া মোড়ে তাঁকে ধরে আটকে রাখেন ছয় যুবক। এ সময় তাঁর কাছে আড়াই লাখ টাকা দাবি করা হয়।
পুলিশ বলছে, এ ঘটনার মূল হোতার নাম মো. মিলন (৩৫)। তাঁর বাড়ি নগরের হড়গ্রাম এলাকায়। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক চুরি ও ছিনতাইয়ের মামলা রয়েছে। প্রায় সাত মাস আগে একটি ছিনতাইয়ের ঘটনায় আটক হয়েছিলেন মিলন। সেদিন কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে মামলা লিখেছিলেন জনি। সেই রাগেই জনিকে জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়ের চেষ্টা করেছিলেন মিলন।

পুলিশ জানায়, কনস্টেবল জনি পরিবার নিয়ে নগরের কোর্ট স্টেশন এলাকায় থাকেন। থানায় ডিউটি শেষে রাত সাড়ে তিনটার দিকে তিনি মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়ি যাচ্ছিলেন। পথে টুলটুলিপাড়া মোড়ে মিলনসহ পাঁচ-ছয়জন তাঁর গতিরোধ করেন। এরপর দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করা হয় তাঁকে। এ সময় তাঁর কাছে আড়াই লাখ টাকা দাবি করা হয়।

মিলন ওই কনস্টেবলকে বলেন, ওই মামলায় গ্রেপ্তারের পর জামিন পেতে তাঁর অনেক টাকা খরচ হয়েছে। এই টাকা এখন দিতে হবে। প্রাণের ভয়ে কনস্টেবল জনি তখন তাঁর এক বন্ধুকে ফোন করেন টাকার জন্য। পরে তাঁর ওই বন্ধু বিষয়টি জনির বাবাকে জানান। এরপর জনির বাবা বিষয়টি রাজপাড়া থানায় জানান। প্রায় দুই ঘণ্টা পর পুলিশ গিয়ে জনিকে উদ্ধার করে। এ সময় মিলনসহ অন্যরা পালিয়ে গেলেও সানোয়ার নামের একজনকে আটক করে পুলিশ।

রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল আলম বলেন, ‘মিলন সম্প্রতি জেল খেটে জামিনে বের হয়েছেন। এর পর থেকেই কনস্টেবল জনিকে জিম্মি করার জন্য ওত পেতে ছিল। ভোররাতে তাঁকে পেয়ে জিম্মি করে টাকা আদায়ের চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে আমরা জনিকে উদ্ধার করেছি।’
ওসি জানান, এ ঘটনায় ওই পুলিশ কনস্টেবলের বাবা বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা করেছেন। এতে আসামি হিসেবে মিলন, সানোয়ারসহ চারজনের নাম উল্লেখ আছে। অজ্ঞাত আসামি আছেন আরও ছয়-সাতজন। মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে সানোয়ারকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মূল হোতা মিলনসহ অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

সর্বশেষ - রাজশাহী

আপনার জন্য নির্বাচিত

How to become popular without being charming

ভাষা শহীদদের স্মরণে রাজশাহী সাংবাদিক সংস্থার শ্রদ্ধাঞ্জলি

অধ্যক্ষ মাঞ্জালের আড্ডাখানায় পৌনে দুই কোটি টাকা লুটপাট

টেকনাফ সীমান্তে ১০টি মাইনের ট্রিগার অংশ উদ্ধার, স্থানীয়দের মধ্যে নতুন আতঙ্ক

র‍্যাব ৫ এর মান সম্মান ক্ষুন্ন করতেই রাজশাহীতে মাদক ব্যবসায়ী দম্পতি’র সংবাদ সম্মেল

নগরীতে প্রতিবন্ধীদের মাঝে সহায়ক উপকরণ বিতরণ 

রাজশাহী নগরীতে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত- ১৬ , রামেকে ভর্তি- ৬

বাগমারায় র‌্যাবের অভিযানে চাঁদাবাজ চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার

রাজশাহীতে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

রাজশাহীতে সনাতন ধর্মাবলম্বীর বসতবাড়ি দখল ও প্রতিমা ভাঙচুরের অভিযোগে গ্রেফতার ১