<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>সাহিত্য &#8211; সনি বাংলা</title>
	<atom:link href="https://sonybangla.news/news/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af/feed" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://sonybangla.news</link>
	<description>সত্য প্রকাশে অবিচল</description>
	<lastBuildDate>Wed, 04 Oct 2023 13:01:35 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	
	<item>
		<title>কবিকুঞ্জ পদক পাচ্ছেন কবি গোলাম কিবরিয়া পিনু ও রবু শেঠ</title>
		<link>https://sonybangla.news/7176.html</link>
					<comments>https://sonybangla.news/7176.html#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[সনি নিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 04 Oct 2023 13:01:35 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<category><![CDATA[কবিকুঞ্জ পদক পাচ্ছেন কবি গোলাম কিবরিয়া পিনু ও রবু শেঠ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sonybangla.news/?p=7176</guid>

					<description><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদকঃ কবিকুঞ্জ পদক ২০২৩ ঘোষণা করা হয়েছে। এ বছর কবিতা ও ছোটকাগজ সম্পাদনার জন্য এ পদক প্রদান করা হবে। বাংলা কবিতায় বিশেষ অবদানের জন্য কবি গোলাম কিবরিয়া পিনু ও ছোটকাগজ সম্পাদনায় পুনশ্চ সম্পাদক রবু শেঠ এ পদকে ভূষিত হয়েছেন। বুধবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে কবি ও লেখকদের সংগঠন কবিকুঞ্জের সভাপতি রুহুল আমিন প্রামাণিক ও সাধারণ সম্পাদক আরিফুল হক কুমার আনুষ্ঠানিকভাবে পদকজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন। কবিকুঞ্জের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল হক কুমার জানান, আগামী ১৩ ও ১৪ অক্টোবর রাজশাহীর শাহ মখদুম কলেজ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিতব্য দুইদিনব্যাপী একাদশ জীবনানন্দ কবিতামেলায় পদকপ্রাপ্তদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তরীয়, শংসাপত্র, অর্থমূল্য ও পদক তুলে দেওয়া হবে। প্রসঙ্গত, কবি গোলাম কিবরিয়া পিনু ১৯৫৬ সালের ৩০ মার্চ গাইবান্ধায় জন্মগ্রহণ করেন। কবিতা লেখার পাশাপাশি প্রবন্ধ, ছড়া ও গবেষণামূলক কাজের সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন। তাঁর প্রকাশিত কবিতার বইয়ের মধ্যে এখন সাইরেন বাজানোর সময় (১৯৮৪), সোনামুখ স্বাধীনতা (১৯৮৯), পোট্রেট কবিতা (১৯৯০), সূর্য পুড়ে গেল (১৯৯৫), কে কাকে পৌঁছে দেবে দিনাজপুরে (১৯৯৭), আমরা জোংরাখোটা (২০০১) উল্লেখযোগ্য। কবি ও সম্পাদক রবু শেঠের জন্ম ১৯৮২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি কুড়িগ্রাম জেলায়।&#8230; <a class="more-link" href="https://sonybangla.news/7176.html">Continue reading <span class="screen-reader-text">কবিকুঞ্জ পদক পাচ্ছেন কবি গোলাম কিবরিয়া পিনু ও রবু শেঠ</span></a>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="font-weight: 400;"><strong>নিজস্ব প্রতিবেদকঃ</strong> কবিকুঞ্জ পদক ২০২৩ ঘোষণা করা হয়েছে। এ বছর কবিতা ও ছোটকাগজ সম্পাদনার জন্য এ পদক প্রদান করা হবে। বাংলা কবিতায় বিশেষ অবদানের জন্য কবি গোলাম কিবরিয়া পিনু ও ছোটকাগজ সম্পাদনায় পুনশ্চ সম্পাদক রবু শেঠ এ পদকে ভূষিত হয়েছেন।</p>
<p style="font-weight: 400;">বুধবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে কবি ও লেখকদের সংগঠন কবিকুঞ্জের সভাপতি রুহুল আমিন প্রামাণিক ও সাধারণ সম্পাদক আরিফুল হক কুমার আনুষ্ঠানিকভাবে পদকজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন।</p>
<p style="font-weight: 400;">কবিকুঞ্জের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল হক কুমার জানান, আগামী ১৩ ও ১৪ অক্টোবর রাজশাহীর শাহ মখদুম কলেজ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিতব্য দুইদিনব্যাপী একাদশ জীবনানন্দ কবিতামেলায় পদকপ্রাপ্তদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তরীয়, শংসাপত্র, অর্থমূল্য ও পদক তুলে দেওয়া হবে।</p>
<p style="font-weight: 400;">প্রসঙ্গত, কবি গোলাম কিবরিয়া পিনু ১৯৫৬ সালের ৩০ মার্চ গাইবান্ধায় জন্মগ্রহণ করেন। কবিতা লেখার পাশাপাশি প্রবন্ধ, ছড়া ও গবেষণামূলক কাজের সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন। তাঁর প্রকাশিত কবিতার বইয়ের মধ্যে এখন সাইরেন বাজানোর সময় (১৯৮৪), সোনামুখ স্বাধীনতা (১৯৮৯), পোট্রেট কবিতা (১৯৯০), সূর্য পুড়ে গেল (১৯৯৫), কে কাকে পৌঁছে দেবে দিনাজপুরে (১৯৯৭), আমরা জোংরাখোটা (২০০১) উল্লেখযোগ্য।</p>
<p style="font-weight: 400;">কবি ও সম্পাদক রবু শেঠের জন্ম ১৯৮২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি কুড়িগ্রাম জেলায়। বর্তমান বসবাস নওগাঁয়। ২০০০ সাল থেকে সম্পাদনা করছেন ছোটকাগজ পুনশ্চ। এ পর্যন্ত তার প্রকাশিত কবিতার বই: নিসর্গের ঢোল (২০০৮), ঈশ্বরের ক্যামেরা (২০১৪) ও তেজপাতার অরণ্যে (২০১৬)।</p>
<p><strong>সনি বাংলা ডট কম/ই আবি</strong></p>
<p><a class="a2a_button_facebook" href="https://www.addtoany.com/add_to/facebook?linkurl=https%3A%2F%2Fsonybangla.news%2F7176.html&amp;linkname=%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C%C2%A0%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%95%C2%A0%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8%C2%A0%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF%C2%A0%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE%C2%A0%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%C2%A0%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%81%C2%A0%E0%A6%93%C2%A0%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%81%C2%A0%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%A0" title="Facebook" rel="nofollow noopener" target="_blank"></a><a class="a2a_button_twitter" href="https://www.addtoany.com/add_to/twitter?linkurl=https%3A%2F%2Fsonybangla.news%2F7176.html&amp;linkname=%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C%C2%A0%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%95%C2%A0%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8%C2%A0%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF%C2%A0%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE%C2%A0%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%C2%A0%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%81%C2%A0%E0%A6%93%C2%A0%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%81%C2%A0%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%A0" title="Twitter" rel="nofollow noopener" target="_blank"></a><a class="a2a_button_email" href="https://www.addtoany.com/add_to/email?linkurl=https%3A%2F%2Fsonybangla.news%2F7176.html&amp;linkname=%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C%C2%A0%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%95%C2%A0%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8%C2%A0%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF%C2%A0%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE%C2%A0%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%C2%A0%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%81%C2%A0%E0%A6%93%C2%A0%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%81%C2%A0%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%A0" title="Email" rel="nofollow noopener" target="_blank"></a><a class="a2a_dd addtoany_share_save addtoany_share" href="https://www.addtoany.com/share#url=https%3A%2F%2Fsonybangla.news%2F7176.html&#038;title=%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C%C2%A0%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%95%C2%A0%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8%C2%A0%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF%C2%A0%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE%C2%A0%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%C2%A0%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%81%C2%A0%E0%A6%93%C2%A0%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%81%C2%A0%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%A0" data-a2a-url="https://sonybangla.news/7176.html" data-a2a-title="কবিকুঞ্জ পদক পাচ্ছেন কবি গোলাম কিবরিয়া পিনু ও রবু শেঠ"></a></p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sonybangla.news/7176.html/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">7176</post-id>	</item>
		<item>
		<title>নার্সিসিস্টিক পার্সোনালিটি ডিসঅর্ডার একটি রোগ</title>
		<link>https://sonybangla.news/3184.html</link>
					<comments>https://sonybangla.news/3184.html#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[সনি নিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 30 Nov 2022 18:36:49 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<category><![CDATA[নার্সিসিস্টিক পার্সোনালিটি ডিসঅর্ডার একটি রোগ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sonybangla.news/?p=3184</guid>

					<description><![CDATA[অনলাইন ডেস্কঃ এটা বড় ধরনের এক প্রকার মানসিক রোগ যেখানে রোগী নিজেকে অত্যাধিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি মনে করেন, প্রচুর মনোযোগ ও প্রশংসার দাবি করেন এবং তাদের মধ্যে থাকে সমস্যাসঙ্কুল সম্পর্ক ও সহমর্মিতার দারুন অভাব।নার্সিসিস্টিক পার্সোনালিটি ডিজঅর্ডার এর রোগীদের জীবনের বিভিন্ন দিকে সমস্যা থাকে।সাধারণ উপসর্গগুলো নিম্নরূপ: ১. নিজের ব্যাপারে অস্বাভাবিক রকমের উঁচু ধারণা। ২. সব সময় নিজের&#8230; <a class="more-link" href="https://sonybangla.news/3184.html">Continue reading <span class="screen-reader-text">নার্সিসিস্টিক পার্সোনালিটি ডিসঅর্ডার একটি রোগ</span></a>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="padding-left: 40px;"><strong>অনলাইন ডেস্কঃ </strong>এটা বড় ধরনের এক প্রকার মানসিক রোগ যেখানে রোগী নিজেকে অত্যাধিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি মনে করেন, প্রচুর মনোযোগ ও প্রশংসার দাবি করেন এবং তাদের মধ্যে থাকে সমস্যাসঙ্কুল সম্পর্ক ও সহমর্মিতার দারুন অভাব।নার্সিসিস্টিক পার্সোনালিটি ডিজঅর্ডার এর রোগীদের জীবনের বিভিন্ন দিকে সমস্যা থাকে।সাধারণ উপসর্গগুলো নিম্নরূপ:</p>
<p>১. নিজের ব্যাপারে অস্বাভাবিক রকমের উঁচু ধারণা।<br />
২. সব সময় নিজের প্রশংসা ও স্তুতি শুনতে পছন্দ করে<br />
৩. তেমন কোন অর্জন ব্যতিরেকেই অধিক স্বীকৃতির প্রত্যাশা করে।<br />
৪. অতিরঞ্জিত প্রাপ্তি প্রত্যাশী ও সীমাহীন বুদ্ধিমত্তার দাবিদার।<br />
৫. নিজেকে উঁচু পর্যায়ের মানুষ দাবি করেন এবং সম পর্যায়ের মানুষরাই কেবল তাঁর সান্নিধ্যে আসতে পারেন বলে বিশ্বাস করেন।<br />
৬. একই রকমের বিরক্তিকর আলোচনায় অভ্যস্ত এবং যাদের নিচু হবেন তাদের হেয় প্রতিপন্ন করতে ছাড়েন না<br />
৭. সব সময় আলাদা খ্যাতি পছন্দ করে এবং প্রশ্নাতীত সার্থকতা প্রত্যাশা করেন।<br />
৮. যা চান অন্যের কাছ থেকে সে সুযোগটুকু কেড়ে নেন<br />
৯. অন্যের প্রয়োজন ও অনুভূতিকে পাত্তা দিতে চান না<br />
১০. অন্যদের সাথে উদ্ধত আচরণ করেন, অভিনয়ের আশ্রয় নেন।<br />
১১. সবকিছুতেই শ্রেষ্ঠ প্রমাণ করার অদম্য আগ্রহ।</p>
<p>এই সমস্ত রোগীরা এটাকে রোগ মনে করে না বিধায় চিকিৎসার অধীনে যেতে চায় না।</p>
<p>যেহেতু তাদের চিকিৎসা না করালে ব্যক্তির নিজের, পরিবারের ও সমাজের যথেষ্ট অনিষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে তাই জোর করে হলেও তাদের চিকিৎসার আওতায় আনা উচিত।</p>
<p><strong>সানি বাংলা ডট কম/ ই আবি</strong></p>
<p><a class="a2a_button_facebook" href="https://www.addtoany.com/add_to/facebook?linkurl=https%3A%2F%2Fsonybangla.news%2F3184.html&amp;linkname=%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%95%20%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BF%20%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%85%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BF%20%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%97" title="Facebook" rel="nofollow noopener" target="_blank"></a><a class="a2a_button_twitter" href="https://www.addtoany.com/add_to/twitter?linkurl=https%3A%2F%2Fsonybangla.news%2F3184.html&amp;linkname=%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%95%20%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BF%20%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%85%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BF%20%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%97" title="Twitter" rel="nofollow noopener" target="_blank"></a><a class="a2a_button_email" href="https://www.addtoany.com/add_to/email?linkurl=https%3A%2F%2Fsonybangla.news%2F3184.html&amp;linkname=%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%95%20%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BF%20%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%85%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BF%20%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%97" title="Email" rel="nofollow noopener" target="_blank"></a><a class="a2a_dd addtoany_share_save addtoany_share" href="https://www.addtoany.com/share#url=https%3A%2F%2Fsonybangla.news%2F3184.html&#038;title=%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%95%20%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BF%20%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%85%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BF%20%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%97" data-a2a-url="https://sonybangla.news/3184.html" data-a2a-title="নার্সিসিস্টিক পার্সোনালিটি ডিসঅর্ডার একটি রোগ"></a></p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sonybangla.news/3184.html/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">3184</post-id>	</item>
		<item>
		<title>সড়কে প্রাণ গেল গীতিকার-সাংবাদিক বিশালের</title>
		<link>https://sonybangla.news/2842.html</link>
					<comments>https://sonybangla.news/2842.html#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[সনি নিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 07 Nov 2022 11:37:43 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ঢাকা]]></category>
		<category><![CDATA[দেশের খবর]]></category>
		<category><![CDATA[সংস্কৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<category><![CDATA[সড়কে প্রাণ গেল গীতিকার-সাংবাদিক বিশালের]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sonybangla.news/?p=2842</guid>

					<description><![CDATA[অনলাইন ডেস্ক: তরুণ গীতিকবি ও সাংবাদিক ওমর ফারুক বিশাল মারাত্মক সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে মারা গেছেন। সোমবার (৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিক নিজ শহর নরসিংদী থেকে মোটরসাইকেলে করে ঢাকায় ফেরার পথে তার বাইকটিকে একটি কাভার্ড ভ্যান চাপা দিলে এই দুর্ঘটনা ঘটে। তার বয়স হয়েছিল ৩২ বছর। ওমর ফারুক বিশালের মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন তার&#8230; <a class="more-link" href="https://sonybangla.news/2842.html">Continue reading <span class="screen-reader-text">সড়কে প্রাণ গেল গীতিকার-সাংবাদিক বিশালের</span></a>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> তরুণ গীতিকবি ও সাংবাদিক ওমর ফারুক বিশাল মারাত্মক সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে মারা গেছেন। সোমবার (৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিক নিজ শহর নরসিংদী থেকে মোটরসাইকেলে করে ঢাকায় ফেরার পথে তার বাইকটিকে একটি কাভার্ড ভ্যান চাপা দিলে এই দুর্ঘটনা ঘটে। তার বয়স হয়েছিল ৩২ বছর।</p>
<p style="text-align: justify;">ওমর ফারুক বিশালের মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন তার চাচাতো ভাই মামুন।</p>
<p style="text-align: justify;">মামুন জানান, ‘এক বন্ধুর মোটরসাইকেলে করে সকালে ঢাকায় রওয়ানা দেন বিশাল। মোটরসাইকেলের পেছনে বসে ছিলেন তিনি। আমাদের বাড়ি থেকে এক কিলোমিটার দূরে মরজাল বাস স্ট্যান্ডের পাশে তাদের মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয় উল্টো দিক থেকে আসা একটি কাভার্ড ভ্যান। সেখানেই প্রাণ হারান বিশাল। তার বন্ধুকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে।’</p>
<p style="text-align: justify;">নরসিংদীর ভৈরব হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক বলেন, ‘নিহতের লাশ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় কাভার্ড ভ্যানটি আটক করা হয়েছে। তবে চালক পলাতক রয়েছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।’</p>
<p style="text-align: justify;">কয়েক বছর ধরে গান লিখছিলেন ওমর ফারুক বিশাল। ওপার বাংলার জনপ্রিয় শিল্পী শ্রীকান্ত আচার্য, অনুপম রায়, বাংলাদেশের তাহসান, মিনার, এফ এ সুমন, জয় শাহরিয়ার, সাব্বির নাসির, পারভেজ সাজ্জাদ, তানজীব সারোয়ার, প্রত্যয় খানসহ আরও অনেকেই তার লেখা গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। বিশালের কথায় সাব্বির নাসিরের গাওয়া ‘আমারে দিয়া দিলাম তোমাকে’, ‘দমে দমে’, ‘আধা’ গানগুলো জনপ্রিয়তা পায়।</p>
<p style="text-align: justify;">গান লেখার পাশাপাশি সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন ওমর ফারুক বিশাল। সবশেষ নিউজজি২৪.কম-এ কর্মরত ছিলেন তিনি। এর আগে কাজ করেছেন বাংলা নিউজ, সমকাল ও যায় যায় দিনে। বিশালের অকাল প্রয়াণে শোক জানিয়েছে ‘গীতিকবি সংঘ বাংলাদেশ’। শোক জানাচ্ছেন আরও অনেকে।</p>
<p style="text-align: justify;">সোমবার বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে নরসিংদীর দুকন্ধি গামের নিজ বাড়িতে বিশালের জানাজা অনুষ্টিত হবে। এরপর পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><em>সনি বাংলা ডট কম/ইআবি</em></strong></p>
<p><a class="a2a_button_facebook" href="https://www.addtoany.com/add_to/facebook?linkurl=https%3A%2F%2Fsonybangla.news%2F2842.html&amp;linkname=%E0%A6%B8%E0%A7%9C%E0%A6%95%E0%A7%87%20%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A3%20%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B2%20%E0%A6%97%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%95%20%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0" title="Facebook" rel="nofollow noopener" target="_blank"></a><a class="a2a_button_twitter" href="https://www.addtoany.com/add_to/twitter?linkurl=https%3A%2F%2Fsonybangla.news%2F2842.html&amp;linkname=%E0%A6%B8%E0%A7%9C%E0%A6%95%E0%A7%87%20%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A3%20%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B2%20%E0%A6%97%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%95%20%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0" title="Twitter" rel="nofollow noopener" target="_blank"></a><a class="a2a_button_email" href="https://www.addtoany.com/add_to/email?linkurl=https%3A%2F%2Fsonybangla.news%2F2842.html&amp;linkname=%E0%A6%B8%E0%A7%9C%E0%A6%95%E0%A7%87%20%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A3%20%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B2%20%E0%A6%97%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%95%20%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0" title="Email" rel="nofollow noopener" target="_blank"></a><a class="a2a_dd addtoany_share_save addtoany_share" href="https://www.addtoany.com/share#url=https%3A%2F%2Fsonybangla.news%2F2842.html&#038;title=%E0%A6%B8%E0%A7%9C%E0%A6%95%E0%A7%87%20%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A3%20%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B2%20%E0%A6%97%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%95%20%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0" data-a2a-url="https://sonybangla.news/2842.html" data-a2a-title="সড়কে প্রাণ গেল গীতিকার-সাংবাদিক বিশালের"></a></p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sonybangla.news/2842.html/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">2842</post-id>	</item>
		<item>
		<title>দিবানিশি: আলো-অন্ধকারের জীবনালেখ্য</title>
		<link>https://sonybangla.news/1438.html</link>
					<comments>https://sonybangla.news/1438.html#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[sonynews]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 25 Sep 2022 15:25:55 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sonybangla.news/?p=1438</guid>

					<description><![CDATA[আমাদের চারপাশে মুগ্ধ হওয়ার কতশত গল্প আছে, কত যে মমতার গল্প আছে, ইতিবাচক জীবনের গল্প আছে—আমরা ক’টা গল্পের খোঁজ রাখি? আমরা বিপুল কৌতূহল নিয়ে খোঁজ করি ভালোবাসাহীন কুৎসিত সব গল্পের। লেখক আবদুল্লাহ আল ইমরান তার কলমের নিপুণ আঁচড়ে তুলে ধরেছেন সেসব মায়া-মমতার, ভালোবাসার গল্প; যা আমরা দেখেও না দেখার ভান করে থাকি। কিংবা এড়িয়ে যাই।&#8230; <a class="more-link" href="https://sonybangla.news/1438.html">Continue reading <span class="screen-reader-text">দিবানিশি: আলো-অন্ধকারের জীবনালেখ্য</span></a>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>আমাদের চারপাশে মুগ্ধ হওয়ার কতশত গল্প আছে, কত যে মমতার গল্প আছে, ইতিবাচক জীবনের গল্প আছে—আমরা ক’টা গল্পের খোঁজ রাখি? আমরা বিপুল কৌতূহল নিয়ে খোঁজ করি ভালোবাসাহীন কুৎসিত সব গল্পের। লেখক আবদুল্লাহ আল ইমরান তার কলমের নিপুণ আঁচড়ে তুলে ধরেছেন সেসব মায়া-মমতার, ভালোবাসার গল্প; যা আমরা দেখেও না দেখার ভান করে থাকি। কিংবা এড়িয়ে যাই। আমাদের চোখে ধরাই পড়ে না।</p>
<p>অল্পবয়সে মা-হারা মেয়ে নূরী। মেলায় ঘোড়দৌড় দেখতে গিয়ে ঘটনাচক্রে শাহজালালের প্রেমে পড়ে। গভীর প্রেম হয় দু’জনের মাঝে। কিন্তু বাস্তবতা বড় নিষ্ঠুর! সহায়-সম্বলহীন শাহজালালের কাছে মেয়ে বিয়ে দেয় না নূরীর বাবা। তার বিয়ে হয়ে যায় প্রবাসী এক ছেলের সঙ্গে। রাগে, দুঃখে পাগল হয়ে যায় প্রেমিক শাহজালাল। তাকে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। নূরী কি ভুলে যায় তার পাগল প্রেমিকের কথা? কতটুকু সুখী হতে পারে সে?</p>
<p>চানপুরার হাটে-ঘাটে একটি কথা বহুদিন ধরেই প্রচলিত, গাঁয়ের হিন্দুদের মন্দিরের নিচে নাকি রত্নভরা কলস পোতা আছে। হঠাৎই একদিন মন্দিরের মালিক কৃষ্ণ কোনো এক কারণবশত দেশ ছেড়ে কলকাতায় পাড়ি জমায়। যাওয়ার আগে ভিটেমাটি বিক্রি করে যায় আশ্বাব তালুকদারের কাছে। তবে বিক্রি করেনি কেবল মন্দিরের জায়গাটুকু।</p>
<p>যাওয়ার সময় বলে যায়, ‘মন্দিরের যেন কোন অমর্যাদা করা না হয়।’ কোন অমর্যাদা হবে না বলে কৃষ্ণকে আশ্বাস দেয় আশ্বাব তালুকদার। কিন্তু তার দুই ছেলে রত্নের লোভে মন্দিরের আশেপাশে মাটি খোড়ে। রত্নভরা কলস না পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে মন্দির ভাঙচুর করে। কথিত মনসা দেবীর অভিশাপ নেমে আসে তাদের ওপর।</p>
<p>বাবা-মা মারা যাওয়ার পর মতলেব আর তার স্ত্রীকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয় বড়ভাই সোহরাব। শুরু হয় তাদের নতুন জীবন। এই জীবনে তারা মাটিতে পলিথিন বিছিয়ে ঘুমাতে শেখে। এক কাপড় পরে কাটিয়ে দিলো দিনের পর দিন। কখনো কখনো না খেয়েও থাকতে হলো তাদের। হাজারো স্বপ্নভঙ্গ হলো মতলেবের স্ত্রী রাবেয়ার। কিন্তু একটি স্বপ্নকে কিছুতেই হারাতে দিলো না সে, একটি উঁচু দোচালা ঘরের স্বপ্ন। অনেক বছর পর তার এই স্বপ্ন পূরণ হলো।</p>
<p>আমরা খুব সহজেই যে কোনো মানুষ সম্পর্কে সিদ্ধান্তে পৌঁছে যাই। না জেনে, না শুনে কঠিন সব মন্তব্য করে বসি। কিন্তু সবার বাস্তবতা কি এক? অস্বাভাবিক নির্দয় আচরণের খোলসে কেউ কেউ তো জীবনের নানা সীমাবদ্ধতা আড়াল করে, আড়াল করে লাল নীল বেদনাও। আমরা তার কতটুকু বুঝি? এই বইয়ে লেখক তার প্রাঞ্জল ভাষায় বলে গেছেন সেসব গল্প।</p>
<p>বইটি পড়তে গিয়ে কখনো ভেতরে জেগে ওঠে তীব্র হাহাকার। কখনোবা দু’চোখ ঝাপসা হয়ে আসে। আশা করি উপন্যাসটি সবার ভালো লাগবে। আমি বইটির বহুল পাঠ ও প্রচার কামনা করছি।</p>
<p><strong>বইয়ের নাম:</strong> দিবানিশি<br />
ধরন: উপন্যাস<br />
প্রচ্ছদ: সানজিদা আবদুল্লাহ<br />
প্রকাশনী: অন্বেষা<br />
মূল্য: ৩০০ টাকা</p>
<p><a class="a2a_button_facebook" href="https://www.addtoany.com/add_to/facebook?linkurl=https%3A%2F%2Fsonybangla.news%2F1438.html&amp;linkname=%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A6%BF%3A%20%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A7%8B-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A7%8D%E0%A6%AF" title="Facebook" rel="nofollow noopener" target="_blank"></a><a class="a2a_button_twitter" href="https://www.addtoany.com/add_to/twitter?linkurl=https%3A%2F%2Fsonybangla.news%2F1438.html&amp;linkname=%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A6%BF%3A%20%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A7%8B-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A7%8D%E0%A6%AF" title="Twitter" rel="nofollow noopener" target="_blank"></a><a class="a2a_button_email" href="https://www.addtoany.com/add_to/email?linkurl=https%3A%2F%2Fsonybangla.news%2F1438.html&amp;linkname=%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A6%BF%3A%20%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A7%8B-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A7%8D%E0%A6%AF" title="Email" rel="nofollow noopener" target="_blank"></a><a class="a2a_dd addtoany_share_save addtoany_share" href="https://www.addtoany.com/share#url=https%3A%2F%2Fsonybangla.news%2F1438.html&#038;title=%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A6%BF%3A%20%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A7%8B-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A7%8D%E0%A6%AF" data-a2a-url="https://sonybangla.news/1438.html" data-a2a-title="দিবানিশি: আলো-অন্ধকারের জীবনালেখ্য"></a></p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sonybangla.news/1438.html/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">1438</post-id>	</item>
		<item>
		<title>রবীন্দ্রনাথের রাজনৈতিক দর্শনের সীমানা: শেষ পর্ব</title>
		<link>https://sonybangla.news/408.html</link>
					<comments>https://sonybangla.news/408.html#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[sonynews]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 13 Sep 2022 12:50:37 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sonybangla.news/demo/?p=408</guid>

					<description><![CDATA[অতি তরুণ বয়স থেকেই রবীন্দ্র ভাবনায় স্বদেশ চেতনা জাগে। বাংলা ১২৭৩ এর চৈত্র সংক্রান্তিতে রবীন্দ্র পরিবারের নেতৃত্বে হিন্দুমেলা বলে একটা মেলার আয়োজন করা হয়। ওই মেলায় রবীন্দ্রনাথের দাদা গান লিখলেন, “মিলে সবে ভারত সন্তান”। এই মেলায় দেশাত্মবোধক গান, স্তবগান, ব্যয়াম পদ্ধতি ইত্যাদির অয়োজন করা হয়। ওই সময় কিশোর রবীন্দ্রনাথ স্বদেশ নিয়ে ইংরেজদের বিরুদ্ধে লিখলেন ১৮৭৭&#8230; <a class="more-link" href="https://sonybangla.news/408.html">Continue reading <span class="screen-reader-text">রবীন্দ্রনাথের রাজনৈতিক দর্শনের সীমানা: শেষ পর্ব</span></a>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>অতি তরুণ বয়স থেকেই রবীন্দ্র ভাবনায় স্বদেশ চেতনা জাগে। বাংলা ১২৭৩ এর চৈত্র সংক্রান্তিতে রবীন্দ্র পরিবারের নেতৃত্বে হিন্দুমেলা বলে একটা মেলার আয়োজন করা হয়। ওই মেলায় রবীন্দ্রনাথের দাদা গান লিখলেন, “মিলে সবে ভারত সন্তান”। এই মেলায় দেশাত্মবোধক গান, স্তবগান, ব্যয়াম পদ্ধতি ইত্যাদির অয়োজন করা হয়। ওই সময় কিশোর রবীন্দ্রনাথ স্বদেশ নিয়ে ইংরেজদের বিরুদ্ধে লিখলেন ১৮৭৭ সালে। এ ছাড়া তিনি আরও লিখলেন ‘হিন্দুমেলায় উপহার’। হিন্দুমেলার নেপথ্যে ছিলেন রাজনারায়ণ বসু। (রাজনারায়ণ বসু (১৮২৬-১৮৯৯) ছিলেন প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও ভারতীয় জাতীয়তাবাদী। ব্রাহ্মধর্মের অনুসারী রাজনারায়ণ মাইকেলের মেঘনাদবধ কাব্য ইংরেজিতে অনুবাদ করেন। রাজনারায়ণ বসু বিধবা বিবাহের পক্ষে সমাজ সচেতনতায় অংশ নেন) কিন্তু একজন অখ্যাত তরুণের লেখা খুব বেশি ইংরেজ-প্রতিক্রিয়া আসেনি। তাঁর নিজের কথায়, “টাইমস পত্রেও কোনো পত্র লেখক এই বালকের ধৃষ্টতার প্রতি শাসনকর্তাদের ওদাসীন্যের উল্লেখ করিয়া ব্রিটিশ রাজত্বের সাহিত্য সম্বন্ধে গভীর নৈরাশ্য প্রকাশ করিয়া অত্যুষ্ণ দীর্ঘ নিঃশ্বাস প্রকাশ করেন নাই”। (জীবন স্মৃতি, ৯ম, ৪৯৭)।</p>
<p>১৮৮৩ লেখা প্রভাত উৎসবের মধ্য দিয়ে রবীন্দ্রনাথের সমাজ জীবনের আত্মপ্রকাশ ঘটে। তখন তিনি সবে ২২। তিনি লিখলেন,<br />
হৃদয় আজি মোর কেমনে গেল খুলি,<br />
জগৎ আসি সেথা করিছে কোলাকুলি<br />
প্রভাত হল যেই কী জানি হল একি<br />
আকাশ-পানে চাই কী জানি কারে দেখি।।<br />
&#8230; &#8230; &#8230;<br />
ওঠো হে ওঠো রবি, আমারে তুলে লও<br />
অরুণতরী তব পুরবে ছেড়ে দাও।<br />
আকাশ পারাবারে বুঝি হে পার হবে—<br />
আমারে লও তবে, আমারে লও তবে।।<br />
জীবনস্মৃতিতে তিনি এর একটা ব্যাখ্যা দিচ্ছেন। তিনি লিখেছেন, “সামান্য কিছু কাজ করিবার সময়ে মানুষের অঙ্গে প্রত্যঙ্গে যে-গতিবৈচিত্র প্রকাশিত হয় তাহা আগে কখনো লক্ষ্য করিয়া দেখি নাই—এখন মুহূর্তে মুহূর্তে সমস্ত মানবদেহের চলনের সঙ্গীত আমাকে মুগ্ধ করিল। এ-সমস্তকে আমি স্বতন্ত্র করিয়া দেখিতাম না, একটা সমষ্টিকে দেখিতাম। এই মুহূর্তেই পৃথিবীর সর্বত্রই নানা লোকালয়ে, নানা কাজে, নানা আবশ্যকে কোটি কোটি মানব চঞ্চল হইয়া উঠিতেছে- সেই ধরণীব্যাপী সমগ্র মানবের দেহ চাঞ্চল্যকে সুবৃহৎভাবে এক করিয়া দেখিয়া আমি একটি মহাসৌন্দর্যনৃত্যের আভাস পাইতাম”। (জীবনস্মৃতি, ৯ম, ৫৩১)।</p>
<p>১৮৯০ সালের পর রবীন্দ্রনাথ প্রায়ই উত্তর বাংলায় জমিদারি দেখাশোনার কাজে আসতেন। তিনি কটকেও যেতেন একই কাজে। এসময়ের রাজশাহীর বেঙ্গল ডিসট্রিক্ট গেজেট থেকে জানা যায়, সেখানকার জমিদারির কাজের সাথে সাথে শিক্ষা প্রসারে দারুণ এক ভূমিকা রাখেন তিনি। বাৎসরিক ১২৫০ টাকা অনুদান দেওয়ার সাথে সাথে দুস্থ ও অন্ধদের জন্য তিনি ২৫০ টাকা করে দিতেন। ওই সময়ে তিনি একটা কৃষি ব্যাংক স্থাপন করে দরিদ্র মানুষকে ঋণের ব্যবস্থা করতেন। কবির বন্ধুদের কাছ থেকে মূলত টাকা সংগ্রহ করে তিনি এই ব্যাংক চালাতেন। ব্যাংকের মূলধন থেকে প্রায় ৯০ হাজার টাকা ঋণ বিতরণ করা হতো। (The Political Philosophy of Tagore, p.6.)। জমিদারির সুবাদে পূর্ববাংলার অতি সাধারণ মানুষের সাথে তাঁর যোগাযোগ ও তাদের জানার সুযোগ তৈরি হয়। “স্ত্রী-মজুর” নামে ওই সময়ে লেখা তাঁর এক ছোট্ট প্রবন্ধ ভীষণ সাড়া ফেলে। তিনি লিখছেন, “&#8230;স্ত্রীলোক এবং বালকও প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের সহিত দলে দলে মজুরী কার্যে প্রবৃত্ত হইতেছে। কিন্তু কেবল কলের কাজ দেখিলেই চলিবে না, সমাজের উপরেও উহার ফলাফল আছে”। (স্ত্রী-মজুর, ১৭ খণ্ড, ৭৩৭ )। অনেকেই মনে করেন, সাধারণ মানুষের প্রতি তাঁর এই চেতনা, ভাগোন্নয়নে সাহায্যের প্রচেষ্টাতেই তিনি অন্যান্যদের থেকে আলাদা। চিত্রা কাব্যে ১৮৯৪ সালে লেখা তাঁর সাড়া জাগানো কবিতা ‘এবার ফিরাও মোরে’ রবীন্দ্র চিন্তার এক নতুন প্যারাডাইম। তিনি লিখছেন,<br />
ওরে, তুই ওঠ আজি।<br />
আগুন লেগেছে কোথা! কার শঙ্খ উঠিয়াছে বাজি<br />
জাগাতে জগত-জনে! কোথা হতে ধ্বনিছে ক্রন্দনে<br />
শূন্যতল! কোন অন্ধ কারা-মাঝে জর্জর বন্ধনে<br />
অনাথিনী মাগিছে সহায়!<br />
&#8230; &#8230;<br />
কী গাহিবে, কী শুনাবে! বলো, মিথ্যা আপনার সুখ<br />
মিথ্যা আপনার দুঃখ। স্বার্থমগ্ন যেজন বিমুখ<br />
বৃহৎ জগত হতে, সে কখনো শেখে নি বাঁচিতে।<br />
মহাজীবনের তরঙ্গেতে নাচিতে নাচিতে<br />
নির্ভয়ে ছুটিতে হবে সত্যেরে করিয়া ধ্রুব তারা।</p>
<p>রবীন্দ্রনাথ গভীরভাবে উপলব্ধি করেছেন অন্তরের একান্তে ব্যক্তির মাঝে যে মুক্ত চেতনা লুকিয়ে থাকে এবং তা যখন বিশ্বযোগের দিকে ধাবিত হয় সেটাই দর্শন। আর রাজনৈতিক দর্শন হচ্ছে সেগুলোকে শুধু উপলব্ধি করাই নয় সেই উপলব্ধ চেতনা যখন সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় যন্ত্রে প্রয়োগ করা হয় সেটা। কাজেই সুনির্দিষ্ট আধ্যাত্মবোধের মধ্য দিয়ে নিজের কর্ম ও চিন্তার মাধ্যমে সহজাত শক্তি প্রকাশ করার ভেতর সে তার অর্থ খুঁজে পায়। প্রতিটি মানুষের আছে অসম্ভব এক ব্যক্তি শক্তি, আছে নিজস্বতা আছে নিজস্ব মূল্য। ভাববাদ ও বস্তুবাদের ভেতর যে অনতিক্রম্য দেওয়াল আছে সেটা কিন্তু রবীন্দ্র চিন্তায় অনেকটাই প্রশমিত হয়ে এসেছে। ভাববাদ যে একান্ত ব্যক্তিক চেতনার পরিস্ফুটন সেটা থেকে রবীন্দ্রনাথ মুক্ত হয়ে একজন ইউটিলিটারিইয়ান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। অর্থাৎ নিজেকে বৃহতের মাঝে সম্প্রসারণ ঘটিয়েছেন। যতটুকু একজন নিজেকে সম্প্রসারণ করতে পেরেছেন তিনি ততটুকুই সার্থক। এখানেই তাঁর রাজনৈতিক বিশেষত্ব। বৈপরীত্য বা সংঘাত হচ্ছে সামনে এগিয়ে যাওয়ার চাবিকাঠি। কিন্তু সমস্ত পরিবর্তনই উন্নয়ন নয় বলে তিনি মনে করতেন। কিন্তু যে পরিবর্তন উন্নয়নের পথে নিয়ে যায় তার মানদণ্ড ঠিক করা আবশ্যক। আর এই মানদণ্ডটা ঠিক করে দেয় মানুষের একান্ত ভাবাশ্রিত চৈতন্য। অর্থাৎ শরীর ও মনের মাঝে যখন একটা নিবিড় ঐক্য গড়ে ওঠে তখন এই বোধ সম্প্রসারিত হয়। এ ক্ষেত্রে রবীন্দ্র দর্শনের সাথে সমাজবাদী চিন্তার একটা ফারাক আছে বৈ কি। স্বাধীন, মুক্ত, নিজস্ব বিবেক ও আত্মশক্তি দিয়ে নিখিল বিশ্বকে বিবেচনায় আনতে রবীন্দ্রনাথ ছিলেন তৎপর, তাই তো তাঁর কাছে “ইন্ডিভিউজাল কনসাইন্স” ছিল সবার ওপরে। অনেকে মনে করেন মার্কসবাদী চিন্তার থেকে তিনি ছিলেন খুব আলাদা। (Political Philosophy of Tagore, 11)। কার্ল মার্কসের সামাজিক ও অর্থনৈতিক দর্শন যেখানে সমাজের ‘গ্রুপ রেশনালিটির’ ওপর ভর করে বিস্তৃত হয়েছে; রবীন্দ্রনাথের অর্থ-দর্শন সেখানে বিকশিত হতে চেয়েছে নিজের ঘর থেকে অর্থাৎ আপন গৃহই হচ্ছে বিকাশের আত্মশক্তি। এ ক্ষেত্রে মার্কসবাদী দর্শন থেকে সম্ভবত তাঁর চিন্তার দূরত্ব ছিল অনেক, যেমনটি লিখছেন শচিন সেন, “The ideals of social determinism, freedom as the recognition of necessity, morality as a class-morality, as propounded by Marxists, didn’t influence Tagore’s thought” (p. 22)। তবে এটা অস্বীকার করার উপায় নেই সমাজতান্ত্রিক রাশিয়া ভ্রমণকালে তাঁর যে অভিজ্ঞতা হয়েছিল সেটা কিন্তু প্রবল। তিনি লিখছেন, “রাশিয়ার সমস্ত দেশ-প্রদেশকে জাতি-উপজাতিকে সক্ষম ও শিক্ষিত করে গড়ে তোলবার জন্যে এতো বড়ো সর্বব্যাপী অসামান্য অক্লান্ত উদ্যোগ আমাদের মতো ব্রিটিশ সাবজেক্টের সুদূর কল্পনার অতীত। এতোটা দূর পর্যন্ত করে তোলা যে সম্ভব, এখানে আসার আগে কখনো আমি তা মনেও করতে পারিনি। কেননা, শিশুকাল থেকে আমরা যে ‘ল অ্যাণ্ড অর্ডার’ এর আবহাওয়ার মানুষ সেখানে এর কাছে পৌঁছাতে পারে এমন দৃষ্টান্ত দেখি নি”। (রাশিয়ার চিঠি, পৃ ৪২)।</p>
<p>একটা কথা সুস্পষ্ট যে, রবীন্দ্রচিন্তার মাঝে ব্যক্তিস্বতন্ত্রতা বা সাব্জেক্টিভিজম প্রবল প্রভাব লক্ষ্যণীয়। ব্যক্তি ও সমাজ- এই দ্বন্দ্ব চিরকালের। কে কার ওপর প্রভাব রাখে এই নিয়ে সমাজ দার্শনিকরা সাংঘাতিক ভাবে বিভক্ত। রবীন্দ্রনাথের অবস্থান চিরকালীন ভাববাদী দার্শনিকের দলে এবং অবশ্যই সেটা সামাজিক নিয়ন্ত্রণবাদের বিরুদ্ধে। এর বিশেষ কারণ হিসেবে ড. শচিন মনে করেন, রবীন্দ্রনাথের ওপর উপনিষদ, গৌতম বুদ্ধ, কবির, নানক, বৈষ্ণববাদ, বাউলমত ও ইউরোপের উদারতান্ত্রিক মুক্ত ও স্বাধীন চিন্তার সাংঘাতিক প্রভাব আছে। (প্রাগুক্ত, ১১)। ১৯১৩ সালে ‘সাধনা’য় কবি আত্মকথায় বলছেন, “লেখক (নিজে) এমন একটা পরিবারে বেড়ে উঠেছিল যেখানে উপনিষদ থেকে মন্ত্র উচ্চারণ ছিল প্রতিদিনের নিত্য ঘটনা”। তাঁর পিতা অত্যন্ত নিষ্ঠাবান হওয়ার সুবাদে জীবনের দীর্ঘ সময় ঈশ্বর উপাসনায় নিজেকে ব্যাপৃত করেছিলেন। তিনি বারবার স্বীকার করেছেন শৈশব থেকে বেড়ে ওঠা পরিবেশ তাঁকে শিখিয়েছে কীভাবে নিজের অসীম সম্ভাবনাকে বিশ্বভূমির সাথে একত্র করে তুলতে হয়; কীভাবে নিজের স্বাধীন কল্পনাকে সাহিত্যের গভীর অঙ্গনে প্রবেশ করাতে হয়, এবং সাথে সাথে স্বাধীন আত্মাকে বৃহৎ সামাজিক পরিবেশের সাথে সামঞ্জস্য করে গড়ে নিতে হয়। এখানেই তাঁর এক থেকে বহুর দিকে নির্গমন, একক থেকে বহুত্বের মাঝে নিজেকে প্রসারিত করার বিপুল উদ্যোগ। তিনি বাংলা ১৩৩৪ সালের ‘বৃহত্তর ভারত’ প্রবন্ধে বিষয়টা পরিষ্কার করেছেন, “বর্বরজাতীয় মানুষের প্রধান লক্ষণ এই যে, তার আত্মবোধ সংকীর্ণসীমাবদ্ধ। তার চৈতন্যের আলো উপস্থিত কাল ও বর্তমান অবস্থার ঘেরটুকুকেই আলোচিত করে রাখে বলে সে আপনাকে তার চেয়ে বড় ক্ষেত্রে জানে না। এই জন্যেই জ্ঞানে কর্মে সে দুর্বল। সংস্কৃত শ্লোকে বলেঃ যাদৃশী ভাবনা যস্য সিদ্ধির্ভবতি তাদৃশী”। অর্থাৎ ভাবনাই হচ্ছে সাধনার সৃষ্টিশক্তির মূলে। নিজের সম্বন্ধে, নিজের দেশ সম্বন্ধে বড় করে ভাবনা করবার দরকার আছে, নইলে কর্মে জোর পৌঁছয় না এবং অতি ক্ষীণ আশা ও অতি ক্ষুদ্র সিদ্ধি নিয়ে অকৃতকার্য হতে হয়। নিজের কাছে নিজের পরিচয়টাকে বড় করবার চেষ্টাই সভ্যজাতির ইতিহাসগত চেষ্টা। নিজের পরিচয়কে সংকীর্ণ দেশকালের ভূমিকা থেকে মুক্তিদানই হচ্ছে এই চেষ্টার লক্ষ্য”। (বৃহত্তর ভারত, কালান্তর, ১২তম খণ্ড, ৬৫১)</p>
<p><strong>ভারতবর্ষের ইতিহাসের ধারা</strong><br />
ভারতবর্ষের ইতিহাসের ধারা পর্যালোচনা ছিল রবীন্দ্রনাথের বেশ আগ্রহের বিষয়। ঠিক এই শিরোনামে বাংলা ১৩১৮ সালে তিনি একটা প্রবন্ধ লেখেন। ভারতবর্ষ তথা বিশ্ব ইতিহাসের মূল সুরটা হচ্ছে দ্বন্দ্ব। আমাদের অলক্ষ্যে প্রতিমুহূর্তে সৃষ্টি ও ধ্বংসের লীলা চলছে, চলছে ভাঙা ও গড়ার নিয়ত আয়োজন। তাঁর কথায়, “কালের সেকেন্ডের কাঁটাকে দেখিতে পাইতাম তবে দেখিতাম বিশ্ব নিমিষে নিমিষে থামিতেছে ও চলিতেছে—তাহার একটানা তানের মধ্যে পলকে পলকে লয় পড়িতেছে। সৃষ্টির দ্বন্দ্বদোলকটির একপ্রান্তে হ্যাঁ অন্য প্রান্তে না&#8230;”। (ভারতবর্ষের ইতিহাসের ধারা, পরিচয়, ৯ম খণ্ড, ৬২৭)। প্রাচীন ভারতবর্ষের মাঝে অনার্য ও আর্যের মধ্যে যে বিরোধ দেখা দেয়, সেখান থেকেই সম্ভবত ভারতবর্ষের যাত্রাপথ প্রশস্ত হতে শুরু করে। কিন্তু শুধু দ্বন্দ্ব তো ইতিহাসের সীমান্ত রেখা হতে পারে না। বিশ্বছন্দ তত্ত্বের নিয়ম তো আছেই যেখানে ঘটে থাকে আত্মপ্রসারণ ও মিলনের সন্ধিক্ষণ। অনার্য ও আর্যের মাঝে বিরোধ ও যোগবন্ধনের মধ্যে দিয়ে প্রাথমিক ইতিহাসের সূত্রপাত ঘটে। আদর্শিক তথা ভাবগত দ্বন্দ্বের মধ্য দিয়ে ভারতীয় ইতিহাসের এই গতি বড্ড সর্পিল। এই বিতর্ক অর্থাৎ যুক্তি ও পাল্টা যুক্তির মাধ্যমে ইতিহাসের গতিপথ নির্ধারিত হয়েছে। অমর্ত্য সেন চমৎকারভাবে ইতিহাসের এই গতিধারাকে বিশ্লেষণ করেছেন তাঁর ‘তর্কপ্রিয় ভারতীয়’ গ্রন্থে। তিনি লিখছেন, “মতভিন্নতাকে ভারতের স্বাভাবিক একটি ব্যাপার করে তুলতে এটি সাহায্য করেছে। বিতর্ক চালিয়ে যাবার নিরন্তর অনুশীলন আমাদের গণজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ”। (অমর্ত্য সেন, তর্কপ্রিয় ভারতীয়, আনন্দ পাবলিশার্স, কলকাতা, পৃ ১০-১১)। ভারতীয় মহাকাব্যগুলো ইতিহাসের এই উপাদানগুলোকে ভাবগতভাবে ধারণ করেছে। পক্ষ ও বিপক্ষ দল তৈরি করে বুঝিয়ে দিয়েছে ভারতবর্ষ এই হার না মানা যুদ্ধে সংঘাত ও মিলনের এই আশ্চর্য মহানিকেতন! ধর্মশংকর ও বর্ণশংকর জাতি হিসেবে ভারতবর্ষের সুনাম ও দুর্নাম রয়েছে। এখানে যেমন জাতি বৈরিতা আছে; তেমনি আছে এই বৈরিতার মাঝে মিলনের সূত্র। রবীন্দ্রনাথ সেজন্য তাঁর Nationalism in India শুরু করেছেন এই বলে যে, “Our real problem in India is not political. It is social”। পশ্চিম দেশের মানুষের যেমন নৃতাত্ত্বিক ঐক্য আছে, আছে ভাষা ও সংস্কৃতির অভূতপূর্ব সাযুজ্য, ভারতবর্ষে ঠিক এর উল্টো। পশ্চিমে মানুষের মাঝে নেই অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, নেই বিশেষ একটা শ্রেণি বৈরি মনোভাব কিন্তু ভারতবর্ষে আশ্চর্যরকম বিভাজনের ফলে সৃষ্টি হয়েছে গোত্র বিদ্বেষ, শ্রেণি সংঘাত আর বর্ণ উৎপাত। কাজেই একটা বিরাট সংহতির জন্য এই দেশে দরকার পড়েছে ঐক্যের, প্রয়োজন হয়েছে বিরোধের মাঝে মিলনের। একটা কথা পরিষ্কার, প্রতিটা মানুষের অবস্থান যেহেতু আলাদা, চাওয়া-পাওয়া যেহেতু ভিন্ন, মত-নৈতিকতা যেহেতু বৈচিত্র্যময় অবস্থান–সেকারণে একটা সাধারণ ঐক্যের কাছে সবাইকে আসতেই হবে। কারণ ব্যক্তির ছোট্ট সীমানার মাঝে মুক্তি নেই; আছে বৃহৎ ঐক্যের সার্থকতা। তাঁর নিজের কথায়, “Each individual has his self-love. Therefore, his brute instinct leads him to fight with others in the sole pursuit of his self-interest. But man has also his higher instincts of sympthay and mutual help”। (Nationalism, p. 87)। কাজেই মানুষের মাঝে মানবতার টানে বিরাট ঐক্য ও হৃদয় বৃত্তির সম্প্রসারণ ভারতবর্ষের বিশেষ লক্ষ্য।</p>
<p><a class="a2a_button_facebook" href="https://www.addtoany.com/add_to/facebook?linkurl=https%3A%2F%2Fsonybangla.news%2F408.html&amp;linkname=%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%88%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%20%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B6%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%B8%E0%A7%80%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE%3A%20%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B7%20%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC" title="Facebook" rel="nofollow noopener" target="_blank"></a><a class="a2a_button_twitter" href="https://www.addtoany.com/add_to/twitter?linkurl=https%3A%2F%2Fsonybangla.news%2F408.html&amp;linkname=%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%88%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%20%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B6%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%B8%E0%A7%80%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE%3A%20%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B7%20%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC" title="Twitter" rel="nofollow noopener" target="_blank"></a><a class="a2a_button_email" href="https://www.addtoany.com/add_to/email?linkurl=https%3A%2F%2Fsonybangla.news%2F408.html&amp;linkname=%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%88%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%20%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B6%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%B8%E0%A7%80%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE%3A%20%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B7%20%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC" title="Email" rel="nofollow noopener" target="_blank"></a><a class="a2a_dd addtoany_share_save addtoany_share" href="https://www.addtoany.com/share#url=https%3A%2F%2Fsonybangla.news%2F408.html&#038;title=%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%88%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%20%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B6%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%B8%E0%A7%80%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE%3A%20%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B7%20%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC" data-a2a-url="https://sonybangla.news/408.html" data-a2a-title="রবীন্দ্রনাথের রাজনৈতিক দর্শনের সীমানা: শেষ পর্ব"></a></p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sonybangla.news/408.html/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">408</post-id>	</item>
		<item>
		<title>রবীন্দ্রনাথের রাজনৈতিক দর্শনের সীমানা</title>
		<link>https://sonybangla.news/405.html</link>
					<comments>https://sonybangla.news/405.html#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[sonynews]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 13 Sep 2022 12:48:48 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sonybangla.news/demo/?p=405</guid>

					<description><![CDATA[রবীন্দ্রনাথের জাতীয়তাবাদী চিন্তার সামগ্রিক চিত্র উদ্ঘাটন করতে বিচ্ছিন্নভাবে তাঁকে বুঝলে চলবে না। তাঁর চিন্তা যে সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠেছে তাকে ধাপে ধাপে অনুসরণ না করলে এক ধরনের ‘স্পষ্ট ভুল’ হবে যেটাকে গিলবার্ট রাইলের ভাষায় বলা হয় ক্যাটাগরিক্যাল মিস্টেক। অনেকেই সেটা করেছেন, এমনকি রবীন্দ্র জীবদ্দশায়ও; সে কথায় আসছি একটু পরে। অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী লিখছেন, “রবীন্দ্রনাথ&#8230; <a class="more-link" href="https://sonybangla.news/405.html">Continue reading <span class="screen-reader-text">রবীন্দ্রনাথের রাজনৈতিক দর্শনের সীমানা</span></a>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>রবীন্দ্রনাথের জাতীয়তাবাদী চিন্তার সামগ্রিক চিত্র উদ্ঘাটন করতে বিচ্ছিন্নভাবে তাঁকে বুঝলে চলবে না। তাঁর চিন্তা যে সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠেছে তাকে ধাপে ধাপে অনুসরণ না করলে এক ধরনের ‘স্পষ্ট ভুল’ হবে যেটাকে গিলবার্ট রাইলের ভাষায় বলা হয় ক্যাটাগরিক্যাল মিস্টেক। অনেকেই সেটা করেছেন, এমনকি রবীন্দ্র জীবদ্দশায়ও; সে কথায় আসছি একটু পরে। অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী লিখছেন, “রবীন্দ্রনাথ জাতীয়তাবাদের বিরুদ্ধে বলেছেন। কিন্তু সেটা একটা বিশেষ ধরনের জাতীয়তাবাদ; সেটির চরিত্র পুঁজিবাদী, আচরণ সাম্রাজ্যবাদী। আরেক প্রকার জাতীয়তাবাদ আছে; সেটি আত্মপরিচয়ের ও আত্মরক্ষার, এই জাতীয়তাবাদ কেবল রাজনৈতিক নয়, অর্থনৈতিকও। রবীন্দ্রনাথ সারাজীবন এর পক্ষে কাজ করেছেন। বাঙালির জাতীয় সত্তার বিকাশ; জাতীয় পরিচয় সুসংহতকরণ এবং অর্থনৈতিক স্বাবলম্বন অর্জনের ক্ষেত্রে তার ভূমিকা তুলনাবিহীন” (রবীন্দ্রনাথ কেন জরুরি, যুগান্তর, ৭ আগস্ট ২০২০)। আসলে জাতীয়তাবাদ ও আন্তর্জাতিকতাবাদ নিয়ে তাঁর অবস্থানের মাঝে বিশেষ কোন অস্পষ্টতা নেই। কারণ একজন ইউটিলিটারিয়ান প্যাসিফিস্ট হিসেবে তিনি সকল মানবজাতি নিয়ে চিন্তা করেছেন যেখানে ক্ষুদ্র দৈশিক সীমানা খুব বেশি গুরুত্ব পায়নি। তাঁর নিজের কথায় পরিষ্কার হবে এটা উপলব্ধি করলে, “I have no hesitation in saying that those who are gifted with the moral power of love and vision of spiritual unity, who have the least feeling of enmity against aliens, and the sympathetic insight to place themselves in the position of others will be the fittest to take their permanent place in the age that is lying before us, and those who are constantly developing their instinct of fight and intolerance of aliens will be eliminated”. (Nationalism in India)।</p>
<p>এক সময়ের বিশ্বভারতীর উপাচার্য পবিত্র সরকার লিখেছেন, ‘জাতীয়াবাদ’ শব্দটা ভয়ানক গোলমেলে। কারণ বিশেষ কোন সংজ্ঞার ভেতরে এর মর্মার্থ পাওয়া যায় না। এক এক পরিস্থিতিতে এর ব্যবহার হয়ে থাকে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে। যেমন সামন্তবাদের একটা চেহারা, উপনিবেশবাদের অন্যটা। অস্ট্রেলিয়া ও আমেরিকাতে উপনিবেশের যে প্রকৃতি ভারতবর্ষ ও চীনে তার চেহারা আলাদা। এজন্য অধ্যাপক সরকার মনে করেন, এক এক দেশের ব্র্যান্ড অনুযায়ী জাতীয়তাবাদের চেহারাও অন্য রকম হয়ে ওঠে। (Pabitra Sarkar, Tagore’s idea of Nationalism, May 9, 2022)।</p>
<p>তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথের বিরুদ্ধে এক ধরনের আক্রমণ এসেছে যে তিনি জাতীয়তাবাদের বিরোধিতা করেছেন ইংরেজ শাসনের স্বপক্ষ গ্রহণ করার জন্য। আবার এর বিপরীতটা কম না। এ ব্যাপারে তিনি নিজেও সজাগ ছিলেন। তিনি নিজে একটা পরিস্থিতি বর্ণনা করছেন এভাবে, “আমার সঙ্গে এই ছোটো-ইংরেজের যে-একটা বিরোধ ঘটিয়াছিল সে কথা বলি। বিনা বিচারে শত শত লোককে বন্দী করার বিরুদ্ধে কিছুদিন আগে একখানি ছোট চিঠি লিখিয়াছিলাম। ইহাতে ভারতজীবী কোনো ইংরেজি কাগজ আমাকে মিথ্যুক ও extremist বলিয়াছিল। ইহারা ভারত শাসনের তকমাহীন সচিব, সুতরাং আমাদিগকে সত্য করিয়া জানা ইহাদের পক্ষে অনাবশ্যক, অতএব আমি ইহাদিগকে ক্ষমা করিব। এমন-কি, আমাদের দেশের লোক, যারা বলেন আমার পদ্যেও অর্থ নাই, গদ্যেও বস্তু নাই, তাঁদের মধ্যেও যে দুই-একজন ঘটনাক্রমে আমার লেখা পড়িয়াছেন তাঁহাদিগকে অন্তত এ কথাটুকু কবুল করিতেই হইবে যে, স্বদেশী উত্তেজনার দিন হইতে আজ পর্যন্ত আমি অতিশয়-পন্থার বিরুদ্ধে লিখিয়া আসিতেছি”। (কালান্তর, ছোট ও বড়, রচনাবলী, ১২, ৫৯৩)। ইঙ্গিতটি নিশ্চয়ই সুস্পষ্ট। স্বদেশী আন্দোলনের জন্য যারা অস্ত্র হাতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন কিংবা তথাকথিত স্বরাজের পক্ষে সোনার পাথর বাটির খোঁজ করেছেন তাঁদের পক্ষে তিনি নেই। তবে তাঁর স্বরাজ আলাদা। সেটা ভীষণ দার্শনিক বোধে উদ্দীপ্ত সর্বজনীন মানবতাবাদ যার একদিকে আছে ভারতবর্ষের চিরকালীন আধাত্মচেতনা; অন্যদিকে উদার মানবতার মুক্ত বাতায়ন। শুনি তাঁর কথা, “India has never had a real sense of nationalism. Even though from childhood I had been taught that the idolatry of Nation is almost better than reverence for God and humanity, I believe I have outgrown that teaching, and it is my conviction that my countrymen will gain truly their India by fighting against that education which teaches them that a country is greater than the ideals of humanity”. (Nationalism).</p>
<p>কিন্তু আগেই বললাম, রবীন্দ্রনাথকে বুঝতে ‘সময়’টা খুব জরুরি অর্থাৎ রবীন্দ্রচেতনার বিকাশ যে সময়ের হাত ধরে উপরে উঠেছে তার কাল-পার্বিক উত্তরণ লক্ষ্য করার মতো বিষয়। কারণ উনবিংশ শতকের শেষপাদে যে রবীন্দ্রনাথ ছিলেন ভারতের একটা প্রাদেশিক জমিদারী ভূমি ব্যবস্থাপক, তিনি বিশ শতকের মাঝামাঝি এসে বিশ্বযাত্রীর পথে উদার একজন মানবতাবাদী। একজন ভারতীয় নাগরিক থেকে বিশ্বনাগরিক। এর মাঝে কেটে গেছে অন্তত পাঁচ দশকের ইংরেজ শাসন ও বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তীতে পরিবর্তিত গ্লোবাল এক্সটানালিজম। খুব সঙ্গত কারণে অনেকেই তাঁর অবস্থানকে ‘এন্টিনমিক্যাল প্যারাডক্স’ হিসেবে ভেবে বসেন। একটা কথা স্বীকার করতেই হবে, রবীন্দ্রনাথের জাতীয়তাবাদ বিরোধিতা কিন্তু সর্বাংশে অ্যান্টি-প্যাট্রেটিজম নয়। এর একটা সুন্দর ব্যাখ্যা আমরা পাই এস গোপালকৃষ্ণানের সাথে আশিস নন্দীর এক সাক্ষাৎকারে। অধ্যাপক আশিস বলছেন, ‘‘আমি তাঁর স্বদেশপ্রেম ও জাতীয়তাবাদী চিন্তার মাঝে একটা পার্থক্য টানতে চাই। রবীন্দ্রনাথ ছিলেন একজন দেশপ্রেমিক। দেশপ্রেমিক মানে যিনি নিজের দেশকে ভালোবাসেন। এটা এক ধরনের সীমানাকেন্দ্রিক ব্যাপার। এ বিষয়টা শুধু মানুষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। মনুষ্য প্রজাতি ব্যাতিত অন্যান্য প্রাণীর মধ্যেও এটা দেখা যায়। কুকুর বিড়ালের ভেতরও এমন অনুভূতি আছে। অনেক সময় সংবাদ আদান প্রদানে পাখির ব্যবহারও দেখা যায়। এক সময় এই পদ্ধতির চল ছিল। এটাকে বলা হয় আঞ্চলিকতা। দেশপ্রেম হচ্ছে এই ধরনের একটা আঞ্চলিকতা। একটা মানুষ যেখানে জন্মেছে, বেড়ে উঠেছে, যাকে ঘিরে তৈরি হয়েছে স্মৃতি সেই মাতৃভূমির প্রতি তার থাকে একটা আবেগ। জাতীয়তাবাদ সেখানে অন্যকিছু। জাতীয়তাবাদ কোন আবেগের সাথে জড়িত বিষয় নয়। এটা একটা মতাদর্শ। একটা জাতি ধারণার সাথে এটা সংযুক্ত।</p>
<p>রবীন্দ্রনাথের বিশ্বাস ছিল ভারতবর্ষ গঠিত হয়েছে সম্প্রদায়কেন্দ্রিকতার উপর ভিত্তি করে, কোন জাতি ধারণার ওপর নয়। কাজেই ভারতবর্ষে কোন জাতি গঠন করার মানে হচ্ছে সুইজারল্যান্ডে নৌবাহিনী গঠনের মতো ব্যাপার। কারণ জাতি বা জাতীয়তাবাদ হচ্ছে দেশের সকল মানুষের একটা অভিন্ন জাতি হিসেবে গণ্য করা”। (সাক্ষাৎকার)।</p>
<p>ভারতীয় জাতীয়তাবাদ ও তৎপরবর্তী রাজনৈতিক পারিপার্শ্বিকতা নিয়ে রবীন্দ্রনাথের অবস্থান বেশ সুস্পষ্ট। কারণ তাঁর কৈশোর থেকে শুরু হয়ে বয়ঃপ্রাপ্তির প্রায় প্রতিটা ধাপ ভারতীয় রাজনীতিতে ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট অতি ঘটনাবহুল। দু’দুটো বিশ্বযুদ্ধের অভিজ্ঞতা তিনি অর্জন করেছিলেন। তা ছাড়া আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, ইংরেজদের ভারত শাসনের শেষ পঞ্চাশ বছরের সাক্ষী ছিলেন তিনি, যার প্রতিটা মুহূর্ত ছিল উত্তেজনায় পরিপূর্ণ। অনেকে মনে করেন, রবীন্দ্রনাথ কাব্যজগতে যেমন শ্রেষ্ঠ; তেমনই রাজনৈতিক ভুবনেও প্রচণ্ড সচেতন একজন অ-রাজনৈতিক ব্যক্তি। তাঁর বিস্তর লেখা ভারতীয় ইতিহাস, সংস্কৃতি ও উন্নয়নকে ঘিরে এগিয়েছে। তাঁর চিন্তার পরিণতির সাথে সাথে তিনি শুধু ভারতবর্ষ নয় সমগ্র বিশ্ব নিয়ে ভেবেছেন, লিখেছেন এবং মতামত রেখেছেন। এমনকি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরপরই প্রতীচ্য দেশে বক্তৃতা দিয়েছেন জাতীয়তাবাদের ওপর। এ ক্ষেত্রে ১৯১৭ সালে প্রকাশিত Nationalism বইটা সবার কাছে অতি পরিচিত।</p>
<p>রবীন্দ্রনাথের রাজনৈতিক মতামত নিয়ে আলোচনার আগে একটু ইতিহাস ঘাটতে চাই। ১৯২৯ সালে ড. শচীন সেন নামে এক প্রসিদ্ধ সাংবাদিক The Political Thought of Tagore নামে একটা বই লেখেন। রবীন্দ্রনাথের জীবদ্দশায় তাঁর রাজনৈতিক দর্শনের ওপর লেখা বইয়ের প্রতি খুব সঙ্গতকারণেই তাঁর বিশেষ আগ্রহ জন্মে। অতি মনোযোগের সাথে তিনি বইটা পড়েন এবং বাংলা ১৩৩৬ বঙ্গাব্দে ‘রবীন্দ্রনাথের রাজনৈতিক মত’ শিরোনামে প্রবাসীতে একটা লেখা ছাপেন। এটা পরবর্তীতে কালান্তরে অন্তর্ভুক্ত হয়। তিনি লিখছেন, “বইখানি আমাকে পড়তে হল। কেননা, আমার রাষ্ট্রনৈতিক মত কোনো পাঠকের কাছে কিরকম প্রতীত হয়েছে তা জানবার কৌতূহল সামলাতে পারি নি”। (কালান্তর, রবীন্দ্র-রচনাবলী, পৃ ৭০০)। কিন্তু “বইখানি পড়ে আমি নিজের মতের ঠিক চেহারাটা পেলুম না। মন বাধা পেল”। (৭০১)। শচীন সেন অবশ্য পরবর্তী সংস্করণে রবীন্দ্রনাথের এই কথার জন্য খুশি হয়েছেন এবং লিখেছেন, “The book received wide appreciation and the poet himself wrote a long appreciative review of it in the Bengali monthly Prabasi”। (The Political Thought of Tagore, Preface)। তবে শচীন সেন রবীন্দ্র জীবদ্দশায় এই বইয়ের দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশ করেননি, করেছেন কবি মারা গেলে ১৯৪৬ সালে। আমরা দেখবো রবীন্দ্রনাথের রাজনৈতিক চিন্তা সম্পর্কে শচীন সেন কী লিখেছিলেন। তৎপরবর্তীতে রবীন্দ্রনাথ সেটা পড়ার পর কী প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন বা তিনি নিজে তাঁর রাজনৈতিক চিন্তা সম্পর্কে কী জানিয়েছেন।</p>
<p>শচীন লিখছেন, রবীন্দ্রনাথের জন্ম ভারতীয় ইতিহাসের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়ে। মাত্র কয়েক বছর আগে ইংরেজদের বিরুদ্ধে সিপাহী বিদ্রোহ হয়ে গেল। এসময় ভারতবর্ষে ইংরেজদের শাসন ও শিক্ষা বলতে গেলে গেঁড়ে বসেছে; অন্যদিকে রাজা রামমোহনের উদারনৈতিক চিন্তা এই স্রোতধারার সাথে মিশে তৈরি হয়েছে এক নতুন সমাজবোধ। কিন্তু এর বিপরীতে, শ্রেণি শাসনের গভীরে যে জাতি বৈরি সমাজকে গভীর পঙ্কে ভাসিয়েছে সেটা কিছুতেই ভুলবার নয়। এর প্রেক্ষিতে শাসক ও সাধারণের মাঝে তৈরি হয়েছে ব্যাপক ফাটল। ভারতবর্ষে ইংরেজ শাসনের বিভিন্ন ধাপে লক্ষ্য করা গেছে ইংরেজদের প্রতি সাধারণ মানুষের ব্যাপক ক্ষোভ ও অনীহা। ‘স্বাদেশিকতা’ রবীন্দ্রস্মৃতি কথায় এভাবে প্রকাশ পেয়েছে, বাহির হইতে দেখিলে আমাদের পরিবারে অনেক বিদেশী প্রথার চলন ছিল কিন্তু আমাদের পরিবারের হৃদয়ের মধ্যে একটা স্বদেশাভিমান স্থির দিপ্তিতে জাগিতেছিল। স্বদেশের প্রতি পিতৃদেবের যে একটি আন্তরিক শ্রদ্ধা তাঁহার জীবনের সকল প্রকার বিপ্লবের মধ্যেও অক্ষুণ্ণ ছিল, তাহাই আমাদের পরিবারস্থ সকলের মধ্যে একটি প্রবল স্বদেশপ্রেম সঞ্চার করিয়া রাখিয়াছিল। বস্তুত, সে সময়টা স্বদেশপ্রেমের সময় নয়। তখন শিক্ষিত লোকে দেশের ভাষা এবং দেশের ভাব উভয়কেই দূরে ঠেকাইয়া রাখিয়াছিলেন। আমাদের বাড়িতে দাদারা চিরকাল মাতৃভাষার চর্চা করিয়া আসিয়াছেন। আমার পিতাকে তাঁহার কোনো নূতন আত্মীয় ইংরেজিতে পত্র লিখিয়াছিলেন, সে-পত্র লেখকের নিকটে তখনই ফিরিয়া আসিয়াছিল। (জীবনস্মৃতি)।</p>
<p>এটা অস্বীকারের উপায় নেই, ভারতে ব্রিটিশ শাসনের অতি ভয়াবহতায় মানুষ ক্লান্ত ও পরিশ্রান্ত হয়ে পড়ে, বিশেষ করে ১৮৩৩ সালে নতুন এক আইনের মধ্য দিয়ে শাসনযন্ত্র পাকাপোক্ত করে তোলার আয়োজন করা হয়। এর প্রেক্ষিতে ভারতে ইংরেজ শাসন অবাধ ও নিরাপদ করে তোলার প্রয়াস পায়। কিন্তু এটা ঠিক ইংরেজদের বিরুদ্ধে সাধারণের বিক্ষোভ ভারতীয়দের প্রতি অত্যাচার ও নির্দয়তার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। শচিন সেন লেখেন, “এবং সত্যিকার অর্থে ভারতবর্ষে ইংরেজ শাসকরা হয়ে ওঠেন দাম্ভিক, হৃদয়হীন এবং এতোটাই সাঙ্ঘাতিক যে ১৮৮৫ সালে যে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস গঠিত হয় সেটা কোনভাবেই সম্ভব হতো না যদি কিনা এর প্রধান হিসেবে একজন ইংরেজকে না নেয়া হতো”। মিস্টার এলেন অক্টোভিয়ান হিউম নামে অবসরে যাওয়া একজন ইংরেজ জনপ্রশাসক কংগ্রেসের প্রধান উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করেন। এর পরে দ্বায়িত্ব নেন লর্ড ডুফেরিন। ডুফেরিন ছিলেন ভাইসরয়। মনে রাখা দরকার, ১৮৫২ সালে ব্রিটিশ ইন্ডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের সম্মানিত সদস্য হন প্রিন্স দ্বারকানাথ। এই অ্যাসোসিয়েশান অবশ্য ব্রিটিশ পার্লামেন্টে একটা পিটিশন পাঠায় যে, ভারতীয়রা প্রত্যকে ক্ষেত্রে ব্রিটিশ শাসক কর্তৃক বঞ্চিত হচ্ছেন। অন্যদিকে ব্রিটিশ শাসকেরা অব্যাহতভাবে বলে চলছে ভারতে তাদের শাসন শুধুমাত্র এখানকার জীবনমান উন্নত করার জন্যই। উদারনৈতিক বলে কথিত বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী উইলিয়াম গ্লাডিস্টন বলেছিলেন, “Our title to be in India depends on a first condition, namely, that our being there is profitable to the Indian people, and on a second condition, that we can make Indian themselves both see and understand it to be profitable”. (সেন, পৃ ৪)।</p>
<p><strong>চলবে&#8230;</strong></p>
<p><a class="a2a_button_facebook" href="https://www.addtoany.com/add_to/facebook?linkurl=https%3A%2F%2Fsonybangla.news%2F405.html&amp;linkname=%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%88%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%20%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B6%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%B8%E0%A7%80%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE" title="Facebook" rel="nofollow noopener" target="_blank"></a><a class="a2a_button_twitter" href="https://www.addtoany.com/add_to/twitter?linkurl=https%3A%2F%2Fsonybangla.news%2F405.html&amp;linkname=%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%88%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%20%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B6%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%B8%E0%A7%80%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE" title="Twitter" rel="nofollow noopener" target="_blank"></a><a class="a2a_button_email" href="https://www.addtoany.com/add_to/email?linkurl=https%3A%2F%2Fsonybangla.news%2F405.html&amp;linkname=%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%88%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%20%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B6%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%B8%E0%A7%80%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE" title="Email" rel="nofollow noopener" target="_blank"></a><a class="a2a_dd addtoany_share_save addtoany_share" href="https://www.addtoany.com/share#url=https%3A%2F%2Fsonybangla.news%2F405.html&#038;title=%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%88%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%20%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B6%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%B8%E0%A7%80%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE" data-a2a-url="https://sonybangla.news/405.html" data-a2a-title="রবীন্দ্রনাথের রাজনৈতিক দর্শনের সীমানা"></a></p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sonybangla.news/405.html/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">405</post-id>	</item>
		<item>
		<title>আজিজ কাজলের শরতের দুটি কবিতা</title>
		<link>https://sonybangla.news/402.html</link>
					<comments>https://sonybangla.news/402.html#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[sonynews]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 13 Sep 2022 12:44:20 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sonybangla.news/demo/?p=402</guid>

					<description><![CDATA[নাগরিক কাশবাস সিনথেটিক নরম ঘাসে লুকিয়ে আছে মানুষপোকা। পরিবেশবাদী পোকাগুলো ফুটন্ত কড়াইয়ে অঙ্গার হচ্ছে; তাদের রেশমি সুতার বাকলপিষে তৈরি হচ্ছে অনাহূত ঝড়ের ইতিহাস—এখানে নম্র-শরতের কোনো এন্ট্রি নেই। আছে বড়সড় কোনো ফটোফ্রেমের ভ্রম; শুকনা দলা। কংক্রিট মাচাঙের ভুল ডালে লতিয়ে উঠি, হয়ে যাই অধীর নাগরিক-ছাওয়াল—শত্রু-ঘন অন্ধকার ছেড়ে দাঁড়াই উঠানে। শরৎফুলের মৌ-ঘাট ফেলে, গো-ধুলার গরুগুলো বাড়ির কাছে&#8230; <a class="more-link" href="https://sonybangla.news/402.html">Continue reading <span class="screen-reader-text">আজিজ কাজলের শরতের দুটি কবিতা</span></a>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>নাগরিক কাশবাস</strong></p>
<p>সিনথেটিক নরম ঘাসে লুকিয়ে আছে মানুষপোকা। পরিবেশবাদী পোকাগুলো ফুটন্ত কড়াইয়ে অঙ্গার হচ্ছে;<br />
তাদের রেশমি সুতার বাকলপিষে তৈরি হচ্ছে অনাহূত ঝড়ের ইতিহাস—এখানে নম্র-শরতের কোনো এন্ট্রি নেই।<br />
আছে বড়সড় কোনো ফটোফ্রেমের ভ্রম; শুকনা দলা।</p>
<p>কংক্রিট মাচাঙের ভুল ডালে লতিয়ে উঠি, হয়ে যাই অধীর<br />
নাগরিক-ছাওয়াল—শত্রু-ঘন অন্ধকার ছেড়ে দাঁড়াই<br />
উঠানে।</p>
<p>শরৎফুলের মৌ-ঘাট ফেলে, গো-ধুলার গরুগুলো বাড়ির<br />
কাছে আসছে—এদিকে আবারও ভুল পাঠে লিখে ফেলি<br />
শরতের নতুন কবিতা!</p>
<p><strong>****</strong></p>
<p><strong>শরৎ ঘাটে</strong></p>
<p>তোমার নীরবতা আজ শরতের বিষণ্ন নাগরিক;<br />
এলোকেশে চুল ঝাড়ো, অথচ ফোটে না ধবধবে শরতের<br />
কাশফুল; তোমার মনমিতি বাষ্প হয়ে হয়ে উঠছে—<br />
পাটশাক আর লাল করলার উজ্জ্বলতা ঠিকই বাড়ছে!</p>
<p>একটি রুমাল পড়ে আছে কুয়াশা মাখা শিশিরে,<br />
ঠিক তোমার মায়ায় ফোটা নোলকসোনার ডালে;<br />
আমি ধীবরের শাশ্বত প্রেমই বুঝি আর ডোমের রঙে<br />
ঝাঁজি বিষণ্ন তোমায়।</p>
<p><a class="a2a_button_facebook" href="https://www.addtoany.com/add_to/facebook?linkurl=https%3A%2F%2Fsonybangla.news%2F402.html&amp;linkname=%E0%A6%86%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%9C%20%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%B6%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%9F%E0%A6%BF%20%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE" title="Facebook" rel="nofollow noopener" target="_blank"></a><a class="a2a_button_twitter" href="https://www.addtoany.com/add_to/twitter?linkurl=https%3A%2F%2Fsonybangla.news%2F402.html&amp;linkname=%E0%A6%86%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%9C%20%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%B6%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%9F%E0%A6%BF%20%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE" title="Twitter" rel="nofollow noopener" target="_blank"></a><a class="a2a_button_email" href="https://www.addtoany.com/add_to/email?linkurl=https%3A%2F%2Fsonybangla.news%2F402.html&amp;linkname=%E0%A6%86%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%9C%20%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%B6%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%9F%E0%A6%BF%20%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE" title="Email" rel="nofollow noopener" target="_blank"></a><a class="a2a_dd addtoany_share_save addtoany_share" href="https://www.addtoany.com/share#url=https%3A%2F%2Fsonybangla.news%2F402.html&#038;title=%E0%A6%86%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%9C%20%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%B6%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%9F%E0%A6%BF%20%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE" data-a2a-url="https://sonybangla.news/402.html" data-a2a-title="আজিজ কাজলের শরতের দুটি কবিতা"></a></p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sonybangla.news/402.html/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">402</post-id>	</item>
		<item>
		<title>কেমন আছে কদমতলা</title>
		<link>https://sonybangla.news/399.html</link>
					<comments>https://sonybangla.news/399.html#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[sonynews]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 13 Sep 2022 12:42:25 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sonybangla.news/demo/?p=399</guid>

					<description><![CDATA[ফজলুল করিম ফারাজী ভূপেন্দ্র, কদমতলা কি এখনো আছে? নাকি শুধু সাঁটলিপির ওই মানচিত্রটাই পড়ে আছে? শুনেছিলাম সতেরোর বন্যা নাকি খুব ভেঙেছে, ধরলার গর্জনে নাকি মানুষ জীবন নিয়ে পালিয়েছে? আচ্ছা, সে বছর ওই মরা নদীটার অত রাগ উঠেছিল কেন? কেন নিজের রাগে— সহজ-সরল মানুষগুলোর বুকের পাঁজর ভাঙছিল—বলতে পারো? ওই বছর ধরলার দু’কূলেই কেন আঁছড়ে পড়েছিল আহাজারি&#8230; <a class="more-link" href="https://sonybangla.news/399.html">Continue reading <span class="screen-reader-text">কেমন আছে কদমতলা</span></a>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>ফজলুল করিম ফারাজী</strong></p>
<p>ভূপেন্দ্র, কদমতলা কি এখনো আছে?<br />
নাকি শুধু সাঁটলিপির ওই মানচিত্রটাই পড়ে আছে?</p>
<p>শুনেছিলাম সতেরোর বন্যা নাকি খুব ভেঙেছে,<br />
ধরলার গর্জনে নাকি মানুষ জীবন নিয়ে পালিয়েছে?</p>
<p>আচ্ছা, সে বছর ওই মরা নদীটার অত রাগ উঠেছিল কেন?<br />
কেন নিজের রাগে—<br />
সহজ-সরল মানুষগুলোর বুকের পাঁজর ভাঙছিল—বলতে পারো?<br />
ওই বছর ধরলার দু’কূলেই কেন আঁছড়ে পড়েছিল<br />
আহাজারি আর কান্নার ঢেউ—বলতে পারো ভূপেন্দ্র?</p>
<p>ক’দিন পরে তো ঠিকই ডাকাতটা শান্ত হলো,<br />
অথচ বাপ-দাদার ভিটেমাটি আঁকড়ে ধরা কদমতলা হলো বাস্তুহারা।</p>
<p>শুনেছি তমিজ ফারাজী নেই,<br />
হামুদ্দি ব্যাপারি গত হয়েছে কতকাল।<br />
গ্যাস ব্যাপারির সেই চরও নাকি নেই;<br />
তাহলে তিন গ্রামের মানুষ কোথায় ঘুমায়—<br />
কোথায় বিচার খোঁজে, বলতে পারো?<br />
ব্যাপারিরা তো দুনিয়ার কত মানুষের বিচার করতো<br />
ওর বিচার কেন করেনি?</p>
<p>ভূপেন্দ্র, তুমিই বা কোথায় আছো, কেমন আছো<br />
কেমন আছে তোমার ওই আকাশ সমান শিমুল গাছ;<br />
খোঁজ রাখো! নাকি বয়সের ভারে সব ভুলে গেছো?</p>
<p>আচ্ছা, বড় মাঠে কি এখনো সাত গ্রামের মানুষ আসে;<br />
নেঙলার বাজার, নয়ার হাট, ভেলুর বাজার<br />
সপ্তাহে এখনো কি দু’দিন বসে?</p>
<p>মনে পড়ে ভূপেন্দ্র,<br />
কত বছর তাবুজের মেলা দেখা হয় না;<br />
কুড়ার পাড়ে এখনো কি ওই মেলা বসে?<br />
গিদালের ভিটায় কি লাঠি খেলা জমে;<br />
জারিগান, পালাগানে বেগমগঞ্জের ছুকরিরা কি আজো নাচে?</p>
<p>কদম দৌড়ের ঘোড়া খেলা দেখার বড় শখ জাগে ভূপেন্দ্র—<br />
আচ্ছা, ঘোড়া নাজিরের সাদা ঘোড়াটা কি এখনো আছে;<br />
জানো কি কিছু?<br />
নাকি কদম দৌড়ে দৌড়াতে দৌড়াতে তুমিও ক্লান্ত হয়ে<br />
কদমতলার দুঃখ গোনো কুড়িগ্রামের ধরলা নদীর বাঁকে।</p>
<p><a class="a2a_button_facebook" href="https://www.addtoany.com/add_to/facebook?linkurl=https%3A%2F%2Fsonybangla.news%2F399.html&amp;linkname=%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A6%A8%20%E0%A6%86%E0%A6%9B%E0%A7%87%20%E0%A6%95%E0%A6%A6%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A6%B2%E0%A6%BE" title="Facebook" rel="nofollow noopener" target="_blank"></a><a class="a2a_button_twitter" href="https://www.addtoany.com/add_to/twitter?linkurl=https%3A%2F%2Fsonybangla.news%2F399.html&amp;linkname=%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A6%A8%20%E0%A6%86%E0%A6%9B%E0%A7%87%20%E0%A6%95%E0%A6%A6%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A6%B2%E0%A6%BE" title="Twitter" rel="nofollow noopener" target="_blank"></a><a class="a2a_button_email" href="https://www.addtoany.com/add_to/email?linkurl=https%3A%2F%2Fsonybangla.news%2F399.html&amp;linkname=%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A6%A8%20%E0%A6%86%E0%A6%9B%E0%A7%87%20%E0%A6%95%E0%A6%A6%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A6%B2%E0%A6%BE" title="Email" rel="nofollow noopener" target="_blank"></a><a class="a2a_dd addtoany_share_save addtoany_share" href="https://www.addtoany.com/share#url=https%3A%2F%2Fsonybangla.news%2F399.html&#038;title=%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A6%A8%20%E0%A6%86%E0%A6%9B%E0%A7%87%20%E0%A6%95%E0%A6%A6%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A6%B2%E0%A6%BE" data-a2a-url="https://sonybangla.news/399.html" data-a2a-title="কেমন আছে কদমতলা"></a></p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sonybangla.news/399.html/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">399</post-id>	</item>
	</channel>
</rss>
