নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বিয়ের পোশাক পড়ে বধু সেজে রাজশাহী এসেছিলেন তরুণী (২১)। কিন্তু সে স্বপ্ন পূরণ হলোনা তার। অবশেষে ব্যার্থ হয়ে মায়ের হাত ধরে বাসায় ফিরতে হলো তাকে।
তরুণী চাপাইনবয়াবগঞ্জ একটি সরকারি কলেজের অনার্স ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবসে বিয়ের কথা ছিল তাদের। কিন্তু প্রতারক প্রেমিক তরুণীর সাথে দেখা না করেই পালিয়ে যায় নিজ বাড়ি যশোরে। কারণ সেখানে তার আংটি বদল হওয়ার জন্য অন্য এক তরুণী অপেক্ষা করছিল। অবশেষে সে বিয়েও ভেঙে যায় জানাজানি হওয়ার পর।
প্রেমিকের নাম মাহাবুব রাজবাড়ী সোনালী ব্যাংকের মাইজপাড়া শাখার অফিসার (ক্যাশ) পদে কর্মরত। তার গ্রামের বাড়ি যশোর কেশবপুর থানা এলাকায়।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী লক্ষিপুরস্থ সোনালী ব্যংক ট্রেনিং ইন্সটিটিউটে প্রশিক্ষণের জন্য আসেন মাহাবুব।
আসার আগে তরুণীকে ফোন করে ডাকেন রাজশাহীতে।
তরুণী বলেন, গত ৪ মাস পূর্বে একে অপরের পরিচয় হয় ফেসবুকের মাধ্যমে। পরিচয় গড়ায় ভিডিও সেক্সএ। একে অপরের গোপনীয় ফুটেজ ও স্থিরচিত্র সংগ্রহ করে রাখেন তারা। এরই মধ্যে গত ১২ ফেব্রুয়ারী রাজশাহী আসেন মাহবুব। আসার আগে তরুণীকে ১৪ ফেব্রুয়ারী বিয়ে করবেন বলে প্রসূতিদেন মাহবুব।
তরুণী ১২ তারিখ চাপাইনবাবগঞ্জ থেকে চলে আসেন রাজশাহী। এসে প্রেমিক মাহবুবের ফোন বন্ধ পেয়ে চলে যান রাজবাড়ি সোনালী ব্যাংকে। সেখান থেকে জানতে পারেন রাজশাহী প্রশিক্ষণের জন্য গেছেন।
আবার ফিরে আসেন রাজশাহী সোনালী ব্যাংকের ট্রেনিং ইন্সটিটিউটে। ১৩ তারিখ সন্ধ্যা থেকে ১৪ তারিখ রাত ৯টা পর্যন্ত ওই ট্রেনিং ইন্সটিটিউটে অবস্থান করেন তরুণী।
এ ব্যাপারে রাজশাহী সোনালী ব্যাংক ট্রেনিং ইন্সটিটিউট এর প্রধান প্রশিক্ষক মোঃ আশরাফুল আলম বলেন, বিষয়টি আমরা ঢাকা অফিসকে অবগত করেছি। এছাড়া মেয়েটির মা এসেছেন। তিনি তাকে বাসায় নিয়ে যাবেন।
এব্যাপারে প্রেমিক মাহবুবকে ফোন দিলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
কথা হয়, তার ভাই মিজানুর রহমানের সাথে, তিনি বলেন, আমরা রাজশাহীর কাছাকাছি এসে পড়েছি। এব্যাপারে সাক্ষাতে কথা হবে।
এ ঘটনায় রাজপাড়া থানার এস আই মাহফুজ বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে গেছিলাম এবং কারও কোনো অভিযোগ না থাকায় ফিরে এসেছি। এর আগে মেয়েকে তার মায়ের জিম্মায় দেয়া হয়েছে।
সনি বাংলা ডট কম/ ই আবি





