স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টের ২০২৬ সালের নির্বাচন উপলক্ষে রাজশাহীতে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল ১০টায় রাজশাহী রেলভবনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ভোটগ্রহণ চলতে দেখা গেছে।
নির্বাচনে রাজশাহী কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ৫২২ জন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১টা পর্যন্ত প্রায় ২৫০টি ভোট কাস্ট হয়েছে, যা মোট ভোটের প্রায় ৫০ শতাংশ। ভোটারদের উপস্থিতি ও আগ্রহে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রার্থীরা।
ভোটাররা জানান, দীর্ঘ ১৪ বছর পর তারা সরাসরি ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেয়েছেন। ২০১২ সালের পর এই প্রথম তারা কল্যাণ ট্রাস্টের নির্বাচনে ভোট দিচ্ছেন। এ কারণে ভোটারদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। অনেকেই বলেন, এতদিন কল্যাণ ট্রাস্টের কার্যক্রম রেলওয়ে শ্রমিক লীগের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়েছে। এবার নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিনিধিত্ব নির্বাচনের সুযোগ পাওয়ায় তারা আনন্দিত।
এবারের নির্বাচনে দুটি প্যানেল থেকে মোট চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল সমর্থিত প্যানেল থেকে শরীফ উদ্দিন প্রামাণিক (মই প্রতীক), এস এম সাইফুল ইসলাম (আম প্রতীক) এবং সৈকত আহম্মেদ (মাছ প্রতীক) নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। অপরদিকে জামায়াত সমর্থিত প্যানেল থেকে আমানুল্লাহ ছাতা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী, একজন ভোটার সর্বোচ্চ তিনজন প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবেন। চারজন প্রার্থীর মধ্য থেকে সর্বাধিক ভোটপ্রাপ্ত তিনজন নির্বাচিত হবেন। নির্বাচিত প্রতিনিধিরা আগামী তিন বছরের জন্য দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচিত তিনজনের মধ্যে সর্বোচ্চ ভোটপ্রাপ্ত প্রার্থী কেন্দ্রের প্রধান প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেতে পারেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
প্রার্থীরা আশা প্রকাশ করেছেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হবে এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিরা রেলওয়ে কর্মচারীদের কল্যাণে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।
ভোটগ্রহণ বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে। এরপর ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হবে।





