রবিবার (৩০ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সভাপতি প্রফেসর ডঃ এফ নজরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ডঃ মোঃ মাসুদুল হাসান খান (মুক্তা) উদ্বেগ জানান।
এছাড়াও এই ঘৃণ্য ও বর্বরোচিত সরকারি হামলার নিন্দা জানান জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সদস্য প্রফেসর এম আমজাদ হোসেনে, প্রফেসর ড. এম. ফজলুল হক, প্রফেসর ড. খন্দকার ইমামুল হক, প্রফেসর ড. মো: আব্দুল আলীম, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী, প্রফেসর ড. এম. হাবিবুর রহমান, প্রফেসর ড. মামুন-উর-রশিদ, প্রফেসর ড. এম. রেজাউল করিম, প্রফেসর ড. মোহা: হাছানাত আলী, প্রফেসর ড. মো: আবুল হাসান, প্রফেসর ড. এম. সাবিরুজ্জামান, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আমীরুল ইসলাম, ড. এম. আনিসুর রহমান, প্রফেসর ড. শাসসুজ্জোহা এছামী, প্রফেসর ড. মোঃ আতিকুল ইসলাম, প্রফেসর ড. সারোয়ার জাহান, প্রফেসর ড. ইফতেখারুল আলম মাসুদ, প্রফেসর ড. কামরুজ্জামান, প্রফেসর ডঃ পারভেজ আজহারুল হক, প্রফেসর ড. কুদরত-ই-জাহান, প্রফেসর ডঃ মোঃ নূরুল মোমেন, প্রফেসর মোঃ সাজ্জাদুর রহিম, প্রফেসর ড. জিএম শফি, প্রফেসর ড. সোহেল হাসান, প্রফেসর ড. হারুনুর রশিদ ও ড. মো: সামিউল ইসলামসহ জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের আরো অনেক সম্মানিত সদস্যবৃন্দ।
বিবৃতিতে নেতারা বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন বর্তমান বাংলাদেশের মানুষের একটি জাতীয় দাবিতে পরিণত হয়েছে। এই জাতীয় দাবির সমর্থনে বর্তমান দিনগুলোতে বিএনপি ও ও সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বিপুল সংখ্যক মানুষের উপস্থিতি তাঁরই প্রমাণ বহন করে। ২০১৪ ও ২০১৮ সালের বিতর্কিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মত পুনরায় রাষ্ট্রীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহারের মাধ্যমে ক্ষমতায় থাকার চক্রান্ত করছে। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের চাপ সামাল দিতে না পেরে, গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় সশস্ত্র হামলা সরকারের ফ্যাসিবাদী চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান করার দাবি জানান, অন্যথায় বর্তমান সরকার অধীনে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের অপপ্রয়াস সাধারণ জনগণ রাজপথে প্রতিহত করবে।





