• রাজশাহী, বাংলাদেশ
  • ১১ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
  • নিবন্ধন এর জন্য আবেদনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • news@sonybangla.news
  • ০১৭৭৫-৫৮৯৫৫৮

আরইউজে’র সভায় বক্তারা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণকারীদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে

প্রকাশ: শুক্রবার, ১৬ জুন, ২০২৩ ৪:১৮

আরইউজে’র সভায় বক্তারা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণকারীদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ  সংবাদপত্রের কালো দিবস উপলক্ষে রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়ন (আরইউজে) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামী সরকার গণমাধ্যমের ওপর নিয়ন্ত্রণ ও খবরদারির খড়গ চাপিয়ে তাদের পুরোনো পথেই যাত্রা অব্যাহত রেখেছে।

সরকারের কর্মকান্ডে মনে হয়, তারা গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না। বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন, অবিলম্বে বন্ধ সকল গণমাধ্যম খুলে দিতে হবে। সাংবাদিক হত্যাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। একইসঙ্গে বক্তারা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণকারীদের বিরুদ্ধে সাংবাদিক সমাজসহ সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান। গতকাল শুক্রবার (১৬ জুন) বিকেলে আরইউজে কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় তারা এসব কথা বলেন।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক, রাজশাহী মহানগর শাখার সাবেক সভাপতি ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ডক্টরর্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) রাজশাহী জেলা সভাপতি ডা. ওয়াসিম হোসেন ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এনামুল হক। এতে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মুহা: আব্দুল আউয়াল। পরিচালনা করেন আরইউজের সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিকুল ইসলাম স্বপন। অন্যদের মধ্যে আরইউজের সহ-সভাপতি মঈন উদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক মিজানুর রহমান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ওমর ফারুক, নির্বাহী সদস্য সোহেল মাহবুব, সদস্য মাইনুল ইসলাম প্রমুখ। এছাড়া সভায় বিভিন্ন প্রিণ্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমের সাংবাদিক ও পেশাজীবী নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল বলেন, সরকার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদ কর্মীদের ওপর নির্যাতন অব্যাহত রেখেছে এবং অনেক ক্ষেত্রে বিচারও হচ্ছে না। সাগর-রুনীর হত্যাকান্ডের বিচার না হওয়া এর অন্যতম উদাহরণ। তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৬ জুন বাক-স্বাধীনতা হরণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ইতিহাসে এক কালো দিন। এই দিনে তৎকালীন একদলীয় বাকশাল সরকার তাদের অনুগত চারটি সংবাদপত্র রেখে বাকিগুলো বন্ধ করে মুক্তচিন্তা ও মত প্রকাশে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছিল। ফলে বিভিন্ন সংবাদপত্রে কর্মরত বহু সংবাদ কর্মী চাকরি খুইয়েছিলেন, অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল তাদের রুজি-রোজগার ও সন্তানদের ভবিষ্যৎ। পরবর্তীতে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ওই ধারা বাতিল করে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করেন। শুধু তাই নয়, প্রেসিডেণ্ট জিয়াউর রহমান হলেন বহু দলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা।
বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন, অবিলম্বে বন্ধ সকল গণমাধ্যম খুলে দিতে হবে। সাংবাদিক হত্যাকারীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। দিগন্ত টেলিভিশন, দৈনিক আমার দেশ, ইসলামিক টেলিভিশন, চ্যানেল ওয়ানসহ বন্ধ সকল গণমাধ্যম খুলে দিতে হবে। এসময় বক্তারা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণকারীদের বিরুদ্ধে সাংবাদিক সমাজকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান।

সনি বাংলা ডট কম/ই আবি

সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ

 



প্রকাশক ও সম্পাদক: মো: ইফতেখার আলম বিশাল

যোগাযোগ: শিরোইল গৌধুলী মার্কেট ঢাকা বাস টার্মিনাল বোয়ালিয়া রাজশাহী। ই-মেইল: smbishal18@gmail.com, মোবাইল:০১৭৭৫-৫৮৯৫৫৮