• রাজশাহী, বাংলাদেশ
  • ১৪ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  • নিবন্ধন এর জন্য আবেদনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • news@sonybangla.news
  • ০১৭৭৫-৫৮৯৫৫৮

রুয়েট অভ্যান্তরে বহিরাগতদের মাদকের ঘাটি

প্রকাশ: রবিবার, ১৪ মে, ২০২৩ ১১:৪৭

রুয়েট অভ্যান্তরে বহিরাগতদের মাদকের ঘাটি

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট)। এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা শেষ করে
ইঞ্জিনিয়ার হবে তা সকলেরই জানা। আর এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভেতর বহিরাগত চিহিৃত মাদক কারবারি অবস্থান করে বিক্রি করছে ফেনসিডিল ও ইয়াবা ট্যাবলেট।

রুয়েট ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) এই দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশেই রয়েছে নগরীর মতিহার থানা অঞ্চল ও কাটাখালি থানা অঞ্চল মাদকদের ঘাঁটি। দেশের ভবিষ্যত প্রজন্মদের রক্ষায় যুগ যুগ ধরে এই দুই অঞ্চল থেকে মাদক নিমূলের দাবি জানিয়ে আসছেন স্থানীয়রা। মাদক নিমূলে কাজ করছে থানা পুলিশ ও প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তর। কিন্তু এই দুই মাদক অঞ্চলে মাদক নিমূল তো দুরের কথা। দিন দিন মাদক বিক্রেতা ও মাদক সেবীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে।

এরই মধ্যে রয়েটের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভ্যান্তরে কোয়াটারের পেছনে কলাবাগানে বসে গত ২বছর যাবত মাদকের রমরমা কারবার চালাচ্ছে পলাশ ও জনৈক সুমন নামের দুই মাদক কারবারি। এ ব্যপারে বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও দৈনিক স্থানীয় ও সাপ্তাহিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। সেই জেরে মাদক কারবারিদের মদতদাতা ও তাদের সহযোগীরা সাপ্তাহিক বাংলার বিবেক পত্রিকা অফিসে হামলা, ভাংচুর লুটপাট চালায়। পত্রিকা অফিস পরিদর্শণ করেন মতিহার থানার ওসি। ঘটনার পর মামলা হয় মতিহার থানায়। আটক হয় ১নং আসামী মাদকাশক্ত আসাদুল হক দুখু। বর্তমানে সে কারাগারে রয়েছেন। কিন্তু রুয়েটের ভেতরে অবস্থান করে বহিরাগত মাদক কারবারি বোয়ালিয়া থানার ভদ্রা খাস পাড়া হাবুতার ছেলে পলাশ ও জনৈক সুমন নামের দুই মাদক কারবারি চুটিয়ে চালাচ্ছে মাদকের কারাবার। রবিবার বিকাল ৪টায় রুয়েট সংলগ্ন নতুন ফ্লাইওভারের রাস্তা সংলগ্ন রুয়েটের নতুন গেইটে দু’টি মোটরসাইকেলে যোগে ৪জন যুবক এসে থামে।

এ সময় তারা মোবাইল ফোন থেকে ফোন দেয়। রুয়েটের ভেতর থেকে দু’জন যুবক এসে তাদের ফেনসিডিল দেয় এবং টাকা নিয়ে রুয়েটের ভেতরে চলে যায়। ওই চার মাদকসেবি জানায়, যারা ফেনসিডিল দিয়ে গেছে তারা পলাশের লেবার। তারা আরও বলে পলাশের ১০/১২ জন লেবার রয়েছে। জনৈক সুমন পলাশের লেবার ছিলো। বর্তমানে সে এখন নিজেই বড় মাদক কারবারি। তাদের রুয়েট অভ্যান্তরে আশ্রয় দাতাও রুয়েটের চাকরিজীবি। আরও রয়েছে স্থানীয় পাতি নেতা ও মাদকাশক্ত গুন্ডা বাহিনী। রুয়েটের একাধিক কর্মচারি জানায়, রুয়েটের ভেতরে বসে বহিরাগতরা মাদকের কারবার চালাচ্ছে !

অথচো তারা ধরা পড়ছেনা। নাকি ধরা হচ্ছে না। সঠিক কোনটা তা বলা মুশকিল। মাদক কারবারি ও মদদ- দাতাদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান তারা। এদিকে স্থানীয়রা জানান, দিন-রাত ২৪ ঘন্টা রুয়েটের নতুন গেইটে প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল যোগে বিভিন্ন বয়সি যুবকরা ও ছাত্ররা আসছে। ফোন দিয়ে অপেক্ষা করছে। পলাশের লেবাররা এসে মাদক পৌঁছে দিচ্ছে মাদক। এই ঘটনা প্রকাশ্যেই চলছে। কিন্তু তারা কেউ ধরা পড়ছে না!

জানতে চাইলে মতিহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানান, আমি থানায় নতুন এসেছি। রুয়েটের ভেতরে মাদক কারবারিরা অবস্থান করে মাদক বিক্রি করছে শুনেছি। খোঁজ নেয়া হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান ওসি।

সনি বাংলা ডট কম/ইআবি

সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ

 



প্রকাশক ও সম্পাদক: মো: ইফতেখার আলম বিশাল

যোগাযোগ: শিরোইল গৌধুলী মার্কেট ঢাকা বাস টার্মিনাল বোয়ালিয়া রাজশাহী। ই-মেইল: smbishal18@gmail.com, মোবাইল:০১৭৭৫-৫৮৯৫৫৮