স্টাফ রিপোর্টারঃ রাজশাহী নগরীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র চাপাতির আঘাতে বেজারী বেগম (৫৭) নামের এক নারী গুরুত্বর আহত হয়েছেন। এ সময় স্থানীয়রা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ৮নং ওয়ার্ডে ভর্তি করেছেন।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টায় নগরীর বোয়ালিয়া থানার খরবোনা নদীর ধার এলাকায় এ হামলা ঘটনা ঘটে। আহত বেজারী বেগম ওই এলাকার মৃত জামালের স্ত্রী।
একই সময় হামলাকারীরা রনি (৩০) নামের এক প্রতিবন্ধী ব্যক্তির বাড়ী ভাংচুর করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়রা জানান, তুচ্ছো ঘটনাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টায় নাসিব (১৮) নামের এক যুবকের উপর হামলা চালায় প্লাষ্টিক গ্রæপের প্রধান জনৈক মামুন (৩৮) সহ ৯জন। এ সময় বেজারী বেগম ওই যুবককে বাঁচাতে এগিয়ে আসলে তাকে চাপাতি দিয়ে মাথায় কোপ দেয় এবং লাঠির আঘাতে তার ঘাড়ের হাড় ভেঙ্গে দেয় হামলাকারীরা। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে রামেকের ৮নং ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তারা আরও জানায়, নদীর কোল ঘেষে প্লাষ্টিক নামের একটি ক্লাব রয়েছে। সেই ক্লাবের সদস্যদের নিয়ে গঠিত হয়েছে প্লাষ্টিক গ্রæপ। তাদেরই প্রধান জনৈক মামুন। সেই ক্লাবে জুয়া খেলা থেকে শুরু করে দিন-রাত সমানে চলে মাদক সেবন ও কেনা-বেঁচা। সেখানে হাত বাড়ালেই মেলে ইয়াবা, হেরোইন, গাঁজা ও ফেনসিডিল। এই মামুন নিজে একজন মাদক কারবারি। মাদকের মামলাও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সম্প্রতী বোয়ালিয়া থানার ওসি সোহরাওয়ার্দী হোসেনের নেতৃত্বে সেই প্লাষ্টিক ক্লাবে অভিযান চালায় বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশ। ওইদিন ১১জন জুয়াড়ীকে গ্রেফতার করে মামলা দিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়। তবে মামুনের মাদক কারবার ও জুয়ার কারবার বন্ধ হয়নি এখনও বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
আহত বেজারী বেগম জানান, হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা শেষে থানায় মামলা করবেন।
এ ব্যপারে জানতে চাইলে বোয়ালিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সোহরাওয়ার্দী হোসেন জানান, খরবোনা এলাকায় মারামারি এবং বয়স্ক নারী আহতের বিষয় আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখছি। তবে ভ‚ক্তভোগী থানায় এসে অভিযোগ বা মামলা দিলে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান ওসি।
সনি বাংলা ডট কম/ ই আবি





