বুধবার , ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ | ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. আইন
  2. আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উপসম্পাদকীয়
  5. কৃষি
  6. খুলনা
  7. খেলা
  8. চট্টগ্রাম
  9. চাকরীর খবর
  10. জাতীয়
  11. ঢাকা
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. দেশের খবর
  14. নারী
  15. বরিশাল

মিনুর ছোঁয়ায় গড়ে উঠেছিল স্বপ্ননগরী রাজশাহী, কথিত উন্নয়নে ধ্বংস বিনোদন কেন্দ্রগুলো

প্রতিবেদক
sonynews
জানুয়ারি ২৮, ২০২৬ ৬:০১ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী মহানগরীর শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও যোগাযোগ ব্যবস্থার পাশাপাশি মানুষের বিনোদনের ক্ষেত্রেও আমূল পরিবর্তন এনেছিলেন সাবেক রাসিক মেয়র ও সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান মিনু। ব্রিটিশ আমলে নির্মিত ঘোড়দৌড়ের মাঠকে কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানায় রূপান্তর, শহীদ জিয়া শিশু পার্ক নির্মাণ এবং পদ্মা নদীর তীরে বাঁধ নির্মাণ করে নগরবাসীর বিনোদনের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিলেন তিনি।

মিজানুর রহমান মিনুই প্রথম পদ্মা নদীর তীরে বাঁধ নির্মাণ করে বিনোদনপ্রেমীদের জন্য বসার সুব্যবস্থা গড়ে দেন। তার হাত ধরেই রাজশাহী গড়ে উঠেছিল একটি পরিকল্পিত ‘স্বপ্ননগরী’। তবে নগরবাসীর অভিযোগ, পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৬ বছরের শাসনামলে কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা এবং শহীদ জিয়া শিশু পার্ক ধ্বংসের মুখে পড়ে। এমনকি কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানার নামও পরিবর্তন করা হয়।

উন্নয়নের নামে এসব বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে চালানো হয় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ। গাছ কেটে বিক্রি, পশুপাখি গোপনে সরিয়ে ফেলার অভিযোগও রয়েছে। ফলে একসময় উত্তরাঞ্চলের একমাত্র বড় বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা আজ কার্যত শ্মশানে পরিণত হয়েছে বলে দাবি নগরবাসীর।

জানা গেছে, ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা ব্রিটিশ আমলে ঘোড়দৌড়ের মাঠ হিসেবে পরিচিত ছিল। প্রায় ৩৩ একর জমির এই উদ্যানটি ১৯৯৬ সালে তৎকালীন রাসিক মেয়র মিজানুর রহমান মিনু জেলা পরিষদ থেকে সিটি করপোরেশনের অধীনে নিয়ে আসেন। এরপর তিনি এটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ বিনোদন কেন্দ্রে রূপ দেন। সে সময় এখানে দেশি-বিদেশি নানা প্রজাতির গাছ ও পশুপাখি ছিল। বাঘ, সিংহ, হরিণ, বানর, হনুমান, অজগর, বিভিন্ন প্রজাতির সাপ, ময়ূর, পেলিক্যান, রাজহাঁসসহ অসংখ্য পশুপাখির আবাস ছিল এই চিড়িয়াখানায়।

১৯৯৭ সালে ঢাকা চিড়িয়াখানা থেকে আনা ছয় বছর বয়সী বাঘ ‘সম্রাট’ ছিল দর্শনার্থীদের বিশেষ আকর্ষণ। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে সংস্কারের নামে সবকিছু ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

শিশুদের বিনোদনের কথা মাথায় রেখে মিজানুর রহমান মিনু ১৯৯৫ সালে শহীদ জিয়া শিশু পার্ক নির্মাণের উদ্যোগ নেন। বিভিন্ন জটিলতা পেরিয়ে ২০০৬ সালে ১২ দশমিক ২১ একর জায়গার ওপর পার্কটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়। প্রায় ১১ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই পার্কে ছিল ১৯ ধরনের ৭০টি আধুনিক রাইড ও গেমস। উত্তরাঞ্চলে শিশুদের জন্য এটি ছিল একমাত্র আধুনিক বিনোদন কেন্দ্র।

নগরবাসীর অভিযোগ, ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর শহীদ জিয়া শিশু পার্কটিও ধ্বংসের মুখে পড়ে। এমনকি একপর্যায়ে পার্কটির নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

নগরবাসী বলছেন, মিজানুর রহমান মিনু মেয়র থাকাকালে রাজশাহীর স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও যোগাযোগ ব্যবস্থার পাশাপাশি বিনোদন খাতে যে উন্নয়ন করেছিলেন, তার পর আর নতুন কোনো বড় বিনোদন কেন্দ্র গড়ে ওঠেনি। বরং তার তৈরি স্থাপনাগুলো ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।

নগরবাসীর প্রত্যাশা, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মিজানুর রহমান মিনু সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা, শহীদ জিয়া শিশু পার্কসহ রাজশাহীর বিনোদন কেন্দ্রগুলো আবারও প্রাণ ফিরে পাবে।

সর্বশেষ - আইন

আপনার জন্য নির্বাচিত

ভারতে নয়, শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলার প্রস্তাব করেছি

রাজশাহীতে র‍্যাবের অভিযানে দুই সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার

অভিজ্ঞতা নিতে রাজশাহী সিটি পরিদর্শনে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলরবৃন্দ

মতিহারে ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত নবনিযুক্ত রাসিক প্রশাসক

“রাজশাহীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কমিটি বাতিলের পক্ষে দাবির ঝড়”

চালককে মারধরের অভিযোগ : রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ রুটে বাস বন্ধে ভোগান্তি

সারা দেশে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ শুরু

রাজশাহীতে নতুন বাইক কেড়ে নিলো যুবকের প্রান

রাজশাহীতে নতুন বাইক কেড়ে নিলো যুবকের প্রান

দাবি না মানলে কর্মবিরতির হুসিয়ারি নেসকো আউটসোর্সিং কর্মচারীদের