শনিবার , ১৭ মে ২০২৫ | ২রা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. আইন
  2. আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উপসম্পাদকীয়
  5. কৃষি
  6. খুলনা
  7. খেলা
  8. চট্টগ্রাম
  9. চাকরীর খবর
  10. জাতীয়
  11. ঢাকা
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. দেশের খবর
  14. নারী
  15. বরিশাল

প্রেমের পরিণতি মর্মান্তিক: তানোরে কলেজছাত্র চিত্তরঞ্জন খুন, লাশ মিলল বস্তায়

প্রতিবেদক
sonynews
মে ১৭, ২০২৫ ২:৪২ অপরাহ্ণ

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহীর তানোরে নিখোঁজের ২২ দিন পর এক কলেজছাত্রের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তার নাম চিত্তরঞ্জন পাল (২৬)। হত্যার ঘটনায় ৬জনকে আসামি করে থানায় মামলা হয়েছে। এ মামলায় তার প্রেমিকার বাবা, মা ও ভাবিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রোববার আসামিদের আদালতে তোলা হবে। প্রেমিকাসহ অপর তিনজন পলাতক রয়েছে।

নিহত চিত্তরঞ্জনের বাড়ি উপজেলার হাবিবনগর পালপাড়া গ্রামে। তার বাবার নাম মনোরঞ্জন পাল। একমাত্র ছেলে নিখোঁজ হওয়ার পরদিন তিনি তানোর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন। প্রেমঘটিত কারণে ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে বলে তাঁর দাবি।

চিত্তরঞ্জন নিখোঁজের ২০ দিন পর শনিবার সকালে হাবিবনগর এলাকায় শিব নদে কচুরিপানার ভেতর চিত্তরঞ্জনের বস্তাবন্দী গলিত লাশ পাওয়া যায়। পরনে থাকা লুঙ্গি ও গেঞ্জি দেখে পরিবার তার লাশ শনাক্ত করে। এ ঘটনায় নিহত চিত্তরঞ্জনের বাবা মনোরঞ্জন পাল ছয়জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা করেছেন।

গ্রেপ্তার তিনজন হলেন- একই গ্রামের স্বপন চন্দ্র পাল (৫৮), তার স্ত্রী ছবি রানী (৫০) ও কাজলী রানী পাল (৩০)। মামলার অন্য তিন আসামি স্বপনের ছেলে সুবোদ পাল (৩০), মেয়ে কুমারী কামনা পাল (২৩) ও জেলার মোহনপুর উপজেলার পেয়ারপুর গ্রামের মো. রাজু (৪৫)। এদের মধ্যে গ্রেপ্তার কাজলী রানী পাল আসামি কামনা পালের চাচাতো ভাবি।

মামলার এজাহারের বর্ণনা অনুযায়ী, অনার্স তৃতীয় বর্ষের ছাত্র চিত্তরঞ্জনের সঙ্গে কলেজছাত্রী কামনা পালের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। উভয় পরিবারে বিষয়টি জানাজানি হলে মনোরঞ্জন তার ছেলের বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে স্বপন পালের বাড়ি যান। তারা বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখান করে বাড়ি থেকে বের করে দেন। কামনার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে চিত্তরঞ্জনকে মেরে ফেলারও হুমকি দেওয়া হয়।

কিন্তু তাদের প্রেমের সম্পর্ক চলতেই থাকে। কামনা নিয়মিত চিঠিও লিখতেন। গত ২৬ এপ্রিল রাতের খাবার পেয়ে মনোরঞ্জনের পরিবারের সবাই ঘুমিয়ে পড়েন। ভোররাত ৪টার দিকে বিদ্যুৎ চলে গেলে মনোরঞ্জনের ঘুম ভেঙে যায়। এ সময় তিনি দেখেন, চিত্তরঞ্জনের ঘরের দরজা খোলা, ভেতরে কেউ নেই। তারপর থেকে চিত্তরঞ্জনের খোঁজ পাওয়া যায়নি। ২৭ এপ্রিল থেকে কামনা ও তার ভাই সুবোদকেও এলাকায় দেখা যায়নি। চিত্তরঞ্জন ছেলের ব্যাপারে স্বপন চন্দ্র পালের কাছে জানতে চেয়েছিলেন। স্বপন তাকে এলোমেলো জবাব দেন এবং ধমক দেন। ছেলেকে খুঁজে না পেয়ে মনোরঞ্জন তানোর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

এজাহারে বলা হয়, মামলার আসামিরা চিত্তরঞ্জনকে কৌশলে তাদের বাড়িতে ডেকে নিয়ে হত্যার পর লাশ বস্তায় ভরে শিব নদে ফেলে দেন। শনিবার সকালে শিব নদে বস্তাবন্দী গলিত এই লাশ পাওয়া যায়। পরনের গেঞ্জি ও লুঙ্গি দেখে ছেলের লাশ শনাক্ত করেন মনোরঞ্জন।

তানোর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফজাল হোসেন বলেন, ‘প্রেমঘটিত কারণেই চিত্তরঞ্জনকে হত্যা করে লাশ বস্তায় ভরে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। রোববার তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।’

মামলার অন্য তিন আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

সর্বশেষ - আইন

আপনার জন্য নির্বাচিত

হারানো মাদ্রাসা ছাত্রকে উদ্ধার করে মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিল মতিহার থানা পুলিশ

রাজশাহীতে বালুর দামে অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতি, সিন্ডিকেটের অভিযোগে স্থবির উন্নয়নকাজ

তিন বন্ধুরাষ্ট্র’ ভারত, চীন ও রাশিয়া থাকার পরও ব্রিকসের সদস্যপদ পায়নি বাংলাদেশ

কাটাখালি থানার অভিযানে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মাদক ব্যাবসায়ী গ্রেফতার

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া ও মিথ্যা সংবাদ প্রচার; গ্রেফতার ১

বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দিচ্ছেন তারেক রহমান

Federal government of the United States

রুয়েটের ভিসির হওয়ার দৌড়ে যারা আলোচনায়

রুয়েটের ভিসির হওয়ার দৌড়ে যারা আলোচনায়

পুলিশ সদর থেকে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশনা

পুলিশ সদর থেকে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশনা

রুয়েটের নতুন ছাত্রকল্যাণ পরিচালক হলেন অধ্যাপক কামরুজ্জামান