অনলাইন ডেস্ক: রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনের সাবেক দুই সংসদ সদস্য প্রকৌশলী এনামুল হক ও অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদসহ ২২৩ জন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
মঙ্গলবার রাতে গোয়ালকান্দি ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মুনছুর রহমান (৪৩) বাদী হয়ে বাগমারা থানায় এ মামলা দায়ের করেন। তার বাড়ি বাগমারা উপজেলার রামরামা গ্রামে। গত আগস্ট মাসে গুলিতে আহত হয়েছিলেন তিনি।
বাগমারা থানার ওসি তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘মামলায় দুই সাবেক এমপিসহ ৭৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। বাকি ১৫০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। মামলা দায়েরের পর এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিরা পলাতক। তাদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।
এজাহারের বরাত দিয়ে ওসি তৌহিদুল জানান, গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার মিছিলে যোগ দিতে মামলার বাদী মুনছুর রহমান মোটরসাইকেলে করে উপজেলা সদরের দিকে যাচ্ছিলেন। ভবানীগঞ্জ কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে আসামিরা তার গতি রোধ করেন। এরপর তার ডান পায়ের হাঁটুর ওপরে গুলি করা হয়। গুলিটি মাংস ভেদ করে পায়ের অন্য পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। এ সময় আরেকটি গুলি করা হয় মুনছুর রহমানের বাঁ পায়ের হাঁটুর নিচে।
এ ছাড়া লাঠি দিয়ে মুনছুর রহমানকে এলোপাতাড়ি আঘাত করা হয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করেন। ১০ আগস্ট তিনি হাসপাতাল থেকে বাসায় ফেরেন। চিকিৎসা শেষে অনেকটা সুস্থ হয়ে তিনি এই মামলা করলেন।
মামলার উল্লেখযোগ্য আসামীদের মধ্যে রয়েছেন, ভবানীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আব্দুল মালেক মন্ডল, তাহেরপুর ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ জিয়াউল হক টিপু, ভবানীগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মতিউর রহমান টুকু, যোগিপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাজেদুর রহমান সোহাগ, আউচপাড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জান মোহাম্মদ বক্স, সুভডাঙ্গা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম, জেলা আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মাহাবুর রহমান।





