স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহী মহানগরীতে পৃথক দুটি অভিযানে একটি চোরাই বাইসাইকেল ও একটি দেশীয় অস্ত্র (চাইনিজ কুড়াল)সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে চন্দ্রিমা থানা পুলিশ।
বাইসাইকেল চুরির অভিযোগে গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মো. সাইফুল ইসলাম (২০) ও মো. সাইফুল ইসলাম (৩২)। প্রথমজন নাটোর জেলার সিংড়া থানার মির্জাপুর কলেজপাড়ার মো. শাহ আলমের ছেলে এবং দ্বিতীয়জন রাজশাহী মহানগরীর ছোটবনগ্রাম এলাকার মো. আকবর আলীর ছেলে ও পেশায় ভাংগাড়ি ব্যবসায়ী।
পুলিশ জানায়, ১১ আগস্ট বেলা সোয়া ১১টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের সামনে ৪র্থ বর্ষের এক শিক্ষার্থী তার বাইসাইকেল রেখে ভিতরে যান। কিছু সময় পর ফিরে এসে বাইসাইকেলটি না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। বিকাল ৪টার দিকে গ্যারেজ গার্ডের মাধ্যমে জানতে পারেন, একজন চোরকে ভবনের গেটের সামনে আটক রাখা হয়েছে।
সিসিটিভি ফুটেজে শনাক্ত হওয়ার পর চুরির কথা স্বীকার করলে উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা ওই চোরকে মারপিট করে। খবর পেয়ে চন্দ্রিমা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সাইফুল ইসলাম (২০)-কে হেফাজতে নেয় এবং নিয়মিত চুরির মামলা রুজু করে।
চোরের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী দায়রা পার্ক এলাকার ভাংগাড়ি দোকানে অভিযান চালিয়ে চোরাই বাইসাইকেল উদ্ধারসহ ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম (৩২)-কে গ্রেপ্তার করা হয়।
অন্যদিকে, গত ১১ আগস্ট রাতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পালনকালে চন্দ্রিমা থানা পুলিশের অপর একটি টিম খবর পায় যে, চন্দ্রিমা থানার জামালপুর ওলি বাবার মাজার গেটে এক ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র (চাইনিজ কুড়াল) দিয়ে আরেকজনকে আঘাত করেছে।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে জামালপুর এলাকার মো. মতিউর রহমানের ছেলে মো. রায়হান (২৬)-কে গ্রেপ্তার ও অস্ত্রটি জব্দ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, রাত ৮টার দিকে ভুক্তভোগীর সঙ্গে ধাক্কা লাগা ও কথা কাটাকাটির জেরে রাত ১১টার দিকে রায়হান অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে, চড়-থাপ্পড় মারে এবং একপর্যায়ে কুড়াল দিয়ে মাথায় আঘাত করে।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে পৃথক মামলা রুজু করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।





