নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী ১০ আগস্ট রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র দ্বিবার্ষিক সম্মেলনকে ঘিরে শুরু হয়েছে উৎসবমুখর প্রস্তুতি। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) দুপুর ২টায় রাজশাহী জেলা ও মহানগর বিএনপি’র দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বিএনপি’র সম্মেলন উপলক্ষে গঠিত মিডিয়া সেল উপকমিটি।
সংবাদ সম্মেলনে উপকমিটির আহ্বায়ক, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক এবং মহানগর বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শফিকুল হক মিলন জানান, দীর্ঘ ১৬ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই সম্মেলন হবে একটি ঐতিহাসিক মিলনমেলা, যেখানে রাজশাহী মহানগরীর সকল থানার নেতাকর্মী, কাউন্সিলর ও ডেলিগেটরা অংশগ্রহণ করবেন। সম্মেলনে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখবেন বলে জানান তিনি।
এ সময় তিনি বলেন, “বিগত দিনের সকল মতানৈক্য পেছনে ফেলে বিএনপি আজ ঐক্যবদ্ধ। পুরাতন-নতুন সকল নেতাকর্মী এই সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন। কারণ এই সম্মেলন শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়—এটি হচ্ছে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনের আরেকটি শক্তিশালী ধাপ।”
তিনি আরো বলেন, “সতের বছর ধরে বিএনপিকে দমন-পীড়নের মাধ্যমে স্তব্ধ করার চেষ্টা চালানো হয়েছে। লক্ষাধিক মামলা, কারাবরণ, হাজিরার পরও বিএনপির মনোবল ভাঙা যায়নি। বরং জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলন আজও চলমান রয়েছে।”
তিনি দাবি করেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী রমজানের আগেই অনুষ্ঠিত হবে এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হবেন ড. মুহাম্মদ ইউনুস। এই ঘোষণা তারেক রহমানের নেতৃত্বে ‘ওয়ান টু ওয়ান’ আলোচনার ফল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মিলন বলেন, কাউন্সিল হবে সকলের সম্মতিতে। পুরাতন ও বর্তমান নেতৃত্ব একত্রিত হয়ে সম্মেলন সফল করবেন। তিনি সম্মেলনে সকল গণমাধ্যম কর্মীদের উপস্থিত থাকার আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন
রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নজরুল হুদা, মতিহার থানা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি আনসার আলী, বোয়ালিয়া থানা বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক রবিউল আলম মিলু, যুগ্ম আহ্বায়ক আসলাম সরকার, ওয়ালিউল হক রানা, শফিকুল ইসলাম শাফিক, জয়নুল আবেদিন শিবলী, ১৯ নং ওয়ার্ডে সাবেক কাউন্সিলর ও মহানগর বিএনপির সদস্য মনিরুজ্জামান শরীফ, মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সুইট, বর্তমান আহ্বায়ক মাহফুজুর রহমান রিটন, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক শফিকুল আলম সমাপ্ত।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বোয়ালিয়া থানা (পূর্ব) বিএনপি’র সভাপতি শামসুল হোসেন মিলু, রাজপাড়া থানা বিএনপি’র সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান, জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মোজাদ্দেদ জামানী সুমন এবং মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি জাকির হোসেন রিমন।





