নিজস্ব প্রতিবেদক: তখন সকাল সোয়া সাতটা। দিনটি ছিল গতকাল শুক্রবার (১০ জানুয়ারি)। নাটোর জেলার একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান এক শিশু কন্যা সহ স্ত্রীকে নিয়ে রিক্সা যোগে রাজশাহী নগরীর লক্ষীপুর মোড় থেকে রেলওয়ে স্টেশনে রওনা হন। তাদের গন্তব্য ঢাকাগামী সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেনে নাটোরের লালপুর উপজেলার আব্দুলপুর জংশন রেলওয়ে স্টেশন। ট্রেন ছাড়ার সময় ছিল সকাল ৭টা ৪০ মিনিট। ৭টা ২০ মিনিটে তাদের রিক্সা যখন নগরীর বর্ণালী মোড় পার হচ্ছে হঠাৎ ওই শিক্ষকের স্ত্রী খেয়াল করলেন তার ভ্যানিটি ব্যাগটিতে ডান দিক থেকে টান পড়ছে। একটু খেয়াল করতেই তিনি দেখলেন তাদের রিক্সার ডানপাশে একটি মোটরসাইকেল আরোহী তার ভ্যানিটি ব্যাগটি টানাটানি করছে। ততোক্ষণ বিষয়টি পাশে বসা তার স্বামীও বুঝতে পারেন। ব্যাগের একটি হাতল স্বামী-স্ত্রী চেপে ধরলে আরেকটি হাতল সহ ব্যাগটি ছিনিয়ে নিতে সক্ষম হয় ওই ছিনতাইকারী। এসময় দম্পতি হতভম্ব হতেই গন্তব্য স্থলের দিকে এগিয়ে যায় তাদের রিক্সা।
ওই শিক্ষক রিক্সাওয়ালার ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, ঘটনার সময় তাকে রিক্সা থামাতে বললেও না শোনার ভান করে সে একইভাবে চালাতে থাকে। মোস্তাফিজুর রহমান স্টেশনে পৌঁছে রেলওয়ে পুলিশকে মৌখিকভাবে ঘটনাটি অবহিত করেন। পুলিশ জানতে চাইলে তিনি বলেন ওই ব্যাগে একটি মোবাইল, কিছু অলংকারসহ ব্যবহৃত কসমেটিক ছিল।
জানতে চাইলে শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন,
ট্রেন ধরার তাড়া থাকায় আর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন নি তিনি।




