<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>উপসম্পাদকীয় &#8211; সনি বাংলা</title>
	<atom:link href="https://sonybangla.news/news/%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%95%E0%A7%80%E0%A7%9F/feed" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://sonybangla.news</link>
	<description>সত্য প্রকাশে অবিচল</description>
	<lastBuildDate>Thu, 18 Jan 2024 18:21:44 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	
	<item>
		<title>সফল ও দক্ষ প্রয়াত রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) এর জন্মদিন&#8230;.</title>
		<link>https://sonybangla.news/8615.html</link>
					<comments>https://sonybangla.news/8615.html#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[সনি নিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 18 Jan 2024 18:21:44 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[উপসম্পাদকীয়]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতির খবর]]></category>
		<category><![CDATA[সফল ও দক্ষ প্রয়াত রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) এর জন্মদিন....]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sonybangla.news/?p=8615</guid>

					<description><![CDATA[রাবি প্রতিনিধি: ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের যুদ্ধের স্বাধীনতার ঘোষণা করেন। বাংলাদেশ যুদ্ধের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় সূচনা করেছেন। আজ তার শুভ জন্মদিন। ১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি জিয়াউর রহমান বগুড়া জেলার নশিপুর ইউনিয়নে বাগবাড়ী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মনসুর রহমান ছিলেন একজন বিশিষ্ট রসায়নবিদ ও মাতা জাহানারা&#8230; <a class="more-link" href="https://sonybangla.news/8615.html">Continue reading <span class="screen-reader-text">সফল ও দক্ষ প্রয়াত রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) এর জন্মদিন&#8230;.</span></a>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><strong>রাবি প্রতিনিধি: </strong>১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের যুদ্ধের স্বাধীনতার ঘোষণা করেন। বাংলাদেশ যুদ্ধের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় সূচনা করেছেন। আজ তার শুভ জন্মদিন।</p>
<p style="text-align: justify;">১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি জিয়াউর রহমান বগুড়া জেলার নশিপুর ইউনিয়নে বাগবাড়ী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মনসুর রহমান ছিলেন একজন বিশিষ্ট রসায়নবিদ ও মাতা জাহানারা খাতুন দম্পতির দ্বিতীয় সন্তান। জিয়াউর রহমান কলকাতা হেয়ার স্কুল ও করাচি একাডেমি থেকে তিনি কৃতিত্বের সঙ্গে মাধ্যমিক শিক্ষা সমাপ্ত করে ১৯৫৩ সালে করাচি ডিজে কলেজে ভর্তি হন। একই বছর তিনি কাকুল পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমিতে অফিসার ক্যাডেট হিসেবে যোগদান করেন। সামরিক বাহিনীতে তিনি একজন সুদক্ষ প্যারাট্রুপার ও কমান্ডো হিসেবে সুপরিচিতি লাভ করেন এবং স্পেশাল ইন্টেলিজেন্স কোর্সে উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে কমান্ডার হিসেবে খেমকারান সেক্টরে তিনি অসীম বীরত্বের পরিচয় দেন। এই যুদ্ধে বীরত্বের জন্য হিলাল-ই-জুরাত খেতাবে ভূষিত করে। অ্যাডভান্সড মিলিটারি অ্যান্ড কমান্ড ট্রেনিং কোর্সে উচ্চতর প্রশিক্ষণের জন্য তিনি পশ্চিম জার্মানিতে যান এবং কয়েক মাস ব্রিটিশ আর্মির সঙ্গেও কাজ করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">১৯৭১ সালে ১৭ এপ্রিল তিনি ১ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার নিযুক্ত হন এবং চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, রাঙ্গামাটি, মিরসরাই, রামগড়, ফেনী প্রভৃতি স্থানে মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত করেন। জুন হতে অক্টোবর পর্যন্ত যুগপৎ ১১ নম্বর সেক্টরের ও জেড-ফোর্সের কমান্ডার হিসেবে তিনি বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করে রাষ্ট্রীয় বীর উত্তম খেতাব উপাধি পান।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি প্রথম সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের সূচনা করেন এবং পাকিস্তানীদের বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। রণনায়ক হিসেবে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের অনেক রাজনীতিবিদদের কাছে সমাদৃত ও স্বীকৃত। শেখ মুজিবের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একদলীয় শাসন রহিতকরণের মাধ্যমে গণতন্ত্রকে পুনরায় প্রতিষ্ঠার জন্য ও অর্থনীতি পুনর্নির্মাণ করার জন্য অর্থনৈতিক সংস্কার গ্রহণের জন্য জিয়াউর রহমানকে কৃতিত্ব দেয়া হয়। তার ধর্মপরায়ন ইসলামিক মনোভাবের কারনে দেশের জনগণ সৎ শাসক হিসাবে অত্যন্ত ভালোবাসতেন।<br />
জিয়াউর রহমানের সামরিক ও রাজনৈতিক জীবনের নানা দিক নিয়ে আলোচনা করা যায়। বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের ধারণা প্রবর্তন করে দেশের অর্থনীতির ভিত গড়ে দেওয়া, প্রতিরক্ষার জন্য শক্তিশালী সামরিক বাহিনী গঠন করা, খাল খনন, গ্রাম সরকার, কৃষির উন্নয়ন, গণশিক্ষা,১৯ দফা সহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমের রাষ্ট্রের একটি গণচরিত্র গঠন করা, জনজীবনে নিয়মানুবর্তিতা ফিরিয়ে আনা, দক্ষ ও কৌশলী আমলাতন্ত্র গড়ে তোলার উদ্যোগ, বেকারত্ব হ্রাস করা, শিল্পকারখানায় উৎপাদনের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা, মেয়েদের স্কুল ফুটবল শুরু করা, জাতীয় ক্রিকেট দল গঠন করা, চলচ্চিত্রে অনুদানপ্রথা চালু করা, একুশে ও স্বাধীনতা পদক প্রবর্তন করাসহ অনেক কিছু নিয়েই আলাপ-আলোচনা করা যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">১৯৭৭ সালে ২১ এপ্রিল জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব নেন। দায়িত্ব গ্রহণের ২৪ ঘন্টারও কম সময়ে, জিয়াউর তার শাসন সম্পর্কে জনগণের দৃষ্টিভঙ্গি জানতে একটি আস্থা গণভোট করার ঘোষণা দেন। সে গণভোটে জিয়াউর রহমান ৯৮.৮৭% ভোট পেয়েছিলেন এবং জিয়াউর রহমান পরের বছরে একটি জনপ্রিয় ভোটের ঘোষণা দেন।</p>
<p style="text-align: justify;">১৯৭৮ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ছিল পটপরিবর্তনের পর বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। জিয়াউর রহমান একজন যুদ্ধ-নায়ক,প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন প্রতিযোগিতায় যোগ দিয়ে ৭৭% ভোট পেয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">জিয়ার ১৯ দফা কর্মসূচির মাধ্যমে সূচিত দেশের উন্নয়ন ও জাতি গঠন কাজে বাংলাদেশের নারীদের সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেয়া হয়। ১৯ দফার ১১ নম্বর দফায় নারীদের যথাযোগ্য মর্যাদা নিশ্চিত করে এবং সমাজে তাদের যোগ্য স্থানে প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়।<br />
নারীর কল্যাণ ও তাদের অবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৯৭৬ সালে রাষ্ট্রপতির সচিবালয়ের অধীনে একটি নারীবিষয়ক দফতর প্রতিষ্ঠা করা হয়। পরে ১৯৭৮ সালে জিয়াউর রহমান সরকার ‘মহিলাবিষয়ক’ একটি স্বতন্ত্র ও পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করে। সকল সেক্টরে জিয়াউর রহমান এর নিজস্ব আধুনিক দর্শন ছিলো।শহীদ জিয়াউর রহমানের শিক্ষা দর্শন এবং তা বাস্তবায়নের তাঁর গৃহীত নীতি ও উদ্যোগ বাংলাদেশের জনমনে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছিল। তিনি স্বাধীন দেশের উপযোগী এবং উৎপাদনমূখী শিক্ষাব্যবস্থা প্রবর্তনে বিশ্বাসী ছিলেন। ১৯৭৮ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর ঢাকায় একটি “জাতীয় শিক্ষা ওয়ার্কসপ” আয়োজন করেন। এতে শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে জড়িত সারাদেশ থেকে হাজার হাজার শিক্ষাকর্মী এবং শিক্ষা বিশেষজ্ঞগণ উপস্থিত ছিলেন। জিয়াউর রহমান প্রতিটি শিশুকে স্কুলে নেয়ার জন্য বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার ব্যবস্থা করেছিলেন। মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে নানামুখী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছিল। তিনি দেশে শিক্ষার সার্বিক উন্নয়নে গণগ্রন্থাগারের অসাধারণ ভূমিকার বিষয়টি উপলব্ধি করেই দেশের প্রতিটি থানায় একটা করে গণগ্রন্থাগার ও মিলনায়তন প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েছিলেন।১৯৭৯ সালে ২ এপ্রিল জাতীয় সংসদে জিয়াউর রহমান বৃত্তিমূলক ও কারিগরি শিক্ষাকে “জাতির জন্য কল্যাণকর” বলে আখ্যায়িত করেছিলেন। এ কারণেই তিনি ১৯৭৬ সালে “জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিদ্যা পরিষদ” গঠন করেন। জিয়াউর রহমান মনে করতেন গ্রামীণ ও পল্লী উন্নয়নে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিদ্যার ব্যাপক প্রয়োগ ও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক পরিকল্পনায় উপযোগী প্রযুক্তিবিদ্যার ব্যাপক প্রয়োগ ও ব্যবহার দরকার। আর এ জন্য তাঁর সরকার ‘পল্লী প্রযুক্তি উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান’ গড়ে তোলেছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">শিশুরা জাতির ভবিষ্যৎ। তাই এ দেশের শিশুদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে তাদের সাংস্কৃতিক-মানসিক ও সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশের উদ্দেশ্যে ১৯৭৬ সালে রাষ্ট্রপতির এক অধ্যাদেশ বলে একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে ‘বাংলাদেশ শিশু একাডেমি’ প্রতিষ্ঠা করেন।<br />
জিয়াউর রহমান ১৯৭৯ সালের ২২ নভেম্বর ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। তিনি মাদ্রাসা শিক্ষার উন্নয়নের জন্য ‘বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড’ প্রতিষ্ঠা করেন।বাংলাদেশের জনসংখ্যার একটি বড় অংশ বয়স্ক প্রবীণ। তাদের অধিকাংশই অক্ষরজ্ঞানহীন। অথচ পুরো জাতিকে শিক্ষিত করে তোলা না গেলে জাতীয় অগ্রগতি ও উন্নতির ধারা নিশ্চিত করা অসম্ভব বলে শহীদ জিয়াউর রহমান মনে করতেন। তিনি উপলব্ধি করলেন যে, সার্বিক জনগণকে জাতীয় চেতনায় সমৃদ্ধ করে তুলতে অক্ষরজ্ঞানের বিকল্প নেই। তাই তিনি ১৯৮০ সালে ২১ ফেব্রুয়ারী ‘গণশিক্ষা’ কার্যক্রম চালু করে ৪০ লক্ষের অধিক মানুষকে অক্ষরজ্ঞান লাভ করেন।এর ফলে নিরক্ষতার অভিশাপ থেকে অনেকাংশ মুক্তি পাওয়া যায়। শহীদ জিয়াউর রহমান নারী শিক্ষাকে বিশেষ গুরুত্ব দেন। শিক্ষিত নারীদের কর্মজীবী নারীতে রূপান্তরিত করার জন্য সরকারি-বেসরকারি খাতে চাকরির শূন্য পদে নারীদের জন্য শতকরা ১০ শতাংশ পদ সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">মেডিক্যাল কলেজসমূহের ২০ শতাংশ আসন নারী শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। নারী পুলিশ সদস্য, আনসার ও গ্রাম সরকার প্রতিরক্ষা বাহিনীতে নারীদের নিয়োগের উদ্যোগ জিয়াউর রহমান প্রথম চালু করেছিলেন। জিয়াউর রহমান চার বছরে শাসন আমলে শিক্ষা ক্ষেতে অবদান লিখে শেষ করা সম্ভব নয়। তেমনি আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে জিয়াউর রহমানের অবদান সাফল্যমন্ডিত।<br />
সকল দলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান ও জাতীয় সংসদের ক্ষমতা বৃদ্ধি। বিচার বিভাগ ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেয়া। সংবাদপত্রে স্বাধীন ও শক্তিশালী করতে জিয়াউর রহমান বিভিন্ন দুর্নীতি অনিয়ম ইত্যাদি প্রকাশের জন্য সাংবাদিকদের নির্দেশ প্রদান করেন। দক্ষ সাংবাদিক সৃষ্টির লক্ষে বিদেশ থেকে সাংবাদিক এনে প্রশিক্ষন ব্যবস্থা করা ও ১৯৭৭ সালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের নিজস্ব জায়গা হিসেবে বরাদ্দ দেন এবং নতুন ভবন নির্মাণ করেন। মহান ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধার অন্যতম নির্দশনস্বরূপ তিনি রাষ্ট্রীয় সম্মান হিসেবে ‘একুশে পদক’ প্রদান প্রবর্তন করেন। দেশে কৃষি বিপ্লব, গণশিক্ষা বিপ্লব ও শিল্প উৎপাদনে বিপ্লব।</p>
<p style="text-align: justify;">সেচব্যবস্থা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে স্বেচ্ছাশ্রম ও সরকারি সহায়তার সমন্বয় ঘটিয়ে ৪০০০ এর অধিক খাল খনন ও পুনর্খনন করেন। গ্রামাঞ্চলে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় সহায়তা প্রদান ও গ্রামোন্নয়ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (ভিডিপি) গঠন করে গ্রামাঞ্চলে চুরি, ডাকাতি, রাহাজানি বন্ধ করা হয়। জিয়াউর রহমান শাসন আমলে হাজার হাজার মাইল রাস্তা-ঘাট নির্মাণ করা হয়। স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের লক্ষে জিয়াউর রহমান ২৭৫০০ পল্লী চিকিৎসক নিয়োগ করে গ্রামীণ জনগণের চিকিৎসার সুযোগ বৃদ্ধিকরণ করেন। তিনি জনগনের কল্যানের জন্য মহাখালী নার্সিং কলেজ, জাতীয় হৃদরোগ ইনষ্টিটিউট ও হাসপাতাল,পল্লীবিদ্যুৎ বোর্ড, আইসিডিডিআর,বি প্রতিষ্ঠা করে আন্তর্জাতিক উদরাময় রোগ গবেষণা কেন্দ্র যা বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য সংসদে একটি আইন পাস করেন এবং ১৯৭৯ সালের ২৬ জুন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিজেই কেন্দ্রটি উদ্বোধন করেছিলেন এবং কেন্দ্রটি পরিচালনার জন্য ১৪ জনের মধ্যে বিখ্যাত বিদেশি ১১ জন বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করেছিলেন, এছাড়াও শিশু হাসপাতাল, নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স, জাতীয় অর্থপেডিক হাসপাতাল, জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনষ্টিটিউট স্থাপন করেন। তিনি নতুন নতুন শিল্প কলকারখানা স্থাপনের ভেতর দিয়ে অর্থনৈতিক বন্ধ্যাত্ব দূরীকরণ এবং কলকারখানায় তিন শিফট চালু করে শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধি করেন এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও দেশকে খাদ্য রপ্তানির পর্যায়ে উন্নীতকরণ করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">জিয়াউর রহমান যুব উন্নয়ন মন্ত্রাণালয় ও মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয় সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে যুব ও নারী সমাজকে সম্পৃক্তকরণ করেছিলেন। ধর্ম মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করে সকল মানুষের স্ব স্ব ধর্ম পালনের সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধিকরণ করেছিলেন।<br />
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সৃষ্টি করে প্রযুক্তির ক্ষেত্রে অগ্রগতি সাধন করেছিলেন। তিনি তৃণমূল পর্যায়ে গ্রামের জনগণকে স্থানীয় প্রশাসন ব্যবস্থা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্তকরণ এবং সর্বনিম্ন পর্যায় থেকে দেশ গড়ার কাজে নেতৃত্ব সৃষ্টি করার লক্ষ্যে গ্রাম সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন। জিয়াউর রহমান জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের আসনলাভ করেছিলেন।<br />
তিন সদস্যবিশিষ্ট আল-কুদস কমিটিতে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি ও দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলে &#8216;সার্ক&#8217; প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগ গ্রহণ করেন।<br />
বেসরকারি খাত ও উদ্যোগকে উৎসাহিতকরণ করে জনশক্তি রপ্তানি, তৈরি পোশাক, হিমায়িত খাদ্য, হস্তশিল্পসহ সকল অপ্রচলিত পণ্যর রপ্তানির দ্বার উন্মোচন করেছিলেন। শিল্পখাতে বেসরকারি বিনিয়োগের পরিমাণ বৃদ্ধি ও বিনিয়োগ ক্ষেত্রের সম্প্রসারণ করে ব্যাপক উন্নয়ন করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উজ্জ্বল বাংলাদেশ নির্মানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম বাংলাদেশের কূটনৈতিক নীতিমালায় বিশেষ পরিবর্তন আনেন এবং আন্তর্জাতিক স্নায়ু যুদ্ধের পরিস্থিতিতে পররাষ্ট্রনীতির উল্লেখযোগ্য সংস্কার করেন ও পশ্চিমা ও মধ্যেপ্রাচের সাথে স্বাধীনতার পর থেকে যে শৈত্য বিরাজ করছিল সে সম্পর্ক তিনি বন্ধুসুলভ করেন এবং স্বাভাবিক করেন,ফলে সৌদি আরব সহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো যে বিপুল পরিমাণ বাংলাদেশী প্রবাসী শ্রমিকদের কর্মস্থলে পরিণত ও দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয়েছে তার রূপরেখা জিয়াউর রহমান রচনা করে গিয়েছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশ ১৯৭৯ সালে জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জিয়াউর রহমান হলেন প্রথম বাংলাদেশি রাষ্ট্রপ্রধান যাকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার হোয়াইট হাউসে ও যুক্তরাজ্য এলিসি প্যালেসে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। ফিলিস্তিনের সমস্যা সমাধানের জন্য জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো -অপারেশনের চারটি স্থায়ী কমিটির একটি আল-কুদস কমিটির সদস্য হয়ে তিনি বিশ্ব নেতা হিসাবে পরিচিতি অর্জন করেন। জিয়াউর রহমান বন্ধুত্ব ও সুসম্পর্ক স্থাপন করার মাধ্যমে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর পু্নর্গঠনের কাজ অনেকটা ত্বরান্বিত করেছিলেন। এ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রর সাথে উন্নত কূটনৈতিক সম্পর্কের কারণে রাষ্ট্রীয় বিমান পরিবহন সংস্থা বিমানের আধুনিকীকরণও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">আন্তজার্তিক ভাবে ইরান ইরাক যুদ্ধে ভূমিকা রেখে সূদৃঢ় অবস্থান নিশ্চিত করেছিলেন। ১৯৮০ সালের আগস্টে জিয়াউর রহমান ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি প্রাসাদে আমন্ত্রিত বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে রাষ্ট্রপতি ভ্যালেরি গিসকার্ড ডি&#8217;ইস্টাইং কর্তৃক ইলিসি প্রাসাদে আমন্ত্রিত হন ও দেশের উন্নয়নে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর করেন। জিয়াউর রহমানের শক্তিশালী অবস্থান ও কুটনৈতিক সফলতা জন্য মিয়ানমার ১৯৭৯ সালে ২০০০০০ রোহিঙ্গা ফিরিয়ে নেয়। তিনি ১৯৭৭ সালে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠা করেন ও গ্রাম গুলিকে বিদ্যুতায়িত করেন। গ্রাম সরকার সকল স্তরে সুশাসন নিশ্চিত করার জন্য প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা কেন্দ্রীয় বিষয়, তাই জিয়াউর রহমান স্বনির্ভর গ্রাম সরকার কর্মসূচির সূচনা করেছিলেন যাতে গ্রামবাসীরা খাদ্য উৎপাদন, গ্রামভিত্তিক সমবায় গঠন, গণসংযোগের মতো উন্নয়ন কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিতে পারে।</p>
<p style="text-align: justify;">জিয়াউর রহমান জন্মনিয়ন্ত্রণ রোধে পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রনালয় স্থাপন করেন। ব্যক্তি উদ্যোগে শিল্প প্রসারের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। বর্তমান ঢাকা মহানগরের মতিঝিলে অবস্থিত শিল্পভবন নামক বহুতল দালানটি জিয়াউর রহমানের আমলেই করা। চট্টগ্রামে প্রথম ইপিজেড প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু করেন জিয়াউর রহমান। জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পুনরায় চালু করেন। তার নেতৃত্বাধীন সরকার কমপক্ষে ১০টি সেক্টরকে বিজাতীয়করণ করে এবং কিছু শিল্পের মালিকানা স্থানীয় উদ্যোক্তাদের কাছে হস্তান্তর এবং তহবিল দিয়ে তাদের সহায়তা করার বিধান চালু করেন এবং পণ্য উৎপাদন ও রপ্তানিতে বিশেষ ভূমিকা রাখা ব্যবসায়ীদের ক্রেস্ট পুরস্কার প্রদান করেন। জিয়াউর রহমানকে কিছু মূল সংস্কারের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য কৃতিত্ব দেওয়া হয় যা শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের অর্থনীতি ও সমাজকে গঠন করেছিল। তার আমলে তৈরি পোশাক শিল্পের সূচনা হয়েছিল যা শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের অর্থনীতিতে পরিবর্তন এনেছিল। এই সংস্কারগুলির মধ্যে রয়েছে বাণিজ্যের উদারীকরণ, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, উদ্যোক্তাদের প্রচার যার ফলে রপ্তানি-নেতৃত্বাধীন বৃদ্ধি।</p>
<p style="text-align: justify;">জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক বন্ধ অর্থনীতি থেকে পুঁজিবাদী উদার অর্থনীতিতে রূপান্তরের সভাপতিত্ব করেন। জিয়াউর রহমান বিবিসি জরিপে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি আসন লাভ করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">আমরা এই ৮৮ তম জন্মবার্ষিকীতে মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে আমাদের প্রার্থনা বাংলাদেশের স্থপতি, বহু দলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্ক্তা, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আর্দশের জাতির পিতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কে জান্নাতুল ফেরদৌসের উচ্চ মাকাম দান করুন এবং তার দেশসেবায় জীবিত থাকাকালীন সকল নেক কাজ গুলো কবুল করুন,আমিন।</p>
<p style="text-align: justify;">লেখকঃ<br />
সুলতান আহমেদ রাহী<br />
আহ্বায়ক<br />
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>সনি বাংলা ডট কম/ইআবি</strong></p>
<p><a class="a2a_button_facebook" href="https://www.addtoany.com/add_to/facebook?linkurl=https%3A%2F%2Fsonybangla.news%2F8615.html&amp;linkname=%E0%A6%B8%E0%A6%AB%E0%A6%B2%20%E0%A6%93%20%E0%A6%A6%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%20%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A4%20%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A6%BF%20%E0%A6%B6%E0%A6%B9%E0%A7%80%E0%A6%A6%20%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%89%E0%A6%B0%20%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%20%28%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%B0%20%E0%A6%89%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%AE%29%20%E0%A6%8F%E0%A6%B0%20%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E2%80%A6." title="Facebook" rel="nofollow noopener" target="_blank"></a><a class="a2a_button_twitter" href="https://www.addtoany.com/add_to/twitter?linkurl=https%3A%2F%2Fsonybangla.news%2F8615.html&amp;linkname=%E0%A6%B8%E0%A6%AB%E0%A6%B2%20%E0%A6%93%20%E0%A6%A6%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%20%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A4%20%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A6%BF%20%E0%A6%B6%E0%A6%B9%E0%A7%80%E0%A6%A6%20%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%89%E0%A6%B0%20%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%20%28%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%B0%20%E0%A6%89%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%AE%29%20%E0%A6%8F%E0%A6%B0%20%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E2%80%A6." title="Twitter" rel="nofollow noopener" target="_blank"></a><a class="a2a_button_email" href="https://www.addtoany.com/add_to/email?linkurl=https%3A%2F%2Fsonybangla.news%2F8615.html&amp;linkname=%E0%A6%B8%E0%A6%AB%E0%A6%B2%20%E0%A6%93%20%E0%A6%A6%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%20%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A4%20%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A6%BF%20%E0%A6%B6%E0%A6%B9%E0%A7%80%E0%A6%A6%20%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%89%E0%A6%B0%20%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%20%28%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%B0%20%E0%A6%89%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%AE%29%20%E0%A6%8F%E0%A6%B0%20%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E2%80%A6." title="Email" rel="nofollow noopener" target="_blank"></a><a class="a2a_dd addtoany_share_save addtoany_share" href="https://www.addtoany.com/share#url=https%3A%2F%2Fsonybangla.news%2F8615.html&#038;title=%E0%A6%B8%E0%A6%AB%E0%A6%B2%20%E0%A6%93%20%E0%A6%A6%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%20%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A4%20%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A6%BF%20%E0%A6%B6%E0%A6%B9%E0%A7%80%E0%A6%A6%20%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%89%E0%A6%B0%20%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%20%28%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%B0%20%E0%A6%89%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%AE%29%20%E0%A6%8F%E0%A6%B0%20%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E2%80%A6." data-a2a-url="https://sonybangla.news/8615.html" data-a2a-title="সফল ও দক্ষ প্রয়াত রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) এর জন্মদিন…."></a></p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sonybangla.news/8615.html/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">8615</post-id>	</item>
		<item>
		<title>টিকেট ছাড়া ট্রেন যাত্রা ‘চিত্রার‘ অতঃপর সফটওয়্যার কোম্পানি প্রতিষ্ঠাতার স্ত্রী!</title>
		<link>https://sonybangla.news/2753.html</link>
					<comments>https://sonybangla.news/2753.html#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[সনি নিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 02 Nov 2022 09:38:14 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
		<category><![CDATA[উপসম্পাদকীয়]]></category>
		<category><![CDATA[নারী]]></category>
		<category><![CDATA[সম্পাদকীয়]]></category>
		<category><![CDATA[অতঃপর সফটওয়্যার কোম্পানি প্রতিষ্ঠাতার স্ত্রী!]]></category>
		<category><![CDATA[টিকেট ছাড়া ট্রেন যাত্রা চিত্রার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sonybangla.news/?p=2753</guid>

					<description><![CDATA[সাগর শেখ জীবন: একবার একজন টিটিই (ট্রেন টিকিট পরীক্ষক) যিনি মুম্বাই থেকে বেঙ্গালুরুগামী একটি ট্রেনে ডিউটিতে ছিলেন। তিনি একটি মেয়েকে ধরেছিলেন,যে একটি সিটের নীচে লুকিয়ে ছিল। তার বয়স ছিল প্রায় ১৩ বা ১৪ বছর। টিটি মেয়েটিকে তার টিকিট দেখাতে বলে। মেয়েটি ইতস্তত করে উত্তর দিল যে তার কাছে টিকিট নেই। টিটি মেয়েটিকে অবিলম্বে ট্রেন থেকে&#8230; <a class="more-link" href="https://sonybangla.news/2753.html">Continue reading <span class="screen-reader-text">টিকেট ছাড়া ট্রেন যাত্রা ‘চিত্রার‘ অতঃপর সফটওয়্যার কোম্পানি প্রতিষ্ঠাতার স্ত্রী!</span></a>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><strong>সাগর শেখ জীবন:</strong> একবার একজন টিটিই (ট্রেন টিকিট পরীক্ষক) যিনি মুম্বাই থেকে বেঙ্গালুরুগামী একটি ট্রেনে ডিউটিতে ছিলেন। তিনি একটি মেয়েকে ধরেছিলেন,যে একটি সিটের নীচে লুকিয়ে ছিল। তার বয়স ছিল প্রায় ১৩ বা ১৪ বছর।</p>
<p style="text-align: justify;">টিটি মেয়েটিকে তার টিকিট দেখাতে বলে। মেয়েটি ইতস্তত করে উত্তর দিল যে তার কাছে টিকিট নেই। টিটি মেয়েটিকে অবিলম্বে ট্রেন থেকে নেমে যেতে বললেন। হঠাৎ পেছন থেকে একটা কণ্ঠস্বর শোনা গেল। যিনি বললেন, আমি ওর টিকেটের দাম দেব। এটি ছিল একজন &#8216;শ্রীমতি ঊষা ভট্টাচার্যের&#8217; কণ্ঠস্বর, যিনি পেশায় একজন কলেজের প্রভাষক ছিলেন। মিসেস ভট্টাচার্য মেয়েটির টিকিটের টাকা দিয়ে তাকে তার কাছে বসতে বললেন। তিনি তাকে জিজ্ঞাসা করলেন তার নাম কি। &#8220;চিত্রা&#8221;, মেয়েটি উত্তর দিল। &#8220;কোথায় যাচ্ছে?&#8221;<br />
মেয়েটি বলল, &#8220;আমার কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই।&#8221; &#8220;তাহলে আমার সাথে চলো।&#8221; মিসেস ভট্টাচার্য মেয়েটিকে বললেন।</p>
<p style="text-align: justify;">ব্যাঙ্গালোরে পৌঁছানোর পর মিসেস ভট্টাচার্য মেয়েটিকে একটি এনজিওর কাছে হস্তান্তর করলেন। পরে মিসেস ভট্টাচার্য দিল্লিতে চলে যান এবং দুজনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। প্রায় 20 বছর পর মিসেস ভট্টাচার্যকে একটি কলেজে বক্তৃতা দেওয়ার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোতে আমন্ত্রণ জানানো হলো।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি সেখানকার একটি রেস্তোরাঁয় গিয়ে খাবার খাচ্ছিলেন। খাবার শেষ করার পর তিনি বিলের জন্য ওয়েটারকে ডাকলেন। ওয়েটার তাঁকে বললো যে, তার বিল ইতিমধ্যেই পরিশোধ করা হয়ে গিয়েছে। পিছন ফিরে তিনি দেখতে পেলেন একজন মহিলা তার স্বামীর সাথে তাঁর দিকে তাকিয়ে হাসছেন। মিসেস ভট্টাচার্য দম্পতিকে জিজ্ঞাসা করলেন,&#8221;আপনি আমার বিল কেন দিয়েছেন?&#8221; যুব মহিলাটি উত্তর দিল—&#8221;ম্যাম, মুম্বাই থেকে ব্যাঙ্গালোরের ট্রেন যাত্রায় আপনি আমার জন্য যে ভাড়া দিয়েছেন তার তুলনায় আমি যে বিলটি দিয়েছি তা খুবই সামান্য।&#8221; মিসেস ভট্টাচার্য চিত্রাকে চিনতে পারলেন এবং দুই মহীয়সীর চোখ থেকে অশ্রু গড়িয়ে পড়তে লাগলো। &#8220;ওহ চিত্রা&#8230; এটা তুমি&#8230;!!!&#8221; মিসেস ভট্টাচার্য খুশি হয়ে বললেন।</p>
<p style="text-align: justify;">মিসেস ভট্টাচার্যকে জড়িয়ে ধরে যুবতী বলল, &#8220;ম্যাম আমার নাম এখন চিত্রা নয়। আমি এখন সুধা মূর্তি। আর ইনি আমার স্বামী নারায়ণ মূর্তি।&#8221; বিস্মিত হবেন না, আপনি ইনফোসিস লিমিটেডের চেয়ারম্যান মিসেস সুধা মূর্তি এবং মিস্টার নারায়ণ মূর্তির সত্যিকারের গল্প পড়ছেন, যিনি মাল্টি মিলিয়ন ইনফোসিস সফটওয়্যার কোম্পানি প্রতিষ্ঠাতা। চলুন এই গল্পের একটু গভীরে যাই&#8230;<br />
&#8216;অক্ষতা মূর্তি&#8217; এই দম্পতিরই মেয়ে, যিনি যুক্তরাজ্যের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাকের বিবাহিতা, স্ত্রী।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><em>সনি বাংলা ডট কম/ইআবি</em></strong></p>
<p><a class="a2a_button_facebook" href="https://www.addtoany.com/add_to/facebook?linkurl=https%3A%2F%2Fsonybangla.news%2F2753.html&amp;linkname=%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%9F%20%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BE%20%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%A8%20%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%20%E2%80%98%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E2%80%98%20%E0%A6%85%E0%A6%A4%E0%A6%83%E0%A6%AA%E0%A6%B0%20%E0%A6%B8%E0%A6%AB%E0%A6%9F%E0%A6%93%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF%20%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A0%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%21" title="Facebook" rel="nofollow noopener" target="_blank"></a><a class="a2a_button_twitter" href="https://www.addtoany.com/add_to/twitter?linkurl=https%3A%2F%2Fsonybangla.news%2F2753.html&amp;linkname=%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%9F%20%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BE%20%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%A8%20%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%20%E2%80%98%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E2%80%98%20%E0%A6%85%E0%A6%A4%E0%A6%83%E0%A6%AA%E0%A6%B0%20%E0%A6%B8%E0%A6%AB%E0%A6%9F%E0%A6%93%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF%20%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A0%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%21" title="Twitter" rel="nofollow noopener" target="_blank"></a><a class="a2a_button_email" href="https://www.addtoany.com/add_to/email?linkurl=https%3A%2F%2Fsonybangla.news%2F2753.html&amp;linkname=%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%9F%20%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BE%20%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%A8%20%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%20%E2%80%98%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E2%80%98%20%E0%A6%85%E0%A6%A4%E0%A6%83%E0%A6%AA%E0%A6%B0%20%E0%A6%B8%E0%A6%AB%E0%A6%9F%E0%A6%93%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF%20%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A0%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%21" title="Email" rel="nofollow noopener" target="_blank"></a><a class="a2a_dd addtoany_share_save addtoany_share" href="https://www.addtoany.com/share#url=https%3A%2F%2Fsonybangla.news%2F2753.html&#038;title=%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%9F%20%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BE%20%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%A8%20%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%20%E2%80%98%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E2%80%98%20%E0%A6%85%E0%A6%A4%E0%A6%83%E0%A6%AA%E0%A6%B0%20%E0%A6%B8%E0%A6%AB%E0%A6%9F%E0%A6%93%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF%20%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A0%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%21" data-a2a-url="https://sonybangla.news/2753.html" data-a2a-title="টিকেট ছাড়া ট্রেন যাত্রা ‘চিত্রার‘ অতঃপর সফটওয়্যার কোম্পানি প্রতিষ্ঠাতার স্ত্রী!"></a></p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sonybangla.news/2753.html/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">2753</post-id>	</item>
		<item>
		<title>দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর জাপান ঘুরে দাঁড়ানোর প্রয়াস</title>
		<link>https://sonybangla.news/2689.html</link>
					<comments>https://sonybangla.news/2689.html#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[সনি নিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 31 Oct 2022 10:26:58 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[উপসম্পাদকীয়]]></category>
		<category><![CDATA[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর জাপান ঘুরে দাঁড়ানোর প্রয়াস]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sonybangla.news/?p=2689</guid>

					<description><![CDATA[অনলাইন ডেস্ক: জাপান বর্তমান বিশ্ব বাজারে একটি অন্যতম অর্থনৈতিক পরাশক্তি। বিশ্ব অর্থনীতির সমকালীন সূচকগুলো পর্যালোচনা করলে এটি স্পষ্ট। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ১৯৯৬ সালে যখন জাপানে মাথাপিছু আয় ছিল ৩৬ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার, তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মাথাপিছু আয় ছিল ২৭ হাজার ৮০০ মার্কিন ডলার। সে বছর বিশ্ববাণিজ্যের ১০ শতাংশ ছিল একা জাপানের। বছরটিতে ৪১১ বিলিয়ন&#8230; <a class="more-link" href="https://sonybangla.news/2689.html">Continue reading <span class="screen-reader-text">দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর জাপান ঘুরে দাঁড়ানোর প্রয়াস</span></a>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><strong>অনলাইন ডেস্ক:</strong> জাপান বর্তমান বিশ্ব বাজারে একটি অন্যতম অর্থনৈতিক পরাশক্তি। বিশ্ব অর্থনীতির সমকালীন সূচকগুলো পর্যালোচনা করলে এটি স্পষ্ট। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ১৯৯৬ সালে যখন জাপানে মাথাপিছু আয় ছিল ৩৬ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার, তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মাথাপিছু আয় ছিল ২৭ হাজার ৮০০ মার্কিন ডলার। সে বছর বিশ্ববাণিজ্যের ১০ শতাংশ ছিল একা জাপানের। বছরটিতে ৪১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রফতানির বিপরীতে দেশটির আমদানির পরিমাণ ছিল ৩৪৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। সে বছর জাপানের বৈদেশিক মুদ্রার মজুদের পরিমাণ দুই হাজার বিলিয়ন ডলারের ওপর পৌঁছে। অথচ তার ঠিক ৫০ বছর আগে অর্থাৎ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অব্যবহিত পরে জাপানের অর্থনৈতিক অবস্থা ছিল অত্যন্ত শোচনীয়, বিধ্বস্ত এবং দুর্বল, যা বর্তমান সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থার সম্পূর্ণ বিপরীত।</p>
<p style="text-align: justify;">দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসলীলায় জাপানি অর্থনীতি মূলত পঙ্গু হয়ে পড়ে। ১৯৪৫ সালে যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরবর্তী বছরগুলোতে খাদ্যাভাব, অস্বাভাবিক মূল্যস্ফীতি এবং ব্যাপক চোরাকারবারি ব্যবসায় অর্থনীতি দারুণ বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়। জাপানিরা বহির্বিশ্বে তাদের সব দখলীয় এলাকা থেকে বিতাড়িত হয়। ফলে আট কোটি জনসংখ্যার সাথে সহসা ৬০ লাখ বিদেশফেরত জাপানি যুক্ত হয়। বোমা হামলায় কারখানাগুলো ধ্বংসস্ত‚পে পরিণত হয়। সামরিক ক্রয় ও কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অভ্যন্তরীণ চাহিদা বাজার হঠাৎ করে সীমিত হয়ে পড়ে। মার্কিন জেনারেল ডগলাস ম্যাক আর্থারের নেতৃত্বে মিত্রবাহিনীর দখলদার প্রশাসন জাপানের বহির্বাণিজ্যের ওপর বিশেষ নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে। ফলে বিদেশের বাজারে জাপানি সামগ্রীর চাহিদা পড়ে যায়, কাঁচামাল আমদানি বাধাগ্রস্ত হওয়ায় উৎপাদন ও সরবরাহ সক্ষমতা হ্রাস পায় এবং এর ফলে বিতরণ ব্যবসার সাথে সংশ্লিষ্ট বিশাল কর্মজীবী বেকার হয়ে পড়ে।</p>
<p style="text-align: justify;">বিপর্যস্ত ও বিব্রতকর এ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে প্রাথমিক পর্যায়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেরই অর্থনৈতিক সহায়তায় জাপানি জনগণ তাদের অর্থনীতি পুনর্বাসন ও পুনর্গঠনে আত্মনিয়োগ করে। আত্মবিশ্বাসে বলীয়ান, কঠোর পরিশ্রমী ও আত্মমর্যাদা সম্পর্কে সচেতন জাপানি জনগণ শত প্রতিকূলতা মোকাবেলা করে মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে সাফল্যের সন্ধান পায়। ১৯৫১ সালের মধ্যে জাপানের জিএনপি ১৯৩৪-৩৬ সালের পর্যায়ে পৌঁছে এবং ১৯৫৪ সালে রিয়াল টার্মে মাথাপিছু আয় ১৯৩৪-৩৬ সালের পর্যায়ে পৌঁছাতে সক্ষম হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">পরিত্যক্ত সামরিক বাহিনীর লোকবল এবং বিদেশফেরত বেসামরিক জনবল একত্রে জাপানের বিশাল কর্মীবাহিনীতে রূপান্তরিত হয়। বিশাল সামরিক ব্যয় ও যুদ্ধে যুবকদের বাধ্যতামূলক ব্যবহার বন্ধ হওয়ায় শিল্প কলকারখানার জন্য বাড়তি বরাদ্দ ও প্রশিক্ষিত ও সুশৃঙ্খল লোকবল পাওয়া যায়। ম্যাক আর্থার প্রশাসন বেশ কিছু সংস্কারমূলক কর্মসূচি গ্রহণের ফলে আর্থ প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে নতুন মাত্রা যুক্ত হয়। একচেটিয়া ব্যবসায় নিয়োজিত বড় বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো ভেঙে দেয়ায় তাদের দখলে থাকা বিশাল ভূসম্পত্তি জনসাধারণ, বিশেষ করে চাষিদের মধ্যে ভাগ করে দেয়া সম্ভব হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">লেবার ইউনিয়নের কর্মকাণ্ডে বিব্রতকর বাধাগুলো অপসারণ করা হয় এবং সবার চাকরির শর্তাবলি পুননির্ধারিত হয়। এর ফলে কর্মপরিবেশে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। উৎপাদনে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জাতীয় অর্থনীতির মুখ্য দুই খাত হিসেবে কয়লা ও ই¯পাত শিল্পকে নির্বাচন করায় এ দুই খাতে উল্লেখযোগ্য উৎপাদন নিশ্চিত হয় যা পশ্চাৎশিল্প সংযোগ হিসেবে অন্যান্য বেশির ভাগ শিল্পের টেকসই উন্নয়নে বিশেষ সহায়ক হয়। নতুন শাসনতন্ত্রে ‘যুদ্ধ নাস্তি’ ধারা সংযুক্ত হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">সামরিক ব্যয় সম্পূর্ণ লোপ পায়। ফলে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনের জন্য সামরিক বাহিনী বাবদ ব্যয়সাশ্রয় শুধু নয় জাতীয় চিন্তাচেতনার ক্ষেত্রেও একটা পরিশীলিত প্রত্যয় ও মেজাজ ফিরে আসে। যুদ্ধে ত্যক্তবিরক্ত ও সর্বস্বান্ত জাপানি জনগণ জেনারেল ম্যাক আর্থারের শাসনতান্ত্রিক সংস্কারকে স্বাগত জানায় এবং যুদ্ধে উন্মত্ত জাপানি জাতিকে বাধ্যতামূলকভাবে শিল্প কারখানা ও কৃষিতে ফিরিয়ে দেয়ায় তাদের আর্থসামাজিক জীবনব্যবস্থায় যে বিশেষ তাৎপর্যবাহী অগ্রগতি সাধিত হয় তার জন্য কৃতজ্ঞতাবোধ করে। দীর্ঘমেয়াদে দেখা যায় যুদ্ধে পরাজয় বরণে ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে মিত্র বাহিনীর দখলদারিত্বে এবং বিশেষ করে জেনারেল ম্যাক আর্থারের প্রশাসনাধীনে অর্থনৈতিক ভিত পুনর্নির্মাণের সুযোগ লাভের ফলে বিশ শতকের শেষার্ধে জাপান অর্থনৈতিক পরাশক্তির পর্যায়ে পৌঁছাতে সক্ষম হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">যুদ্ধ শেষ হওয়ার ৯ বছর পর, ১৯৫৫ সালে জাপানি অর্থনীতি যুদ্ধ-পূর্ববর্তী অবস্থায় আসতে সক্ষম হয়। ১৯৫৬ সালে জাপান সরকার ‘অর্থনৈতিক শ্বেতপত্রে’ ঘোষণা দিতে সক্ষম হয় যে ‘যুদ্ধোত্তর কালের অবসান ঘটেছে, যুদ্ধ-পূর্ববর্তীকালে অর্থনীতি যেখানে ছিল আমরা এখন সেখানে।’ উল্লেখ্য, ১৯৫৬ সালে জাপানের অর্থনীতির আকার ছিল বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থানের শতকরা ১ ভাগেরও কম। সে সময় মাথাপিছু আয় ছিল ২৬৯ মার্কিন ডলার, রফতানি দুই বিলিয়ন ডলার, আমদানি ২.৫ বিলিয়ন ডলার আর বৈদেশিক মুদ্রার মজুদের পরিমাণ ছিল মাত্র ০.৭ বিলিয়ন ডলার। পঞ্চাশের দশকের মাঝামাঝি থেকে জাপানি অর্থনীতি মূলত টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনের দিকে অগ্রসর হয়। পুরো ষাটের দশকে এ অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকে এর মাঝে ১৯৬২ সালে একটি এবং ১৯৬৫ সালে আরেকটি অর্থনৈতিক মন্দা মোকাবেলা করেই। পুরো ষাটের দশকে গড় বার্ষিক প্রবৃদ্ধির হার ১১ শতাংশের কাছাকাছি থাকে। এর তুলনায় এ দশকে জার্মানিতে গড় প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৪.৬ শতাংশ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ৪.৩ শতাংশ। ষাটের দশকে জাপানের এ প্রবৃদ্ধি ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পূর্ববর্তী ত্রিশের দশকে গড় প্রবৃদ্ধির (৪ শতাংশ) প্রায় তিনগুণ তো বটেই।</p>
<p style="text-align: justify;">এটি সর্বজনবিদিত ও স্বীকৃত যে, পঞ্চাশ ও ষাটের দশকে জাপানি অর্থনীতির অভ‚তপূর্ব সাফল্য বেসরকারি খাতে ব্যাপক বিনিয়োগ এবং নিত্যনতুন শিল্প উদ্যোগ গ্রহণের ফলেই সম্ভব হয়েছিল। জাপানিদের ঘরোয়া সঞ্চয়ের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যাংকগুলোর অধিক অর্থলগ্নিতে তথা বেসরকারি খাতে বিনিয়োগে পুঁজি সরবরাহে সক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। নতুন নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার এবং বিদেশী কোম্পানির লাইসেন্স নিয়ে ব্র্যান্ড আইটেম উৎপাদনে জাপানিদের গভীর মনোনিবেশের ফলে উৎপাদনে প্রকর্ষতাসহ উৎপাদিত সামগ্রীর প্রকার, পরিমাণ ও গুণগতমান বৃদ্ধি পায়, সরবরাহ বৃদ্ধি পায় এবং বহির্বিশ্বের বাজারে জাপানি সামগ্রীর নতুন চাহিদা সৃষ্টি হয় ও জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পায়। এ সময়ে জাপানি উৎপাদন ব্যবস্থায় আরেকটি বিশেষ সুযোগ সংযুক্ত হয় আর তা হলো পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রশিক্ষিত শ্রমিক। এ সময় প্রতি বছর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক তরুণ ও প্রতিভাদীপ্ত শ্রমিক উৎপাদনকর্মে সংযুক্ত হতে থাকে এবং কৃষি থেকেও শ্রমিক শিল্প কারখানায় ব্যাপকভাবে স্থানান্তর হতে থাকে। এ প্রেক্ষাপটে বিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে জাপানি অর্থনীতিতে অর্জিত অভূতপূর্ব সাফল্যে সে দেশের শিল্প ব্যবসা বাণিজ্যের ভূমিকাই যে ছিল মুখ্য- তা বলা বাহুল্য।</p>
<p style="text-align: justify;">অতি সীমিত প্রাকৃতিক সম্পদ, মোট ভূখণ্ডের মাত্র ত্রিশ ভাগ বাস ও চাষযোগ্য জমি এবং ভূমিকম্পপ্রবণ দ্বীপপুঞ্জের দেশ জাপানের অর্থনীতির ভিত মূলত শিল্প-ব্যবসায়-বাণিজ্যের ওপর একান্তভাবে নির্ভরশীল। প্রক্রিয়াজাত শিল্পসামগ্রী রফতানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনই জাপানি অর্থনীতির অন্যতম অবলম্বন। বিদেশী প্রযুক্তি প্রয়োগ এবং প্রক্রিয়াজাত শিল্প উৎপাদনের জন্য বৈদেশিক মুদ্রার প্রয়োজনীয়তা প্রাথমিক পর্যায়ে ছিল অপরিসীম। আর এ উদ্দেশ্য অর্জনে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও প্রয়োগপ্রক্রিয়ায় জাপানের বড় বড় ট্রেডিং হাউজগুলোর (জাপানি ভাষায় শোগো শোষা) ভূমিকাও ছিল বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p style="text-align: justify;">দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে শোচনীয় পরাজয়ের পর যুদ্ধবিধ্বস্ত অর্থনীতিকে পুনর্গঠন ও পুনরুজ্জীবনের লক্ষ্যে জাপান সব কিছুর ওপর শিল্প-ব্যবসায়-বাণিজ্যে বিনিয়োগে মনোনিবেশের মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়নের নীতি গ্রহণ করে। ১৯৪৭ সালে অর্থাৎ যুদ্ধ শেষ হওয়ার দুই বছরের মধ্যে, বৈদেশিক বাণিজ্য বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেয়ার লক্ষ্যে পদ্ধতি সংস্কারসহ নিয়ন্ত্রণমূলক নীতিমালায় আনা হয় ব্যাপক পরিবর্তন। এর দুই বছর পর, ১৯৪৯ সালে মুদ্রা বিনিময় হার ডলারপ্রতি ৩৬০ ইয়েনে বেঁধে দেয়া হয়। জাপান সরকার এ সময় বৈদেশিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে কয়েকটি পোষক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলে।</p>
<p style="text-align: justify;">এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ১৯৪৭ সালের মে মাসে প্রতিষ্ঠিত মিনিস্ট্রি অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (মিটি), ১৯৫০ সালে এক্সপোর্ট ব্যাংক অব জাপান (যা সত্তরের দশকে এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট (এক্সিম) ব্যাংক এবং হালে জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-পারেশন (জেবিআইসি) হিসেবে ওভারসিজ ইকোনমিক কো-অপারেশন ফান্ডের (ওইসিএফ) সাথে একীভ‚ত হয় এবং ১৯৫৮ সালে জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশন (জেট্রো)। মিটি আন্তর্জাতিক বাজারে জাপানের প্রবেশ নিশ্চিত করতে নীতি ও পদ্ধতি নিয়ে নিরন্তর গবেষণা এবং বহির্বাণিজ্য বৃদ্ধির কর্মপন্থা নির্ধারণে ও নিয়ন্ত্রণে, এক্সিম ব্যাংক আমদানি-রফতানিকারকদের পুঁজি সরবরাহসহ যাবতীয় আর্থিক লেনদেনে নিশ্চয়তা নির্ভরতার বিধান করে এবং জেট্রো জাপানি পণ্যের বিদেশে বাজার সৃষ্টিতে এবং একই সাথে বিদেশী পণ্যের (কাঁচামাল) জাপানে আমদানি বিষয়ে উৎসাহ অনুপ্রেরণা ও প্রণোদনার দায়িত্ব পালন করতে থাকে।</p>
<p style="text-align: justify;">বিদেশে জাপানি পণ্যের বাজার প্রসারে এবং সরকারের সাথে আমদানি-রফতানি নীতি, রীতিপদ্ধতি সংস্কারসংক্রান্ত সংলাপে ও সুবিধাবলি আদায়ে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের জন্য পণ্য ও শিল্প খাতওয়ারি আমদানি-রফতানি সমিতিগুলো গড়ে ওঠে এ সময়। সমিতিগুলো বাজার গবেষণা, তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ এবং নিজেদের উৎপাদিত পণ্যের গুণগতমান উন্নয়নে মনোনিবেশ করে এবং বাজার অনুসন্ধান ও উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করে। ব্যবসায়-বাণিজ্য-বিষয়ক তথ্য উপাত্ত ও সংবাদবাহী দৈনিক পত্রিকা এবং বিশেষায়িত সাময়িকীগুলোর প্রকাশনাও শুরু হয় এ সময়।</p>
<p style="text-align: justify;">পঞ্চাশের দশকে জাপান সরকার ব্যবসায়-বাণিজ্য ক্ষেত্রে বেশ কিছু পদ্ধতি প্রবর্তন করেন যার মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল রফতানি উৎসাহিতকরণ। এদের মধ্যে, ‘রফতানি আয় থেকে করযোগ্য আয় বাদ দেয়ার পদ্ধতি’, ‘রফতানি অর্থায়নের ব্যবস্থা সহজীকরণ’ ‘রফতানি বীমাপদ্ধতি’ প্রবর্তন বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ব্যবসায় ও বণিক সমিতিগুলোর মতামত, পরামর্শ ও প্রস্তাবকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হতো সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর, শিল্প ও বাণিজ্য সংস্থার প্রধান, শিল্প গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনগুলোর নেতারা প্রতি মাসে নিজ নিজ নির্ধারিত তারিখে পৃথকভাবে সংবাদমাধ্যমগুলোর সাথে দেশের অর্থনীতি, শিল্প উৎপাদন পরিস্থিতি ও ব্যবসায়-বাণিজ্য বিনিয়োগ নীতি নিয়মাবলি ব্যাখ্যা এবং সে সবের প্রয়োগ সম্পর্কে খোলামেলা আলোচনা ও মতবিনিময় করতেন, এ পদ্ধতি ও কর্মসূচি এখনো বলবৎ আছে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><em>সনি বাংলা ডট কম/ইআবি</em></strong></p>
<p><a class="a2a_button_facebook" href="https://www.addtoany.com/add_to/facebook?linkurl=https%3A%2F%2Fsonybangla.news%2F2689.html&amp;linkname=%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F%20%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%8B%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%20%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%20%E0%A6%98%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%87%20%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8B%E0%A6%B0%20%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B8" title="Facebook" rel="nofollow noopener" target="_blank"></a><a class="a2a_button_twitter" href="https://www.addtoany.com/add_to/twitter?linkurl=https%3A%2F%2Fsonybangla.news%2F2689.html&amp;linkname=%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F%20%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%8B%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%20%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%20%E0%A6%98%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%87%20%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8B%E0%A6%B0%20%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B8" title="Twitter" rel="nofollow noopener" target="_blank"></a><a class="a2a_button_email" href="https://www.addtoany.com/add_to/email?linkurl=https%3A%2F%2Fsonybangla.news%2F2689.html&amp;linkname=%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F%20%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%8B%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%20%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%20%E0%A6%98%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%87%20%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8B%E0%A6%B0%20%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B8" title="Email" rel="nofollow noopener" target="_blank"></a><a class="a2a_dd addtoany_share_save addtoany_share" href="https://www.addtoany.com/share#url=https%3A%2F%2Fsonybangla.news%2F2689.html&#038;title=%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F%20%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%8B%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%20%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%20%E0%A6%98%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%87%20%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8B%E0%A6%B0%20%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B8" data-a2a-url="https://sonybangla.news/2689.html" data-a2a-title="দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর জাপান ঘুরে দাঁড়ানোর প্রয়াস"></a></p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sonybangla.news/2689.html/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">2689</post-id>	</item>
	</channel>
</rss>
