বিজয় শোভাযাত্রা শেষে সমাবেশে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও রাসিক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, নির্বাচন আসলে যারা নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে চায়, নির্বাচনকে বিতর্কিত করতে চায়, নির্বাচনে জনগণের রায়ের মুখোমুখী হয়ে ভয় পায়, সেই বিএনপি জামায়াত আবারো ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। ২০১৪/২০১৮ সালের মতো এবারো ষড়যন্ত্র করছে, আগুন সন্ত্রাসের মাধ্যমে মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করছে। লন্ডনে বসে তারেক জিয়া যেভাবে পুতুলের মতো নাচাচ্ছে দেশে বসে মির্জা ফখরুল গংরা সেভাবে নাচছে। ৭ জানুয়ারি নির্বাচনের আগে দেশকে অচল করে দেওয়ার তাদের অপচেষ্টা সফল হবে না।
তিনি আরো বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাতিসংঘ কেন আমাদের অভ্যন্তরণী বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবে? এই পরিস্থিতি কে ডেকে এনেছে? মীর জাফরের মতো বিএনপি এই পরিস্থিতি ডেকে নিয়ে এসেছে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পূর্বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্টদূত পিটার হাস নানা জায়গায় গেছে, নানা বক্তৃতা দিয়েছে। তফসিল ঘোষণার পর তার আর কথা নাই। এটি হচ্ছে শেখ হাসিনার রাজনীতির খেলা।
রাসিক মেয়র আরো বলেন, নৌকা মানে উন্নয়ন,নৌকা মানেই মানুষের কল্যান। তাই আগামী নির্বাচনে জনগণ নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে শেখ হাসিনাকে আবারো প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করবেন। আর দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে।
কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামাল। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য বেগম আখতার জাহান। মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহসানুল হক পিন্টুর সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন নগর আওয়ামী লীগে সহ-সভাপতি তবিবুর রহমান শেখ, আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ডা. আনিকা ফারিহা জামান অর্ণা।
আরো উপস্থিত ছিলেন নগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. আসলাম সরকার, আজিজুল আলম বেন্টু সহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, যুব মহিলা লীগ, শ্রমিক লীগ, কৃষিক লীগ, ছাত্রলীগ সহ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।





