নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ১০ দফা দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মত রাজশাহী বিভাগের সব জেলায় চলছে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট। এতে করে বন্ধ আছে বিভাগের সকল যানবাহন। ফলে বিএনপির সমাবেশের আগে ডাকা এই ধর্মঘটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।
আজ সকাল থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মহানগরের শিরোইল, ভদ্রা ও রেলগেট বাস টার্মিনালে আসেন যাত্রীরা। ধর্মঘটের কারণে কোনো রুটে বাস না চলায় বিকল্প যানবাহনে কেউ কেউ বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। এজন্য তাদের গুণতে হচ্ছে বাড়তি ভাড়াও।
পরিবহন ধর্মঘটের কারণে ভোগান্তি পোহাচ্ছেন রাজশাহীর আন্তঃজেলা রুটের যাত্রীরাও। সিএনজি অটোরিকশা, হিউম্যান হলার, মাইক্রোবাসসহ বিভিন্ন বিকল্প যানবাহনে দ্বিগুণ ভাড়া দিয়ে যাত্রীরা জরুরি প্রয়োজনে নিজ গন্তব্যে রওয়ানা দিচ্ছেন। রাজশাহী শহরে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরাও ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
ধর্মঘটের ফলে অনেককে আবার রাজশাহী রেল স্টেশনে ভিড় করতে দেখা যাচ্ছে। চাপ বেড়েছে ট্রেনে। তাই বিভিন্ন রুটের ট্রেনের টিকিট এরইমধ্যে শেষ হয়ে গেছে। টিকিট না পেয়ে অনেকে দাঁড়িয়েই রওয়ানা দিচ্ছেন। এছাড়া রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন থেকে যেসব ট্রেন আসছে ও যাচ্ছে তাতে অতিরিক্ত যাত্রী চাপ লক্ষ্য করা গেছে।
এদিকে আগামী (৩ ডিসেম্বর শনিবার) বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশকে কেন্দ্র করে পরিবহন ধর্মঘট দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ বিএনপি নেতাদের। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় দু’দিন আগে থেকেই গণসমাবেশে আসতে শুরু করেছেন দলটির নেতাকর্মীরা।
বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও মহানগর কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জানান, গণসমাবেশে আসতে বেশ বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে দলের নেতাকর্মীদের। পুলিশ তাদের কোথাও দাঁড়াতে দিচ্ছে না। তবে কোনো বাধা গণসমাবেশকে আটকাতে পারবে না। যেকোনোভাবে সমাবেশ সফল হবেই।
সনি বাংলা ডট কম / ই আবি





