স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহী কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে (টিটিসি) অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে একটি মহল অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মহল বিশেষের একের পর এক হটকারী অপতৎপরতায় বিপাকে পড়েছেন টিটিসি কতৃপক্ষ। এনিয়ে টিটিসির অধ্যক্ষ ও এক কর্মকর্তা চরম মানসিক চাপে রয়েছেন। বাধ্য হয়ে শেষ পর্যন্ত থানা পুলিশের শরণাপন্ন হয়েছেন তারা।
রাজশাহী টিটিসির হিসাব রক্ষক ফরহাদ হোসেন বলেন, বহিরাগত কিছু লোককে ব্যবহার করে একটি মহল টিটিসির বর্তমান অধ্যক্ষ ও আমার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে যাচ্ছেন। কেউ কেউ বারবার মোবাইলে কল করে অনৈতিক সুবিধা চাইছেন, আবার কেউ নানা ভাবে মানসিক ভাবে চাপ সৃষ্টি করছেন। এতে করে রাজশাহী টিটিসিতে আমরা চরম বিপাকে রয়েছি।
তিনি দাবি করেন, মহল বিশেষ টিটিসিতে অস্থিতিশীলতা জিইয়ে রেখে অনৈতিক সুবিধা আদায় করতে চান। এরই অংশ হিসেবে তারা বহিরাগতদের ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানটির সুনাম ক্ষুণ্ন এবং স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্নিত করতে অপতৎপরতা ও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে আমি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করেছি।
রাজশাহী টিটিসির অধ্যক্ষ মো. নাজমুল হক বলেন, প্রতিহিংসা পরায়ন হয়ে ব্যাক্তি স্বার্থ ও অসৎ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে একটি মহল আমার এবং আমার এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নানা ধরনের মিথ্যা প্রপাগান্ডা ও অপপ্রচার শুরু করেছে।
অধ্যক্ষ আরো বলেন, বহিরাগত কিছু লোককে ব্যবহার করে একটি মহল টিটিসিতে অস্থিতিশীলতা জিইয়ে রেখে ফায়দা হাসিল করতে চান। কেউ কেউ বারবার মোবাইলে কল করে অনৈতিক সুবিধা চাইছেন, আবার কেউ নানা ভাবে মানসিক ভাবে চাপ সৃষ্টি করছেন। এতে করে আমরা চরম বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছি।
অধ্যক্ষ বলেন, আমি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানাই।
এদিকে এই ষড়যন্ত্রের সাথে প্রতিষ্ঠানটির একজন সাবেক অধ্যক্ষ এবং একজন সাবেক স্টোরকিপার জড়িত রয়েছেন বলে যে অভিযোগ উঠেছে সে বিষয়টিও তদন্ত করে দেখা দরকার বলে মনে করেন অধ্যক্ষ নাজমুল হক।





