নিজস্ব প্রতিবেদক: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মো:জালাল উদ্দিন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান।
মরহুম বীর মুক্তি যোদ্ধা জমসেদ আলী জুম্মনের সন্তান জালাল উদ্দিন্। আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন দাবি করেন তিনি।
আ.লীগের স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, এক সময়ের বিএনপির আসন বলা হলেও সময়ের ব্যবধানে আসনটি এখন আওয়ামী লীগের শক্ত ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই আসনটিতে প্রতিনিধিত্ব করছেন নৌকা প্রতিক নিয়ে ১৪ দলীয় জোট ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা ফজলে হোসেন বাদশা। এই আসনে আগামী নির্বাচনেও বিজয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে ইতি মধ্যে দলীয় মনোনয়ন পেতে কাজ শুরু করেছেন জালাল উদ্দিন।
গতকাল তার ভেরিফাইড ফেসবুকে জালাল উদ্দিন লেখেন, আমি মো:জালাল উদ্দিন পিতা মরহুম বীর মুক্তি যোদ্ধা জমসেদ আলী জুম্মন, শিরোইল শান্তিবাগ ডাকঘর:ঘোড়ামারা,থানা বোয়ালিয়া জেলা:রাজশাহী।
হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জাতীয় নেতা শহীদ এ এইচ এম,কামারুজ্জামানের ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধা ছিলেন আমার বাবা।
বঙ্গবন্ধু একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন তিনি। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলন, ১৯৬৬ সালে ৬ দফা দাবি আন্দোলন, ১৯৭৯ সালে গন অভ্যান্থন,ও ১৯৭১ সালে পাক-হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে স্বাধীনতা যুদ্ধে সক্রিয় ভুমিকা পালন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা জমসেদ আলী জুম্মন। ১৯৭১ সালে বর্তমান খড়খড়ি এলাকায় ৩ প্লাটুন পাক হানাদার বাহিনীর হাতে যুদ্ধরত অবস্থায় গ্রেফতার হন তিনি।
জালাল উদ্দিন লেখেন, বাবাকে গ্রেফতার করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জোহা হলে নিয়ে গিয়ে নির্মম ভাবে নির্যাতন করে তারা।
বাবা ছিলেন রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি।
আমি একজন পাকবাহিনীর হাতে নির্যাতিত মুক্তি যোদ্ধা পরিবারের সন্তান,।আমি ১৯৮৫ সালে ছাত্র রাজনীতিতে আসি,১৯৯০ সালে রাজনৈতিক ভাবে মিথ্যা মামলার শিকার হয়।
১৯৮৬ সালে বি,এন,পি শাসনামলে কয়েকটি মিথ্যা মামলার শিকার হয়। ওই সময় যুবদল নেতা মন্টুর মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারাবরণ করি।
রাজনৈতিক ক্যারিয়ার রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগ বোয়ালিয়া থানা (পুর্ব) কার্য্যনির্বাহীর সদস্য ও বর্তমানে ২৭ নং ওয়ার্ড এর সিনিয়র সহ সভাপতি পদে রয়েছি।
আমি অসহায় মানুষের কাছে ত্থেকে তাদের কষ্ট অনুভব করি। বেকারত্ব মানুষের দু:খ অন্তর থেকে অনুভব করি এবং আওয়ামীলীগ পরিবারের তৃনমুল নেতা-কর্মীদের কষ্ট ও দুর্দশার না বলা কথা গুলো বুঝি।
কিন্তু আমি শোষিতর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করি। রাজশাহীর মানুষের অবহেলিত লাঞ্চনা গঞ্জনা কাছে থেকে সর্বদা ব্যাথিত হই। তাই আমি একজন পাকবাহিনীর হাতে নির্যাতিত মুক্তি যোদ্ধা পরিবারের সন্তান হিসাবে রাজশাহী বাসির পাশে দাড়াতে চাই।
আমার অবহেলিত রাজশাহী বাসির পাশে থাকতে চাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে সমর্থন করেন তাহলে। যদি মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে নমিনেশন এর সমর্থন করেন।
তাই আমি আগামী সংসদ নির্বাচন এ রাজশাহী বাসির দোয়া প্রার্থনা করছি।
আমার কোন চাওয়া পাওয়া নাই শুধু চাই অবহেলিত লাঞ্চিত, বঞ্চিত মানুষের সেবা করতে। এটাই আমার আগামী দিনে প্রত্যাশা। বেকারত্ব দূর করা আগামী দিনের প্রত্যয়। আশা করি স্বাধীনতা শক্তির পক্ষে
রাজশাহী বাসি আমার পাশে থাকবেন।
মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা জমসেদ আলী জুম্মনের সন্তান মোঃ জালাল উদ্দিন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এ আসনে আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের সরব উপস্থিতি ও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে একদিকে যেমন ভোটব্যাংক ও জনসমর্থন বেড়েছে। অন্যদিকে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দল বিএনপির নেতৃবৃন্দের নিষ্ক্রিয়তার কারণে আগের তুলনায় বিএনপি অনেকটা ঝিমিয়ে পড়েছে।
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে অনেকেরই নাম শোনা যাচ্ছে। কিন্তু আওয়ামী লীগের মনোনয়ন জালাল উদ্দিন পাবেন বলে প্রত্যাশা করছেন তিনি।
সনি বাংলা ডট কম/ইআবি





